প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

৫০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যু করবে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল

নিজস্ব প্রতিবেদক: বন্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বস্ত্র খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের পরিচালনা পর্ষদ। কোম্পানিটি ৫০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যু করবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, চলমান ও ভবিষ্যতে মূলধনের প্রয়োজনে নন-কনভার্টিবল জিরো কুপন বন্ড ইস্যু করবে কোম্পানিটি। বন্ডটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষ ইস্যু করা হবে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হবে।

উল্লেখ্য, ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটি ২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছরে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পরিচালনা পর্ষদ ১০ শতাংশ নগদ ও সাত শতাংশ বোনাসসহ মোট ১৭ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এ সময় কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৮৪ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৪২ পয়সা।

২০১৫ সালে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ১৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। ওই বছর ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৭৭ পয়সা ও এনএভি ছিল ২১ টাকা ২০ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে ২ টাকা ২৩ পয়সা ও ২২ টাকা ৩৬ পয়সা। কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ১৯ কোটি ৩৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল ১৮ কোটি ৬৯ লাখ  ৭০ হাজার টাকা।

গতকাল কোম্পানিটির পাঁচ কোটি চার লাখ ৬০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। দিনজুড়ে ২৪ লাখ ৪৩ হাজার ৯৭০টি শেয়ার মোট এক হাজার ২৪৬ বার হাতবদল হয়। শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের চেয়ে সাত দশমিক ৭৩ শতাংশ বা ১ টাকা ৫০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ২০ টাকা ৯০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ২০ টাকা ৮০ পয়সা। শেয়ারদর সর্বনিম্ন ১৯ টাকা ৫০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২১ টাকা ২০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ারদর ১৪ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ২২ টাকা ৪০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছে ৪৪ পয়সা। এটি আগের বছর একই সময় ছিল ৩৭ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস বেড়েছে সাত পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৮৭ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ২১ টাকা ৫৭ পয়সা। ২০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১১৭ কোটি ৩১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কোম্পানির রিজার্ভের পরিমাণ ৬৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (ইপি) অনুপাত ১১ দশমিক তিন এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ।

কোম্পানিটির শেয়ার রয়েছে ১১ কোটি ৭৩ লাখ ১৫ হাজার ৮৭০টি। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৬৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে সাত দশমিক ৪৭ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ২৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ শেয়ার।