এফ আই মাসউদ: বর্তমানে এক বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে দেশের অর্থনীতি। বৈশ্বিক যুদ্ধ ও মন্দার প্রভাব, শিল্প বিনিয়োগে দীর্ঘস্থায়ী স্থবিরতা, ঋণখেলাপির ক্রমবর্ধমান চাপ এবং ব্যাংক খাতের দুর্বল ব্যবস্থাপনাÑসব মিলিয়ে আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা নতুন সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন বাস্তবতায় নতুন সরকারের প্রথম বাজেট শুধু একটি বার্ষিক আর্থিক পরিকল্পনা নয়, বরং অর্থনীতিকে পুনর্গঠন ও আস্থার জায়গায় ফিরিয়ে আনার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত দিকনির্দেশনা হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এখন চ্যালেঞ্জের মুখেÑএমন মন্তব্য উঠে এসেছে বিভিন্ন অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকিং বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণে। তাদের মতে, আগামী বাজেট প্রণয়ন সরকারকে কঠিন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে করতে হবে, যেখানে রাজস্ব আদায়ের দুর্বলতা, বাড়তি ব্যয়, ঋণনির্ভর উন্নয়ন এবং মূল্যস্ফীতির চাপ বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে। পাশাপাশি ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ও অনিয়মের প্রভাব অর্থনীতিকে আরও জটিল করছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজেটে শেয়ারবাজার ও উৎপাদন খাতের জন্য কিছু প্রণোদনার প্রয়োজন হলেও সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে রাজস্ব ভিত্তি সম্প্রসারণ, কর ফাঁকি রোধ এবং ব্যয় দক্ষতা বাড়ানোর দিকে। একই সঙ্গে ব্যাংক খাতে ইচ্ছাকৃতভাবে খেলাপিদের কঠোরভাবে শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় আনা এবং প্রকৃত ব্যবসায়ীদের জন্য নীতিগত সহায়তা নিশ্চিত করার ওপরও তারা জোর দিয়েছেন।
বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে সংস্কারের ইতিহাসে ১৯৯১ সাল একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। সে সময় প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে ঋণখেলাপিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে আর্থিক খাতে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সেই অভিজ্ঞতা নতুন করে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। তাই নতুন সরকারের আসন্ন বাজেট থেকে ব্যাংক ও আর্থিক খাতে কার্যকর সংস্কার, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে অর্থনীতিবিদদের প্রত্যাশা অনেক বেশি।
অধ্যাপক আবু আহমেদ: সরকারি প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ শেয়ার বিজকে বলেন, নতুন সরকারের বাজেট প্রণয়ন অত্যন্ত কঠিন হবে, কারণ বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভালো যাচ্ছে না। তার মতে, বাজেটের হিসাব মেলানোও চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
তিনি বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ থাকবে, তবে সামগ্রিকভাবে ঘাটতি বাজেট আরও বাড়তে পারে। পরিচালন ব্যয় ইতোমধ্যে বাড়ছে, আর নতুন পে-স্কেল যদি আংশিকভাবেও কার্যকর করা হয়, তাহলে ব্যয় আরও বেড়ে যাবে। সব মিলিয়ে অর্থনীতি এখন একটি সংকটময় অবস্থায় রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কঠিন হলেও সরকারকে প্রয়োজনীয় জায়গাগুলোতে উদ্যোগ নিতে হবে। অর্থমন্ত্রী বাস্তববাদী ও প্র্যাক্টিশনার হওয়ায় তিনি পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, রাজস্ব আদায় কম হতে পারে, কিন্তু সরকারের ব্যয় বাড়বে। কিছু উন্নয়ন প্রকল্প অবশ্যই সম্পন্ন করতে হবে। ফলে সব মিলিয়ে এসব বাস্তবতা মেনে নিয়েই বাজেট পরিকল্পনা করতে হবে। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতির চাপও থাকতে পারে।
তিনি আরও জানান, আগামী বাজেটে শেয়ারবাজার খাতের জন্য বিশেষ কিছু উদ্যোগ বা প্রণোদনার প্রত্যাশা রয়েছে। এ বিষয়ে বাজেটের পাশাপাশি আলাদা উদ্যোগ নেওয়ারও প্রয়োজন হতে পারে।
ব্যাংক খাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেসব ব্যাংক লুটের শিকার হয়েছে, সেগুলো এখন আর আগের অবস্থায় নেই। তবে এ পরিস্থিতির জন্য বর্তমান সরকার দায়ী নয়, বরং পূর্ববর্তী সরকারের সময় এসব অনিয়ম হয়েছে। লুট হওয়া অর্থ ফেরত আসা কঠিন, যার ফলে ব্যাংক খাত এখন সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একই অবস্থা বীমা ও লিজিং কোম্পানিতেও দেখা যাচ্ছে। এরই মধ্যে পাঁচটি লিজিং কোম্পানি বন্ধের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাজেটে অতিরিক্ত করের বোঝা আরোপ করা হবে না এবং করনীতি যেন ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব থাকে, সেদিকে সরকারকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
মোস্তাফিজুর রহমান: বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান শেয়ার বিজকে বলেন, রাজস্ব আহরণের দিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। তার মতে, রাজস্ব আদায়ে এই দিকটিতে গুরুত্ব না দিলে দেশ একটি বিপজ্জনক ঋণের ফাঁদে পড়ে যেতে পারে।
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) সম্পূর্ণভাবে ঋণনির্ভর হয়ে গেছেÑহোক তা অভ্যন্তরীণ বা বৈদেশিক ঋণ। এর মূল কারণ হলো রাজস্ব খাতে কোনো উদ্বৃত্ত না থাকা। যে রাজস্ব আদায় হচ্ছে, তার সম্পূর্ণটাই চলতি ব্যয়ে ব্যয় হয়ে যাচ্ছে, ফলে উন্নয়ন ব্যয়ের জন্য কোনো অর্থ উদ্বৃত্ত রাখা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, যদি রাজস্ব আয় ১০০ টাকা হয় এবং রাজস্ব ব্যয়ও ১০০ টাকা হয়, তাহলে কোনো উদ্বৃত্ত থাকে না। কিন্তু যদি রাজস্ব আয় ১২০ টাকা হতো এবং ব্যয় ১০০ টাকা থাকত, তাহলে ২০ টাকা উদ্বৃত্ত থাকত, যা পরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় করা যেত। সেক্ষেত্রে ৪০ টাকা উন্নয়ন ব্যয়ের মধ্যে ২০ টাকা নিজস্ব অর্থায়নে দেওয়া যেত এবং বাকি ২০ টাকা ঋণ হিসেবে নিতে হতো। এতে ঋণের ওপর নির্ভরতা কমত।
তিনি আরও বলেন, রাজস্ব আদায় না বাড়ালে ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়তেই থাকবে এবং দেশ একটি ঋণ ফাঁদে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকবে। তাই রাজস্ব আদায় বাড়াতে হলে কর ব্যবস্থার ভিত্তি সম্প্রসারণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে দুর্নীতি কমানো, প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার এবং করের আওতার বাইরে থাকা নতুন খাত, বিশেষ করে বিভিন্ন সেবা খাত কর কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
তিনি বলেন, যেখানে কর আসছে না বা যেসব জায়গায় কর ফাঁকি হচ্ছে, সেগুলোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে বরং করের আওতা বাড়ানোর দিকে নজর দিতে হবে। একই সঙ্গে নতুন ও উদ্ভাবনী কর ব্যবস্থার দিকেও ধীরে ধীরে অগ্রসর হওয়া প্রয়োজন, যেমন সম্পদ কর (ওয়েলথ ট্যাক্স) এবং উত্তরাধিকার কর (ইনহেরিটেন্স ট্যাক্স)।
ব্যয়ের দিকেও তিনি সাশ্রয়ী ও অগ্রাধিকারভিত্তিক পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন ধাপে ধাপে করতে হবে, একসঙ্গে সবকিছু করা সম্ভব নয়। ফলে ব্যয় বাড়লেও তা অবশ্যই সাশ্রয়ীভাবে, সময়মতো প্রকল্প শেষ করে এবং সুশাসনের মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে। বাজেট ব্যবস্থাপনা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাস্থ্য খাতে বর্তমানে জিডিপির মাত্র শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ ব্যয় হয়, যা পাঁচ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য থাকলেও বাস্তবে তা বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ বর্তমান শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ ব্যয়ই সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না।
তার মতে, বিদ্যমান বাজেটই যথাযথভাবে খরচ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, ব্যয় দক্ষতা উন্নয়ন, প্রকল্পের সঠিক ফিজিবিলিটি স্টাডি করা, অতিমূল্যায়ন রোধ এবং প্রকিউরমেন্ট ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। বাস্তবায়ন দক্ষতা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার উৎকর্ষ নিশ্চিত না করলে বাজেট বাড়ালেও কাক্সিক্ষত ফল পাওয়া যাবে না।
ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী: বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী শেয়ার বিজকে বলেন, নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে অবশ্যই অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, ঋণখেলাপিদের বিষয়ে ইতোমধ্যে ব্যাংক রেজুলেশন-সংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশ (অর্ডিন্যান্স) জারি করা হয়েছে। পরে এটি আইন হিসেবে পাসের সময় সংশোধনীর (অ্যামেন্ডমেন্ট) মাধ্যমে কিছু নতুন বিষয় যুক্ত করা হয়েছে। এসব সংশোধনী যুক্ত করার উদ্দেশ্য হলো ভবিষ্যতে যেন নতুন করে খেলাপিরা আর ব্যাংকিং ব্যবস্থায় প্রবেশ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা।
ড. শাহ মো. আহসান হাবিব: বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবিব শেয়ার বিজকে বলেন, আর্থিক খাতে বর্তমান সময়ে ক্লায়েন্টরা বিভিন্ন ধরনের কমফোর্ট বা সুবিধা প্রত্যাশা করছেন, কারণ তারা নিজেরাই একটি সংকটকাল অতিক্রম করছেন। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মূল্যস্ফীতি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপের কারণে চারদিকে এর প্রভাব পড়ছে, যা সামগ্রিকভাবে একটি মন্দার পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এর সঙ্গে বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধ ও স্থানীয় মূল্যস্ফীতির চাপও যুক্ত হয়েছে। এসব কারণে অর্থনীতি একটি পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
২০২৪ সালেও অর্থনীতি বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। ট্রেডার, বিনিয়োগকারী এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো এখনো একটি কঠিন সময় পার করছে। এর সঙ্গে আর্থিক খাতের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। বিশেষ করে ঋণখেলাপির প্রবণতা ইতোমধ্যে দৃশ্যমান ছিল, যা সংকটের সময়ে আরও বেড়ে যায়। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে ব্যাংক খাতে, যা এখন স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।
এ অবস্থায় ব্যাংক খাতের বড় ক্লায়েন্টদের জন্য কিছুটা সুবিধা ও নমনীয়তা রাখা প্রয়োজন, যাতে তারা তাদের ব্যবসা সচল রাখতে পারে। কারণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো টিকে না থাকলে ব্যাংকের ঋণ আদায়ও সম্ভব হবে না। ফলে ব্যাংক ও ব্যবসা খাতের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি।
একই সঙ্গে বাজেট বা নীতিগত সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। প্রকৃত ও যোগ্য ব্যবসায়ীরাই যেন এসব সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করতে হবে। কোনোভাবেই যেন ইচ্ছাকৃত ঋণ খেলাপিরা এসব সুবিধার আওতায় না আসে। ফান্ড, ভর্তুকি বা অন্যান্য সহায়তা অবশ্যই নির্দিষ্ট ও যোগ্যতার ভিত্তিতে হতে হবে।
বিশিষ্ট ব্যাংকিং ও ফিন্যান্স বিশেষজ্ঞ আহসান হাবিব বলেন, ঋণখেলাপিদের তালিকা প্রকাশ শুরু হয়েছে, যা ইতিবাচক উদ্যোগ। তবে শুধু তালিকা প্রকাশ নয়, বরং ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের আলাদাভাবে চিহ্নিত করা আরও গুরুত্বপূর্ণ। যাদের সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তারা ঋণ পরিশোধ করছে না, তাদের কঠোরভাবে শনাক্ত করতে হবে এবং কোনো ধরনের নীতিগত সুবিধার আওতায় আনা যাবে না।
তিনি আরও বলেন, ধাপে ধাপে পুরো খেলাপি ঋণের তালিকা প্রকাশ করা উচিত, যাতে জনসাধারণ প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারে। একই সঙ্গে সরকারের উচিত ‘ইচ্ছাকৃত খেলাপি’দের একটি সুস্পষ্ট সংজ্ঞা নির্ধারণ করা। যারা অক্ষমতার কারণে ঋণ পরিশোধ করতে পারছেন না, তাদের সহায়তা দিয়ে পুনরায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে। কিন্তু যারা ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণ পরিশোধ করছেন না, তাদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং বাজেট বা নীতিগত কোনো সুবিধা থেকে তাদের সম্পূর্ণভাবে বাদ দিতে হবে।

Print Date & Time : 20 May 2026 Wednesday 1:52 pm
অর্থনীতিকে ঘিরে বাড়ছে চ্যালেঞ্জ ও সংস্কারের দাবি
অর্থ ও বাণিজ্য ♦ প্রকাশ: