বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬
২২ পৌষ ১৪৩২ | ১৮ রজব ১৪৪৭
  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শেয়ার বিজ
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
➔ ই-পেপার
No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
No Result
View All Result
শেয়ার বিজ
No Result
View All Result

একটি ছবি হাজার শব্দের পরিব্যাপ্তি

Share Biz News Share Biz News
বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫.৭:১৪ অপরাহ্ণ
বিভাগ - পত্রিকা, ফিচার ➔ প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
A A
একটি ছবি হাজার শব্দের পরিব্যাপ্তি
3
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Linkedin

মোবারক হোসেন : ছবির আলাদা কোনো ভাষা নেই। ছবির ভাষা আন্তর্জাতিক। প্রথম দর্শনে, এক পলকে, পৃথিবীর সব ভাষার মানুষ একটি ছবি সারবস্তু অনুধাবন করতে পারে। শুধু তাই নয়, একটি ছবি হাজার শব্দের পরিব্যাপ্তি। অর্থাৎ এক হাজার শব্দের একটি প্রতিবেদনে যা ব্যক্ত করা যায় না, একটি মানসম্পন্ন বিষয়কেন্দ্রিক ছবি তার চেয়ে ব্যাপক বিস্তৃতির ব্যক্ত-ক্ষমতা রাখে। আরেকটু বিশ্লেষণ করলে বলা যায়, এক হাজার শব্দের একটি প্রতিবেদন যতটা না পাঠককে আর্কষণ করতে পারে, তার চেয়ে বহুগুণ বেশি একটি অর্থবহ ছবি পাঠকের ভাবনার নদীতে ঢেউ ভাঙে। গণমাধ্যমজগতে এমনই একটি তত্ত্ব-চিন্তা বহু আগে থেকে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। প্রখর অনুভূতির প্রবীণ গণমাধ্যমবিদরা এ প্রয়োজনীয় তত্ত্বটি সংবাদপত্রে প্রতিষ্ঠা করে দেখিয়ে দিয়েছেন।

যে ছবি প্রথম দর্শনে দৃষ্টি কাড়ে, মানুষকে আবেগী করে, বিশ্লেষণী চেতনায় তাড়না জায়গা কিংবা ক্ষণিকের দৃষ্টিপাতে পাঠককে উদাস করে দেয়—বলা যায়, চিত্র-সাংবাদিকতা এরকম দৃষ্টিভঙ্গি থেকে যাত্রা শুরু করেছে। এখন সংবাদপত্রে অনেক বিভাগের মধ্যে ‘ফটো সেকশন’ একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা করে নিয়েছে। বর্তমানে সব দৈনিকে চিত্র-সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠিত বিভাগ হিসেবে নিজস্ব গ্রহণযোগ্যতা সুদৃঢ় করেছে। কিন্তু এর যথাযর্থ ব্যবহার কতটা হচ্ছে—সেটা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন আছে। ফটো সেকশন আছে কিন্তু সময়ের ব্যবধানে এর যথাযথ ব্যবহারের অবনমন হয়েছে—এমনটা ভাবলে চিন্তার আঁকাবাঁকা রেখাগুলো উঁকি-ঝুঁকি মেরে সামনে এসে পথ আগলে দাঁড়ায়। অসঙ্গতির জিজ্ঞাসা চিহ্নগুলো আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে—‘ওই ছবিটা তো এমন হওয়া উচিত ছিল।’

