প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

৮৮০ কোটি টাকার সম্পদ বেড়েছে ইস্টার্ন কেব্লসের

নিজস্ব প্রতিবেদক:পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি ইস্টার্ন কেব্লস লিমিটেডের সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন করা হয়েছে। এতে কোম্পানিটির সম্পদ বেড়েছে প্রায় ৮৮০ কোটি টাকা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, ইস্টার্ন কেব্লস লিমিটেড তাদের স্থায়ী সম্পদ তথা প্রপার্টি, প্লান্ট অ্যান্ড ইকুইপমেন্ট পুনর্মূল্যায়ন করেছে এবং পুনর্মূল্যায়নের পর তাদের সম্পদ বেড়েছে ৮৭৯ কোটি ৮৮ লাখ ৫৪ হাজার ৮৫২ টাকা। আর কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ তার অনুমোদনও করেছে, যা ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের ওপর ভিত্তি করে এ পুনর্মূল্যায়ন করা হয়েছে। ২০২১ সালে কোম্পানিটির স্থায়ী সম্পদ ছিল ১৫ কোটি ৯৫ লাখ ৯৯ হাজার ৬৩৯ টাকা। পুনর্মূল্যায়নের পর যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৯৫ কোটি ৮৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৯১ টাকায়। আহমেদ জাকের অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস কোম্পানিটির এই সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন করেছে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, প্রকৌশল খাতের ‘বি’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি ১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৬০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ২৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট দুই কোটি ৬৪ লাখ শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ১৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ, সরকারি ৫১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ১৮ দশমিক ২১ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৩ দশমিক ০২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

গতকাল ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৬ দশমিক ০৭ শতাংশ বা ৮ টাকা ৫০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ১৪৮ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও ছিল একই। দিনজুড়ে ৯৮ হাজার ২৮৮ শেয়ার মোট ৭৫০ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর এক কোটি ৪৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এক বছরে শেয়ারদর সর্বনিন্ম ১১৫ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ১৭৪ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়।

চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ, ২০২২) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩২ পয়সা (লোকসান), আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ২২ পয়সা (লোকসান)। অর্থাৎ তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান কমেছে ৯০ পয়সা। অন্যদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই, ২০২১-মার্চ, ২০২২) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ১৩ পয়সা (লোকসান), আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪ টাকা ৫১ পয়সা (লোকসান)। সে হিসেবে আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান কমেছে ২ টাকা ৩৮ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২২ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ২৯ পয়সা। আর প্রথম তিন প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থ প্রবাহ হয়েছে ১ টাকা ৯১ পয়সা।

কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন, ২০২১ সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।