বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬
২৩ পৌষ ১৪৩২ | ১৮ রজব ১৪৪৭
  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শেয়ার বিজ
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
➔ ই-পেপার
No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
No Result
View All Result
শেয়ার বিজ
No Result
View All Result

খ্রিষ্টীয় নববর্ষ ও কিছু কথা

Share Biz News Share Biz News
বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি ২০২৬.১২:০১ পূর্বাহ্ণ
বিভাগ - পত্রিকা, সম্পাদকীয় ➔ প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
A A
4
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Linkedin

 মাহমুদুল হক আনসারী : বিশ্বব্যাপী নানা ভাষা, ধর্ম ও গোত্রের মানুষের বসবাস। তাদের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি আছে। তারা নিজ নিজ গোত্রীয় ধর্মগ্রন্থমতে ধর্মকর্ম পালন করে থাকে। বাঙালি বহু গোত্র ও বহু ধর্ম পালনের এক জাতি। এই জাতি নিজ সংস্কৃতি এবং ধর্মীয় গণ্ডির বাইরে গিয়ে ভিনদেশি দিবস ও সংস্কৃতি পালন করতে অভ্যস্ত। একটি জাতির সংস্কৃতি সেই জাতির নিজস্ব ইতিহাস, ঐতিহ্য, বিশ্বাস, আচার-অনুষ্ঠান ও ধ্যান-ধারণা প্রভৃতি সামগ্রিক পরিচয় স্পষ্টভাবে ধরে রাখে এবং বিশ্বদরবারে সেই জাতির আত্মপরিচয় ধারণ করে। মূলত সংস্কৃতি হচ্ছে একটি জাতির আয়না। সংস্কৃতির বহুবিধ উপাদানের মধ্যে নববর্ষ অন্যতম।

আমাদের দেশে বর্তমানে তিনটি সন প্রচলিত রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে হিজরি, বাংলা ও খ্রিষ্টীয় সন। যখন এখানে ইসলামের আবির্ভাব ঘটে তখন থেকেই হিজরি সনের প্রচলন শুরু হয়। এই হিজরি সন মুসলিম মননে পবিত্র সন হিসেবে গৃহীত। প্রিয় নবী (সা.) ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মক্কা মুকাররমা থেকে মদিনা মুনাওয়ারায় হিজরত করেন। ইসলামের ইতিহাসের সেই দিগন্ত উন্মোচনকারী ঘটনাকে অবিস্মরণীয় করে রেখেছে এই হিজরি সন। ৬৩৯ খ্রিষ্টাব্দে হজরত উমর (রা.)-এর খিলাফতকালে তারই উদ্যোগে হিজরতের ১৭ বছর পর এটি শুরু হয়। যতদূর জানা যায়, তার পরের বছর থেকে বাংলাদেশে সাংগঠনিকভাবে ইসলাম প্রচার শুরু হয়, আর তখন ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর (রা.)-এর খিলাফতের মধ্যভাগ। অবশ্য প্রায় ১০-১২ বছর আগ থেকেই বাংলাদেশে সমুদ্রপথে ইসলামের খবর এসে পৌঁছাতে থাকে। ইসলামের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশে হিজরি সনেরও আগমন ঘটে; কারণ এই সনের বিভিন্ন মাসে ইসলামি আচার-অনুষ্ঠান, ইবাদত-বন্দেগির নির্দিষ্ট দিন-রজনী, তারিখ ও নির্দিষ্ট মাস প্রভৃতি রয়েছে। এই হিজরি সনই বাংলাদেশে বর্তমানে প্রচলিত সবচেয়ে পুরোনো সন।

১২০১ খ্রিষ্টাব্দে সিপাহসালার ইখতিয়ারুদ্দীন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি বাংলাদেশে মুসলিম শাসনের বিজয় নিশান উড্ডীন করেন, আর তখন থেকেই রাষ্ট্রীয়ভাবে হিজরি সন বাংলাদেশে প্রচলিত হয়, যা ১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ জুন সংঘটিত পলাশীর যুদ্ধ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। সুলতানি আমল কি মোগল আমল, রাষ্ট্রীয় কাজকর্মে, আদান-প্রদান তথা সব ক্ষেত্রে হিজরি সনই প্রচলিত ছিল। অবশ্য মোগল সম্রাট আকবরের আমলে ঋতুর সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি সৌর সনের তাগিদে রাজস্ব বা ফসলি সনের প্রবর্তন করা হয়। এখানে উল্লেখ্য, হিজরি সন চান্দ্র সন হওয়ায় ঋতুর সঙ্গে এর সম্পর্ক থাকে না।

সম্রাট আকবরের নির্দেশে ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দে আমীর ফতেহউল্লাহ সিরাজী সম্রাট আকবরের মসনদে অধিষ্ঠিত হওয়ার বছর ৯৬৩ হিজরি মোতাবেক ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দের নির্দিষ্ট তারিখ থেকে হিসাব করে হিজরি সনকে সৌর গণনায় এনে যে সনটি উদ্ভাবন করেন, সেটাই আমাদের দেশে বাংলা সন নামে পরিচিত হয়। হিজরি সনের বছরের হিসাব ঠিক রেখেই এ মাসগুলো নেওয়া হয় শতাব্দী থেকে। বৈশাখ মাসকে স্থির করা হয় বছরের প্রথম মাস।

১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকেই সম্রাট আকবরের ফরমানবলে রাজত্বের রাজস্ব আদায়ের সন হিসেবে তা প্রচলনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। বাংলাদেশে হিজরি সনের সৌরকরণ পঞ্জিকাটি ব্যাপকভাবে গৃহীত ও সমাদৃত হয়, যা একান্তভাবে বাংলার মানুষের নিজস্ব সন হিসেবে স্থান করে নিতে সমর্থ হয়। আর এখানে খ্রিষ্টীয় সন এলো ১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দে পরাধীনতার শিকল পরিয়ে। একটা জিনিস লক্ষণীয়, বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবনে কিন্তু এখন পর্যন্ত খ্রিষ্টীয় সনের গ্রহণযোগ্যতা তেমন একটা নেই। আবার শহর জীবনে বাংলা সনের ব্যবহার নেই বললেই চলে। অবশ্য শহুরে জীবন কি গ্রামীণ জীবন, হিজরি সনের প্রচলন সমানভাবে বর্তমান। বিশ্ব মুসলিমের ঐক্য ও সংহতির অন্যতম অবলম্বন এই হিজরি সন। আর এই হিজরি সন থেকে উৎসারিত বাংলা সন আমাদের জাতীয় জীবনে নিজস্বতার বৈভব এনে দিয়েছে।

মুসলিম দুনিয়ার অনেক দেশেই হিজরি সনের চান্দ্র হিসাবের বৈশিষ্ট্যেই জাতীয় সন হিসেবে প্রচলিত রয়েছে। এমনকি এই সনের সৌর হিসাব এনে বাংলা সনের মতো সেখানেও হিজরি সন প্রচলিত রয়েছে। ইরানে নওরোজ পালিত হয় হিজরি সনের শামসী বা সৌরকরণের হিসাবে আনা তাদের নিজস্ব প্রথম মাসের ১ তারিখে। আমাদের দেশে হিজরি সনের সৌর হিসাবের প্রথম মাস যেমন বৈশাখ মাস, তেমনি ওখানে ফারবারদীন প্রথম মাস। এই মাসের ১ তারিখ ওদের হয় ২১ মার্চ, আর আমাদের ১ বৈশাখ হয় ১৪ এপ্রিল।

আমাদের দেশে বাংলা নববর্ষের যে আনন্দ বৈভব কি গ্রামে, কি নগরে-গঞ্জে উজ্জীবিত হয়ে ওঠে; খ্রিষ্টীয় নববর্ষ কিন্তু শহুরে জীবনের মুষ্টিমেয় বিশেষ মহল ছাড়া ব্যাপকভাবে কোথাও আলোড়ন সৃষ্টি করে না। তবুও খ্রিষ্টীয় নববর্ষ আসে। ৩১ ডিসেম্বর রাত ১২টার ঘণ্টা বাজার পরপরই ঘোষিত হয় এই তিন ঐতিহ্যজাত নববর্ষের সূচনা মুহূর্ত, ঘোষিত হয় খ্রিষ্টীয় নববর্ষের আগমন বার্তা। মধ্যরাতের সেই মুহূর্তটা আমাদের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে কোনোরূপ আনন্দ-আবেগ সৃষ্টি না করলেও খ্রিষ্টান জগৎ ওই মুহূর্তে ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ উচ্চারণের মধ্য দিয়ে এক হৈ-হুল্লোড় ও উল্লাস ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে। ঘটে যায় কতই না অঘটন, ঘটে যায় কতই না পৈশাচিক কর্মকাণ্ড; মদ্যপানের নামে বহু স্থানে জীবন নাশের মহড়াও চলে। খ্রিষ্টীয় নববর্ষ আসে রাতের গভীরে নিকষ অন্ধকারে প্রচণ্ড শীতের প্রবাহ মেখে।

