বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
১৪ মাঘ ১৪৩২ | ১০ শাবান ১৪৪৭
  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শেয়ার বিজ
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
➔ ই-পেপার
No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
No Result
View All Result
শেয়ার বিজ
No Result
View All Result

গণতন্ত্রের নতুন চ্যালেঞ্জ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

Share Biz News Share Biz News
বুধবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬.১২:০১ পূর্বাহ্ণ
বিভাগ - পত্রিকা, সম্পাদকীয় ➔ প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
A A
2
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Linkedin

মো. নূর হামজা পিয়াস : আধুনিক বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) যেমন মানুষের কাজকে সহজ করেছে, তেমনি এটি গণতন্ত্রের জন্য নতুন এক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে নির্বাচনের সময় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা ডিপফেক ভিডিও এখন বড় উদ্বেগের কারণ। ডিপফেক হলো এমন এক প্রযুক্তি, যা ব্যবহার করে একজনের চেহারার ওপর অন্য কারও চেহারা বসিয়ে দেওয়া যায় এবং নিখুঁতভাবে কণ্ঠস্বর নকল করা যায়। ফলে ভোটারদের বিভ্রান্ত করতে এটি একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে উঠেছে, যা নির্বাচনের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।

ডিপফেক মূলত ‘ডিপ লার্নিং’ নামক এআই অ্যালগরিদমের মাধ্যমে তৈরি করা হয়। এটি কোনো ব্যক্তির হাজার হাজার ছবি এবং অডিও ক্লিপ বিশ্লেষণ করে তার অঙ্গভঙ্গি ও কথা বলার ধরন হুবহু নকল করতে পারে। আগে এ ধরনের কাজ কেবল বড় বড় স্টুডিওতে করা সম্ভব হতো, কিন্তু এখন সাধারণ কম্পিউটারেও এটি করা যাচ্ছে। এর ফলে খুব অল্প সময়ে এবং স্বল্প খরচে গুজব ছড়ানো সহজ হয়েছে। নির্বাচনের আগে প্রার্থীরা কী বলেছেন বা করেননি, তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরিতে এটি এখন ভয়াবহ।

নির্বাচন চলাকালে ভোটারদের মনস্তত্ত্ব পরিবর্তনের জন্য ডিপফেক ভিডিও ব্যবহার করা হয়। কোনো জনপ্রিয় নেতার মুখে এমন কথা বসিয়ে দেওয়া হয়, যা তিনি কখনোই বলেননি। সামপ্রদায়িক উসকানি কিংবা দুর্নীতির স্বীকারোক্তির মতো ভুয়া ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে জনমত পাল্টে দেওয়া সম্ভব। ভোটাররা যখন তাদের প্রিয় নেতার ভিডিও দেখেন, তখন তারা সেটির সত্যতা যাচাই না করেই বিশ্বাস করে ফেলেন। এই ধরনের ডিজিটাল প্রতারণা কেবল প্রার্থীর ক্ষতি করে না, বরং পুরো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর জনগণের আস্থা কমিয়ে দেয়।

বিগত কয়েক বছরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নির্বাচনে ডিপফেক প্রযুক্তির নেতিবাচক প্রভাব লক্ষ করা গেছে। উন্নত দেশ থেকে শুরু করে উন্নয়নশীল দেশ—সবখানেই রাজনৈতিক দলগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে এই ডিজিটাল অস্ত্র ব্যবহার করছে। প্রচারণার শেষ মুহূর্তে যখন কোনো নেতিবাচক ডিপফেক ভিডিও প্রকাশ করা হয়, তখন সেটি খণ্ডন করার পর্যাপ্ত সময় থাকে না। ফলে সেই ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই অনেক ভোটার তাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। এটি সুস্থ রাজনীতির জন্য এক অশনিসংকেত হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

ডিপফেক ভিডিওগুলো এতটাই নিখুঁত যে সাধারণ মানুষের পক্ষে আসল এবং নকল চেনা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। চোখের পলক ফেলার ধরন বা কণ্ঠের কম্পন বিশ্লেষণ করে আগে নকল ভিডিও চেনা যেত, কিন্তু আধুনিক এআই এখন সেই ত্রুটিগুলোও কাটিয়ে উঠেছে। সত্য ও মিথ্যার এই লড়াইয়ে মিথ্যার গতি অনেক বেশি। একটি ভুয়া ভিডিও মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়, কিন্তু সেটির সত্যতা প্রকাশের সংবাদটি সাধারণ মানুষের কাছে ততটা পৌঁছায় না, যা বড় ধরনের বৈষম্য তৈরি করে।

নির্বাচনের সময় অনেক দেশে সামপ্রদায়িক বা গোষ্ঠীগত উত্তেজনা থাকে। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে কোনো নেতার ভুয়া উসকানিমূলক ভিডিও আগুনের মতো কাজ করতে পারে। ডিপফেক ব্যবহার করে এমন কোনো বক্তব্য তৈরি করা হতে পারে, যা দাঙ্গা বাধাতে যথেষ্ট। এর ফলে কেবল নির্বাচনের পরিবেশই নষ্ট হয় না, বরং রাষ্ট্রীয় শান্তি ও শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ার ঝুঁকি থাকে। একটি দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে স্বার্থান্বেষী মহল এই প্রযুক্তিকে এখন সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক।