সংবাদপত্রে ছবি তোলার কার্যটির কৌতূহলী যাত্রাকে যারা শখের বসে সত্তায় ধারণ করেছেন, পরবর্তীকালে তাদের অনেকেই এটাকে পেশা হিসেবে নিয়েছেন—এ সত্য অস্বীকার করার নয়। দামি একটা বড় ক্যামেরা তাক করে ফ্লাসলাইটের চোখ ধাঁধানো আলো ছড়িয়ে মুহূর্তেই সমবেত জনতাকে হকচকিয়ে ছবি তোলা সহজ মনে হলেও আসলে এটা সহজ কোনো কাজ নয়, সহজ কোনো পেশাও নয়—এলাম তারপর ফটাফট কয়েকটা ছবি তুলে চলে গেলাম—এটাই চিত্র-সাংবাদিকতার শেষ কথা নয়। ছবি ধারণ করতে চিত্র-সাংবাদিকের থাকা চাই বিষয়-বিবেচনার গভীর অনুভূতি, যার অনুভবে সাড়া ফেলে ছবিটি ক্যামেরায় লেন্সে ধরা পড়বে—পাঠকের ভালো লাগার লক্ষ্য হিসেবে। এ কারণে বলতে হচ্ছে—এই ছবি তোলা পেশার আনুভূতিক ছবি ও দৃষ্টিভঙ্গিগত আত্ম-উপলব্ধি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কবি-লেখক যেমন স্বল্পশব্দে কথার ভাঁজে ভাঁজে জীবনজগতের ছবি সাজিয়ে তুলেন গল্প কিংবা কবিতার পরতে পরতে, তেমন দৃষ্টিভঙ্গির অংশীদার হওয়ার দরকার একজন চিত্র-সাংবাদিকের। ধারণ করা একটি ছবি প্রয়োজনীয়তার প্রশ্নে আপন স্থান করে নেবে সংবাদপত্রের পাতায়। পাঠককে প্রথম দৃষ্টিপাতে টেনে নিয়ে আসবে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে। পাঠক বারবার পরখ করবে ছবির মায়াময়ী বিষয়বস্তু। পাঠককে প্রকাশিত ছবি চমকিত করলে পাঠক অনুরূপ আরও ছবির প্রত্যাশায় ওই সংবাদপত্রের আগামীর সংখ্যাগুলোয় বারবার ঢুঁ মারবে, প্রত্যাশিত ছবি আকর্ষণে। এভাবে ভালো ছবির ভূমিকা সংবাদপত্রে অনন্য হয়ে যায়। কিন্তু বর্তমান সময়ে অনেক সংবাদপত্রে এ বিষয়টি উপেক্ষিত হতে শুরু করেছে। হতে পারে সংবাদপত্রে দায়িত্ব প্রাপ্তরা বিষয়টিতে নজর দেয়ারই সময় পাচ্ছেন না। কিংবা বহু-ব্যস্ততায় হারিয়ে যাচ্ছে এর গুরুত্ব। প্রসঙ্গের স্বার্থে এখানে একটি বিষয় বলা খুবই আবশ্যকীয়। আগে অনেক পত্রিকায় অনেক চিত্র-সাংবাদিক ছিলেন, যাদের লেখাপড়ার গণ্ডি একেবারে প্রাথমিক স্তরের শ্রেণিভুক্ত। শোনা যায়, তারা কি-না ছবির ক্যাপশন পর্যন্ত লিখতে পারতেন না। তোলা ছবি দেখিয়ে ফটো-এডিটরকে মুখে বর্ণনা দিয়ে ছবির বিষয়বস্তু বোঝাতে হতো। তাদের একসময় সংবাদপত্র জগতে ‘ফটোগ্রাফার’ হিসেবে ডাকা হতো। কিন্তু সেদিন আর নেই। এখন ফটো-জানালিস্ট হিসেবে এই পেশাটি  স্বীকৃত পরিচিতি অর্জন করেছে।

বর্তমান সময়ে অনেক শিক্ষিত যুবক দক্ষ হাতে ক্যামেরা ধরেছেন। আর ক্যামেরার সূক্ষ্ম লেন্সে তুলে আনছেন ভাবনা জাগানো গুরুত্বপূর্ণ ছবি। যাদের কল্যাণে সংবাদপত্রের পাতায় আমরা দেখি ভাব-সাগরে অবগাহন করার মতো হূদয়স্পর্শী ছবি। শুধু তাই-ই নয়, ছন্দের বাজিখেলায় সাজিয়ে কবিতা লেখা কিংবা শব্দের রঙিন হোলিখেলা কোনো কোনো ফিচারলেখকও ভালো ছবি ধারণ করায় অগ্রসর হয়ে এসেছেন। কলমের পাশাপাশি ক্যামেরাও হাতে তুলে নিয়েছেন। অর্থাৎ এমনও দেখা গেছে যিনি ছবি তুলেছেন, তিনিই ফিচার লিখেছেন—এমন মেধাবী চিত্র-সাংবাদিক বিরল হলেও একেবারে দুষ্প্রাপ্য নয়।

মানসম্পন্ন ছবি ধারণ করা শুধু একটা ভালো পেশাদারিই নয়, বলা যেতে পারে নেশাও। যেমন কবিতা লেখা কবির এক ধরনের নেশা, তেমনই ভালো বিষয়ের ছবি তোলাও ফটো-সাংবাদিকের নেশা। আর যারা পেশা ও নেশাকে একসঙ্গে সমন্বিত করেছেন, জীবিকার পথ হিসেবে নিয়েছেন, তাদের অভিজ্ঞা লব্ধ সতর্ক দৃষ্টি আরও সমৃদ্ধ করতে পারে ফটো-সাংবাদিকতাকে।