খ্রিষ্টীয় ক্যালেন্ডার যেহেতু আমাদের কাজকর্মের তারিখ নির্ধারণে, হিসাব-নিকাশ সংরক্ষণে ও আন্তর্জাতিক আদান-প্রদানে ব্যবহূত হয়ে আসছে; তাই এতে যতই ঔপনিবেশিক গন্ধ থাকুক না কেন, যতই এতে প্রায় ২০০ বছরের গোলামির জোয়ালের চিহ্ন থাকুক না কেন, আমরা এর থেকে মুক্ত হতে পারছি না। এ কারণেই বোধ করি যে, আমরা স্বকীয় সত্তায় সজাগ হওয়ার চেতনার কথা বললেও বা নিজস্ব সংস্কৃতিকে সমুন্নত করার কথা বললেও তা যেন অবস্থার দৃষ্টিতে মনে হয় ‘বাত কা বাত’ তথা কথার কথা। খ্রিষ্টীয় নববর্ষ আমাদের স্কন্ধে সিন্দাবাদের সেই দৈত্যটির মতো, সেই চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মতো আষ্টেপৃষ্ঠে এমনভাবে চেপে বসে আছে যে, আমরা একে ছাড়তে পারছি না। খ্রিষ্টীয় নববর্ষ আমাদের নতুন দিনের হিসাব শুরু করায়, যদিও চিঠিপত্রে বাংলা তারিখ উল্লেখ করার নির্দেশ রয়েছে, কিন্তু সেটাও কি কার্যত হচ্ছে?

আমরা যাকে খ্রিষ্টীয় ক্যালেন্ডার বলি, আদতে এর নাম গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার। ১৫৮২ খ্রিষ্টাব্দে রোমের পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরি প্রাচীন জুলিয়ান ক্যালেন্ডারটির সংস্কার সাধন করেন। এই গ্রেগরির নামে এই ক্যালেন্ডার ‘গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার’ নামে পরিচিত হয়। এই ক্যালেন্ডার অনুযায়ী তারিখ লেখার শেষে যে এডি (A.D.) লেখা হয়, তা লাতিন অ্যানো ডোমিনির (Anno Domini) সংক্ষিপ্ত, রূপ। এই অ্যানো ডোমিনির অর্থ আমাদের প্রভুর বছরে (In the Year of Our Lord) অর্থাৎ খ্রিষ্টাব্দ। ডাইওনিসিয়াম একমিগুয়াস নামক এক খ্রিষ্টান পাদ্রি জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের ৫৩২ অব্দে যিশুখ্রিস্টের জন্মবছর থেকে হিসাব করে এই খ্রিষ্টাব্দ লিখনরীতি চালু করেন।

মানুষ আদিকাল থেকেই কোনো না কোনোভাবে দিন-ক্ষণ, মাস-বছরের হিসাব রাখতে প্রয়াসী হয়েছে চাঁদ দেখে, নক্ষত্র দেখে, সূর্য দেখে, রাত-দিনের আগমন-নির্গমন অবলোকন করে এবং ঋতু পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা পর্যবেক্ষণ করে। সাধারণত কোনো বিশেষ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিন গণনা, মাস গণনা ও বছর গণনার রীতি কালক্রমে চালু হয়েছে। তিথি, নক্ষত্র বিশ্লেষণ করার রীতিও আবিষ্কৃত হয়েছে, উদ্ভাবিত হয়েছে রাশিচক্র। চাঁদের হিসাব অনুযায়ী, যে বছর গণনার রীতি চালু হয়, তা চান্দ্র সন নামে পরিচিতি লাভ করে। এই চান্দ্র সনে বছর হয় মোটামুটি ৩৫৪ দিনে। আর সূর্যের হিসাবে যে বছর গণনার রীতি চালু হয়, তা সৌর সন নামে পরিচিত হয়। সৌর সনের বছর হয় মোটামুটি ৩৬৫ দিনে। আমাদের দেশে খ্রিষ্টীয় তথা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার এনেছে ব্রিটিশ বেনিয়া ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, যারা আমাদের স্বাধীনতাকে নস্যাৎ করে আমাদের ওপর গোলামির জোয়াল চাপিয়ে দিয়েছিল। সেই ব্রিটিশরা এই ক্যালেন্ডার তাদের দেশ গ্রেট ব্রিটেনে চালু করে ১৭৫১ খ্রিষ্টাব্দে।

বাঙালি জাতি নিজস্ব জাতিসত্তা ভুলে গিয়ে ভিন্নদেশি সংস্কৃতি-কালচার অনুসরণে আবেগি একটি জাতি। ফলে খ্রিষ্টীয় নববর্ষ আসলে এই দেশের কতিপয় সংগঠন, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান দিবসটি পালনের জন্য ব্যাপকভাবে প্রস্তুতি নিয়ে থাকে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার জনগণ উৎসুক হয়ে আন্তর্জাতিক এই খ্রিষ্টীয় নববর্ষ দিবসটি পালন করে। বাস্তবে ইংরেজি ভাষা ও খ্রিষ্টীয় ক্যালেন্ডার আমাদের জাতীয় জীবনে বিরাট একটি অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে। বাঙালি জাতির ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য থাকলেও একটি বড় অভ্যাস আমাদের, সেটি হলো ভিন্ন দেশের সংস্কৃতি অনুসরণ করা। ফলে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর থেকে ইংরেজি ভাষা ও সংস্কৃতি এই জাতির মধ্যে শক্তভাবে অবস্থান করে নিয়েছে। তাদের এই শক্তি আমাদের ওপর ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের উচিত ধর্ম, কর্ম ও সংস্কৃতিতে আমাদের নিজস্ব ইতিহাস-ঐতিহ্য ধারণ করা। নিজেদের সংস্কৃতিকে পদদলিত করে ভিনদেশি সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার বিপক্ষে জাতীয় অবস্থান তৈরি করা দরকার।

ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাঙালি জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি অনুশীলন বাস্তবায়ন সিলেবাসভুক্ত করতে হবে। জাতীয় সংস্কৃতি দিবস রাষ্ট্রীয় নির্দেশনার মাধ্যমে হওয়া উচিত। ব্যক্তি থেকে গোষ্ঠী বা রাষ্ট্র, ইচ্ছে করলেই যেকোনো দেশের সংস্কৃতি অনুশীলন ও বাস্তবায়নে আইনগতভাবে বিধি-বিধান থাকা চাই। জাতীয় দিবস ও জাতীয় সংস্কৃতি বাঙালি জাতির ইতিহাস-ঐতিহ্যে ব্যাপকভাবে প্রচার-প্রসারের মাধ্যমে নিজস্ব সংস্কৃতিকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। খ্রিষ্টীয় নববর্ষের নামে সব ধরনের অপসংস্কৃতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আমাদের জাতীয় ভাষা ও জাতীয় সংস্কৃতির ব্যাপকভাবে চর্চা ও অনুশীলন বৃদ্ধি করা হোক।

 

সংগঠক ও কলাম লেখক

 

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

এক ক্ষণজন্মা নক্ষত্রের চিরবিদায়

Next Post

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ২০২৬ সালে যুদ্ধ বাধতে পারে

Related Posts

জুলাই যোদ্ধা ওসমান হাদি মারা গেছেন
জাতীয়

সাবেক কাউন্সিলর বাপ্পিসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

স্কয়ার ফার্মার ২০ লাখ শেয়ার কিনবেন তপন চৌধুরী
অর্থ ও বাণিজ্য

স্কয়ার ফার্মার ২০ লাখ শেয়ার কিনবেন তপন চৌধুরী

অর্থ ও বাণিজ্য

লভ্যাংশ না দেওয়া কোম্পানির জন্য হচ্ছে  ‘আর’ ক্যাটাগরি

Next Post

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ২০২৬ সালে যুদ্ধ বাধতে পারে

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

জুলাই যোদ্ধা ওসমান হাদি মারা গেছেন

সাবেক কাউন্সিলর বাপ্পিসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

স্কয়ার ফার্মার ২০ লাখ শেয়ার কিনবেন তপন চৌধুরী

স্কয়ার ফার্মার ২০ লাখ শেয়ার কিনবেন তপন চৌধুরী

লভ্যাংশ না দেওয়া কোম্পানির জন্য হচ্ছে  ‘আর’ ক্যাটাগরি

পুঁজিবাজারে নতুন বছরে প্রথম পতন, কমলো লেনদেনও

ডিএসইতে সূচকের পতন, কমেছে লেনদেন

জকসু নির্বাচনের ভোটার উপস্থিতি ৬৬ শতাংশ




 

আর্কাইভ অনুসন্ধান

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩
৪৫৬৭৮৯১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

প্রকাশক ও সম্পাদক ✍ মীর মনিরুজ্জামান

তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৪৮

একটি শেয়ার বিজ প্রাইভেট লি. প্রতিষ্ঠান

(প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রয়োজন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে)

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

বিএসইসি ভবন (১০ তলা) ॥ ১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ॥ ☎ 01720123162, 01768438776

  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET