প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

৩ নভেম্বর নিলাম হবে ১১০ বিলাসবহুল গাড়ির

নিজস্ব প্রতিবেদক: কারনেট ডি প্যাসেজ সুবিধার আওতায় আসা বিলাসবহুল ১১০টি গাড়ি নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আগামী ৩ ও ৪ নভেম্বর এই গাড়িগুলো বিক্রি করা হবে।

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের যুগ্ম কমিশনার মো. তোফায়েল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইলেকট্রনিক নিলামের (ই-অকশন) মাধ্যমে ওই গাড়িগুলো বিক্রি হবে। এক থেকে তিন কোটি টাকা মূল্যের এসব গাড়ি নিলামে কম দামে পাওয়া যাবে। গাড়িগুলোর মধ্যে মিতশুবিশি ব্রান্ডের ২৬টি, মার্সিডিজ বেঞ্জ ব্রান্ডের ২৫টি, বিএমডব্লিউ ব্রান্ডের ২৫টি, ল্যান্ডরোভার ব্রান্ডের ৭টি, ল্যান্ডক্রুজার ব্রান্ডের ৭টি, লেক্সাস ব্রান্ডের ৬টি, ফোর্ড ব্রান্ডের ৫টি, জাগুয়ার ব্রান্ডের ৩টিস বিশ্বের নামিদামী বিভিন্ন ব্রান্ডের গাড়ি রয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস সূত্রে জানা যায়, পর্যটক সুবিধায় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে এক দশক আগে এসব গাড়ি এনেছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ পর্যটকেরা। শুল্কমুক্ত সুবিধার অপব্যবহারের কারণে গাড়িগুলো আটকে যায়। ব্যাংক গ্যারান্টি দিয়ে খালাসের শর্ত আরোপ করা হলেও খালাস না করায় বন্দরে পড়ে থাকে দিনের পর দিন।

কাস্টমসের নিলাম শর্ত অনুযায়ী, যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারবে। টেন্ডারে অংশ নেওয়ার সময় শিডিউলের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন সনদ অথবা টিআইএন সার্টিফিকেটের কপি জমা দিতে হবে। আর ব্যক্তির ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি ও টিআইএন সার্টিফিকেটের কপি জমা দিতে হবে।

গাড়ি পরিদর্শনের তিনদিন আগে পাস নিতে আবেদন করতে হবে। গাড়ি পরিদর্শনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৭ থেকে ২৮ অক্টোবর এবং ৩১ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর। অনলাইনে নিলামে অংশ নেওয়ার জন্য প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারবেন ক্রেতারা। আগামী ১৮ অক্টোবর সশরীরের বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে।

আগ্রহী দরদাতারা আগামী ৩ নভেম্বর সকাল ৯ টা থেকে ৪ নভেম্বর দুপুর ১টা পর্যন্ত কাস্টম হাউসের ওয়েব সাইট www.chc.gov.bd অথবা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের www.nbr.gov.bd ওয়েবসাইটের ই-অকশন লিংকে প্রবেশ করে দরপত্র দাখিল করতে পারবেন।

এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো নিলামে তোলা হচ্ছে এসব গাড়ি। এর আগে চারটি নিলামে একটি গাড়িও বিক্রি হয়নি। গাড়িগুলো অখালাস অবস্থায় বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে রয়েছে।