পাঠকপ্রিয় পত্রিকায় ফটো-সাংবাদিকতা একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এ বিভাগকে অবহেলা করে কোনো দৈনিক প্রশ্নহীনভাবে পরিপূর্ণতা পায় না। চিন্তা জাগানিয়া ভালো ছবির সন্নিবেশ একটি পত্রিকাকে নিয়ে যেতে পারে বহুদূর। এজন্য ভালো ফটো-জার্নালিস্টের পাশাপাশি থাকা চাই বিজ্ঞ ফটো-এডিটর। তা না হলে সুষ্ঠু সিদ্ধান্তের অভাবে একটি ভালো ছবি অপ্রকাশিত থেকে যেতে পারে? আবার তার বিপরীতে একটি মানহীন ছবিও ছাপা হয়ে যেতে পারে; যা পত্রিকার মানকে টেনে নিচে নামায়। এ কারণে ধারণকৃত ছবি নির্বাচন পর্বে ভাববার অনেক বিষয় সামনে এসে দাঁড়ায়। একটি ভালো ছবি কিন্তু পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারে, ছড়াতে পারে অদৃশ্য আবেদন, শানিত করতে পারে পাঠকের দৃষ্টির সীমানা। এসব ভেবে তবেই ছবি নির্বাচন।

আরেকটি বিষয় উল্লেখ না করলেই নয়, কোনো মহলকে খুশি করতে কিছু ছবি ছাপা হয় পত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে; হতে পারে সেটা ব্যবসায়িক, রাজনৈতিক কিংবা মালিকানার গুরুতে—যেটা সংবাদপত্রের প্রথম পাতা ও দ্বিতীয় পাতায় কখনও কখনও ছাপা হয়, যেটাকে পাঠক ভ্রূকুঁচকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে অবলোকন করে। এতে একটি মহল খুশি হলেও পাঠকের বৃহত্তর অংশ মন্দের বুলি আউড়িয়ে বিদ্রূপাত্মক তির্যক দৃষ্টি মেলে ব্যঙ্গ করে। এতে পত্রিকার পক্ষপাতিত্বমূলক অবস্থান স্পষ্ট হয়ে যায়।

ব্যবসায়ী মহলের কিছু ছবি ছাপা হয় পত্রিকায়। ব্যবসা-বাণিজ্য পাতায় এ ছবি ছাপানো দূষণীয় নয় বরং আবশ্যকীয়। তবে এ ছবি যদি স্বার্থসংশ্লিষ্ট হয়ে পত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশে দৃশ্যমান জায়গায় স্থান করে নেয় তাহলে তো পাঠক ভ্রূ কুঁচকাবেই।

অনেক সংবাদপত্র মালিককে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান বিধায় ছবি কাভারেজ দিতে দেখা যায়। আবার মানের প্রশ্নে আপসহীন এবং পাঠকের কাছে দায়বদ্ধতার সম্পর্কে অনেক পত্রিকা কখনোই এমনটা করে না। একটি জাতীয় দৈনিকে একজন উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তার ড্রাইভারের স্বাভাবিক মৃত্যুবার্ষিকীতে সচিত্র সংবাদ ছাপা হয়েছে। বোঝাই যাচ্ছে কোনো কারণে ওই কর্মকর্তাকে খোশমেজাজী করার সুপ্ত অভিপ্রায়ে এটা করা হয়েছে। ভাবতে হবে, সংবাদপত্রে ছবি প্রকাশের গুরুত্বের বিষয়কে এটা কতটা নিচে নামায়। তাই সংবাদপত্রে ছবি ছাপার বিষয়ে ছবি-সম্পাদকের প্রভাব ও পক্ষপাতহীনভাবে কাজ করার প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা থাকা দরকার। সতর্কতা অবলম্বনে একদিকে গুরুত্বপূর্ণ ছবি বাদ না পড়ে, অন্যদিকে অগুরুত্বপূর্ণ ছবি যেন না ছাপা হয়।

আরেকটি বিষয়, বোধের সংকটে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছবি সংবাদপত্রে ছাপানোই হয় না, পক্ষান্তরে অনেক গুরুত্বহীন ছবি ছাপা হয়ে যায়। এ বিষয়টিও সংবাদপত্রের মান কঠিনভাবে ক্ষুণ্ন করে। আর পাঠকের বিরক্তির সূচকে শেষমেশ এর দায় গিয়ে পড়ে পত্রিকার প্রচারসংখ্যার ওপর।

সংবাদপত্রজগতে ‘রাইট ম্যান রাইট প্রেস’ বলে একটা কথা আছে। এর পেছনের মর্মার্থ হচ্ছে—সঠিক জায়গায় সঠিক মানুষ দিয়ে কার্যসম্পাদন করানো। কারণ সঠিক পদে উপযুক্ত কর্মী যদি কর্ম-সম্পদনা না করে তাহলে পত্রিকার মান অনিবার্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে বাধ্য এবং সে পত্রিকা পাঠকপ্রিয়তা ও ব্যবসা-সফলতা পেতে বাধাগ্রস্ত হবে।

সংবাদপত্র এমনই একটি শিল্প যেটা গণমাধ্যমে জগতে সিনেমা, টেলিভিশন ও রেডিওর পরিচালনা ব্যবস্থা থেকে আরও সূক্ষ্ম স্তরে অবস্থান করে। পত্রিকায় অনেক জাঁদরেল কর্মী নিয়োজিত থাকার পরও দেখা যায় পত্রিকা ব্যবসা-সফল ও পাঠকপ্রিয় হয়নি। অথচ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, পত্রিকার সম্পাদনা মান যথেষ্ট উন্নত। শুধু কৌশলগত কিছু কারণে পত্রিকার পরিচালনা ব্যবস্থায় বিপর্যয়ের কালো ছায়া নেমে আসে। এজন্য দায়বদ্ধতা প্লানিং বিভাগ বা পরিকল্পনা বিভাগের কাঁধে চাপে; যারা কি-না যথাযথ দায়িত্ব পালনে সফল হয়নি। এমনও দেখা যায়, নতুন টেলিভিশনের চ্যানেল প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হলে যতটা সহজে একটা মিডিয়া-ব্যবসা দাঁড়িয়ে যায়, কিন্তু নতুন পত্রিকা প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট হলেই বহু অর্থ ব্যয়ে ততটা সহজে দাঁড়াতে সমর্থ হয় না। তার একটি মাত্র কারণ বাস্তবমুখী সুপরিকল্পনার ঘাটতি।

তাই বলা যায়, পরামর্শ পেলে একজন সাধারণ ফটো-সাংবাদিকও ভালো ছবি তুলে এনে দিতে পারেন। দৃষ্টিভঙ্গিগত প্রয়োজনীয় পরামর্শের অংশীদারি পেলে বেশির ভাগ সাধারণ মাপের ফটো-কর্মীরাও হয়ে উঠতে পারেন সমৃদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গির ফটো-জার্নালিস্ট।

সংবাদপত্রকে সমৃদ্ধ ছবির অধিকারী করতে হলে একদিকে যেমন দরকার মানসম্পন্ন ছবি, অন্যদিকে তেমন দরকার সম্পাদনায় সঠিক সিদ্ধান্ত। তাহলেই কেবল সংবাদপত্রের ফটো বিভাগ পেতে পারে সমৃদ্ধির সোপান।

 

সাংবাদিক

 

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

নৈতিক আস্থা ব্যবসা-বাণিজ্যের অক্সিজেন

Next Post

হলুদ সাংবাদিকতার স্বরূপ

Related Posts

জুলাই যোদ্ধা ওসমান হাদি মারা গেছেন
জাতীয়

সাবেক কাউন্সিলর বাপ্পিসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

স্কয়ার ফার্মার ২০ লাখ শেয়ার কিনবেন তপন চৌধুরী
অর্থ ও বাণিজ্য

স্কয়ার ফার্মার ২০ লাখ শেয়ার কিনবেন তপন চৌধুরী

অর্থ ও বাণিজ্য

লভ্যাংশ না দেওয়া কোম্পানির জন্য হচ্ছে  ‘আর’ ক্যাটাগরি

Next Post
হলুদ সাংবাদিকতার স্বরূপ

হলুদ সাংবাদিকতার স্বরূপ

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

জুলাই যোদ্ধা ওসমান হাদি মারা গেছেন

সাবেক কাউন্সিলর বাপ্পিসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

স্কয়ার ফার্মার ২০ লাখ শেয়ার কিনবেন তপন চৌধুরী

স্কয়ার ফার্মার ২০ লাখ শেয়ার কিনবেন তপন চৌধুরী

লভ্যাংশ না দেওয়া কোম্পানির জন্য হচ্ছে  ‘আর’ ক্যাটাগরি

পুঁজিবাজারে নতুন বছরে প্রথম পতন, কমলো লেনদেনও

ডিএসইতে সূচকের পতন, কমেছে লেনদেন

জকসু নির্বাচনের ভোটার উপস্থিতি ৬৬ শতাংশ




 

আর্কাইভ অনুসন্ধান

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩
৪৫৬৭৮৯১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

প্রকাশক ও সম্পাদক ✍ মীর মনিরুজ্জামান

তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৪৮

একটি শেয়ার বিজ প্রাইভেট লি. প্রতিষ্ঠান

(প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রয়োজন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে)

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

বিএসইসি ভবন (১০ তলা) ॥ ১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ॥ ☎ 01720123162, 01768438776

  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET