প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

৪০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, পিকে হালদারসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পিকে হালদারসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার (১৩ মার্চ) দুদকের সহকারী পরিচালক মো. রাকিবুল হায়াত দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগে দুদক সজেকা ঢাকা-১ মামলাটি (নম্বর-২০) দায়ের করেছেন।

মামলার আসামিরা হলো- রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেড ও এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদার, সুখদা প্রোর্পাটিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান রতন কুমার সমাদ্দার, ব্যবস্থাপনা পরিচালক অমিতাভ অধিকারী, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. সিদ্দিকুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম, পরিচালক এম এ হাফিজ, পরিচালক কাজী মাহজাবিন মমতাজ, পরিচালক মিসেস সোমা ঘোষ, পি অ্যান্ড এল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান ডা. উদ্দাব মল্লিক, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের পরিচালক আতাহারুল ইসলাম, অরুণ কুমার কুন্ড, অঞ্জন কুমার রায়, প্রদীপ কুমার নন্দী, স্বতন্ত্র পরিচালক বীরেন্দ্র কুমার সোম, সিনিয়র অফিসার মিসেস মৌসুমী পাল, ম্যানেজার আহসান রাকিব, প্রাক্তন সিনিয়র অফিসার মিসেস তাসনিয়া তাহসিন রোজালিন, মনির হোসেন, প্রাক্তন ভিপি ও সিএফও মনিরুজ্জামান আকন্দ, প্রাক্তন এসভিপি ও এসএমই ফিনান্সের প্রধান আজিমুল হক, প্রাক্তন এসইভিপি এবং সিএডির প্রধান প্রাণ গৌরাঙ্গ দে, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল শাহরিয়ার।

মামলার এজাহারে বলা হয়, অসৎ উদ্দেশ্যে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য ক্ষমতার অপব্যবহার করে একে অপরের সহায়তায় প্রতারণা ও জাল জালিয়াতির আশ্রয়ে আসামিরা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছেন। অবৈধ উপায়ে ভুয়া ও কাগুজে প্রতিষ্ঠান সুখাদা প্রপার্টিজ লিমিটেডের নামে ঋণ নিতে ভুয়া রেকর্ডপত্র তৈরি করেন। সেগুলো ব্যবহার করে এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড থেকে ঋণ হিসেবে ৪০ কোটি টাকা মঞ্জুরি করেন। পরে ৩৬ কোটি ৩৭ লাখ ৮৮ হাজার ৮৯৫ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে ওইসব টাকা বিভিন্ন কোম্পানি ও ব্যক্তির ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে অবস্থান গোপন করে পাচার করেছেন। প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৪০৯, ৪২০, ৪৬৮, ৪৭১, ১০৯ ধারা ও ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ (২), (৩) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। 

দুদকের জনসংযোগ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি দুদক কমিশন মামলাটি দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে।