Print Date & Time : 7 March 2021 Sunday 12:56 am

৫০০ কোটি টাকার বন্ড ছাড়বে মার্কেন্টাইল ব্যাংক

প্রকাশ: November 23, 2020 সময়- 12:10 am

নিজস্ব প্রতিবেদক: মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ ৫০০ কোটি টাকার নন-কনভার্টেবল বন্ড ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ‘মার্কেন্টাইল ব্যাংক থার্ড সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড’ নামে ৫০০ কোটি টাকার বন্ড ছাড়বে। ব্যাংকের ব্যাসেল-৩-এর অধীন মূলধন শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রাইমভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে টায়ার-টু রেগুলেটরি মূলধন হিসেবে এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে বন্ডটি ইস্যু করবে মার্কেন্টাইল ব্যাংক।

২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরে বিনিয়োগকারীদের হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানিটি ১১ শতাংশ নগদ ও পাঁচ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে দুই টাকা ৩৭ পয়সা এবং ৩১ ডিসেম্বর শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৩৪ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে তিন টাকা ৫৯ পয়সা ও ২২ টাকা ৯১ পয়সা। ২০১৯ সালে মোট মুনাফা করে ২২২ কোটি ১৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা, আগের বছরে যার পরিমাণ ছিল ২৯২ কোটি ২৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

এদিকে গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর ডিএসইতে শূন্য দশমিক ৮৫ শতাংশ বা ১০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ১১ টাকা ৭০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও ছিল ১১ টাকা ৭০ পয়সা। দিনজুড়ে ছয় লাখ ছয় হাজার ৬৬২টি শেয়ার মোট ১৫৫ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৭১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনিম্ন ১১ টাকা ৭০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১১ টাকা ৯০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ১০ টাকা থেকে ১৪ টাকা ৯০ পয়সায় হাতবদল হয়।

কোম্পানিটি ২০০৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। এক হাজার ২০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৯৮৪ কোটি এক লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ এক হাজার ১০৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট ৯৮ কোটি ৪০ লাখ ১৬ হাজার ২১৭টি শেয়ার রয়েছে। কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৩৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ১৮ দশমিক ৫২ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে চার দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে বাকি ৩৭ দশমিক ২৬ শতাংশ শেয়ার।