দিনের খবর

৩ হাসপাতালের ব্যাখ্যা হাইকোর্টে

জমজ নবজাতকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক: তিন হাসপাতালে ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে দুই নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় জারি করা রুলের শুনানির জন্য চিকিৎসা ও আইন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামত নিতে চার অ্যামিকাস কিউরি (আদালতের বন্ধু) নিয়োগ করেছেন হাইকোর্ট। তারা হলেন- জেড আই খান পান্না, শাহদীন মালিক, মনজিল মোরশেদ ও ঢাকা মেডিকেলের একজন শিশু বিশেষজ্ঞ।

আজ বুধবার তিন হাসপাতাল ব্যাখ্যামূলক প্রতিবেদন দাখিলের পর বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৮ জানুয়ারি দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

যমজ শিশু মৃত্যুর ঘটনায় এর আগে আদালতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ), ঢাকা শিশু হাসপাতাল এবং মুগদা ইসলামি ব্যাংক হাসপাতাল তাদের ব্যাখ্যামূলক প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করে। পরে এ বিষয়ে শুনানি করে হাইকোর্টে।

হাইকোর্টকে দেওয়া ব্যাখ্যায় ইসলামী ব্যাংক মুগদা হাসপাতাল জানায়, তাদের এনআইসিইউ ছিলো না। ফলে তারা নবজাতকদের শ্যামলীতে ঢাকা শিশু হাসপাতালে নিতে বলে। পরে দুই নবজাতককে অ্যাম্বুলেন্সে করে শিশু হাসপাতালে নিয়ে যায়।

আর শিশু হাসপাতাল জানিয়েছে, হাসপাতালে শিশু দুটিকে আনা হয়েছিলো এটা কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়নি। ভর্তির পর বাড়তি খরচের বিষয়টি জানান ডেপুটি ডিরেক্টর। বাড়তি খরচের কথা বলায় নবজাতকের বাবা দুই শিশুকে নিয়ে চলে যায়। আর বিএসএমএমইউ জানায়, দুই নবজাতককে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল।

গত দোসরা নভেম্বর রাজধানীর মুগদা ইসলামি ব্যাংক হাসপাতালে নেয়ার পথে সিএনজির ভেতরে জমজ নবজাতকের জন্ম হয়। পরে তিনটি হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ নিয়ে যমজ সন্তানের মরদেহ নিয়ে হাইকোর্টে হাজির হয় বাবা। এরপর বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ তিনটি হাসপাতালকে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেয়। একই সাথে চিকিৎসা অবহেলায় বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..