নিজস্ব প্রতিবেদক : স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক দাবি করছে, ব্যাংকটির গুলশান-১ শাখার এক কর্মকর্তা ভুল করে ওই শাখায় থাকা ব্যাংকটির পরিচালক এস এ এম হোসাইন ও তার মেয়ে সোহানা এবং সাবিয়া হোসাইনের ১৪টি মেয়াদি আমানত (এমটিডিআর) মেয়াদপূর্তির আগে ভাঙ্গিয়ে ফেলেন।
এ কারণে ওই পরিচালক ও তার মেয়ে প্রায় ৯ লাখ ১৬ হাজার টাকা কম মুনাফা পান। তাদের এই ক্ষতি পুষিয়ে দিতে গুলশান-১ শাখা থেকে প্রধান কার্যালয়ের কাছে আলোচ্য আমানতের বিপরীতে মেয়াদপূর্তির মতোই ১২.৫০ শতাংশ মুনাফা দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয় গতবছরের ২৭ নভেম্বর।
ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ব্র্যাঞ্চ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অপারেশন্স ডিভিশন (বিএমওডি) থেকে কর্মকর্তার ভুলের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পরিচালক ও তার দুই মেয়েকে পুরো মুনাফার টাকা দেওয়ার বিষয়ে অনুমোদন দিয়ে গত ৩০ নভেম্বর একটি অফিস নোট ইস্যু করা হয়।
তবে বিএমওডির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গতকাল বৃহস্পতিবার শেয়ার বিজকে জানান, পরিচালক এস এ এম হোসাইন ও তার মেয়ে সোহানা এবং সাবিয়া হোসাইন বাড়তি মুনাফা নিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ২ ডিসেম্বর গুলশান-১ শাখাকে একটি মেইলের মাধ্যমে অনুমোদন বাতিল করার বিষয়টি অবগত করা হয়।
এদিকে, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে গত বুধবার প্রকাশিত ‘স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের সাধারণ আমানতকারীদের সঙ্গে বৈষম্য: মেয়াদের আগে আমানত ভাঙিয়ে ১২.৫% মুনাফা নিলেন পরিচালক’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানায়।
প্রতিবাদে বলা হয়, প্রকাশিত প্রতিবেদনে অতিরিক্ত মুনাফা গ্রহণের যে কথা বলা হয়েছে তা সত্য নয়। প্রকৃতপক্ষে ব্যাংকের পরিচালক এস এ এম হোসাইন ও তার পরিবারের কোনো সদস্য এ রকম কোনো সুবিধা গ্রহণ করেনি।