ফেসবুক, টুইটার বা ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো ডিপফেক ভিডিও ছড়ানোর প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহূত হচ্ছে। যদিও এই টেক জায়ান্টরা দাবি করে যে তারা ভুয়া ভিডিও শনাক্ত করতে এআই ব্যবহার করছে, কিন্তু বাস্তবে তা যথেষ্ট নয়। নির্বাচনের সময় কনটেন্ট মডারেশন বা তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়া আরও কঠোর হওয়া প্রয়োজন। ডিপফেক ভিডিওর নিচে ম্যানিপুলেটেড মিডিয়া ট্যাগ লাগানো বা তা দ্রুত সরিয়ে ফেলার ব্যবস্থা না করলে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো গণতন্ত্রের শত্রু হিসেবে কাজ করবে। এটি নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইনি বাধ্যবাধকতা প্রয়োজন।

ডিপফেক কেবল রাজনৈতিক আদর্শ নয়, বরং প্রার্থীর ব্যক্তিগত চরিত্র হনন করতেও ব্যবহূত হয়। কোনো প্রার্থীর ব্যক্তিগত জীবনের আপত্তিকর ভুয়া ভিডিও তৈরি করে তা ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হয়। এর ফলে একজন যোগ্য প্রার্থীকেও কেবল অপমানের ভয়ে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াতে হতে পারে। এই ধরনের কুরুচিপূর্ণ প্রচারণা নির্বাচনের গুণগত মান কমিয়ে দেয়। ব্যক্তিগত আক্রমণ যখন প্রযুক্তির সহায়তায় করা হয়, তখন ভুক্তভোগী নেতার পক্ষে সামাজিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানো অনেক কঠিন হয়ে পড়ে, যা সুস্থ রাজনীতির অন্তরায়।

ডিপফেক যেমন এআই দিয়ে তৈরি হয়, তেমনি এটি শনাক্ত করতেও উন্নত এআই প্রয়োজন। বর্তমানে বিশ্বের অনেক বড় প্রতিষ্ঠান ডিপফেক ডিটেক্টর বা শনাক্তকরণ সফটওয়্যার নিয়ে কাজ করছে। তবে অপরাধীরা সব সময় এক ধাপ এগিয়ে থাকে। নির্বাচনের সময় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি বিশেষ কারিগরি সেল গঠন করা রাষ্ট্রের জন্য জরুরি। প্রযুক্তিগত জ্ঞানসম্পন্ন জনবল তৈরি করা এবং সংবাদমাধ্যমগুলোকে উন্নত শনাক্তকরণ যন্ত্র ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হলে এই ডিজিটাল অপরাধ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

বিশ্বের অনেক দেশেই এখনো ডিপফেক নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আইন নেই। সাধারণ মানহানি বা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এ ধরনের অপরাধের বিচার করা কঠিন হতে পারে। নির্বাচনের জন্য বিশেষ সাইবার বিধিমালা প্রণয়ন করা এখন সময়ের দাবি। ডিপফেক তৈরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রাখা উচিত। দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা দিলে প্রযুক্তির অপব্যবহার কমবে। এছাড়া নির্বাচনের আচরণবিধিতে ডিপফেক প্রচারকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা নির্বাচন কমিশনের জন্য বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত।

আইন বা প্রযুক্তি দিয়ে সব বন্ধ করা সম্ভব নয়, যদি না ভোটাররা সচেতন হন। ইন্টারনেটে যা দেখা যায় তা-ই সত্যি নয়—এ শিক্ষাটি প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে। মিডিয়া লিটারেসি বা তথ্য বিশ্লেষণের ক্ষমতা বাড়ানো গেলে ডিপফেকের প্রভাব কমে যাবে। কোনো ভিডিও দেখে উত্তেজিত হওয়ার আগে সেটির উৎস যাচাই করার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। সরকার ও নাগরিক সমাজকে যৌথভাবে কাজ করে ভোটারদের সচেতন করতে হবে। সচেতন ভোটাররাই পারেন একটি স্বচ্ছ এবং গুজবমুক্ত নির্বাচন উপহার দিতে।

ডিপফেক মোকাবিলায় রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় অনেকেই ডিপফেক বা অপপ্রচারের আশ্রয় নেয়। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি নৈতিক সমঝোতা হওয়া উচিত যে, তারা কোনো ধরনের এআই-জেনারেটেড ভুয়া কনটেন্ট ব্যবহার করবে না। সুস্থ রাজনৈতিক চর্চা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকলে প্রযুক্তির অপব্যবহার অনেকটা কমে আসবে। প্রার্থীরা যদি সত্যের ওপর ভিত্তি করে প্রচারণা চালান, তবে জনগণও বিভ্রান্ত হবে না। দলগত অঙ্গীকারই পারে গণতন্ত্রকে ডিজিটাল বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে।

নির্বাচনের সময় সংবাদমাধ্যমকে তথ্যের ফিল্টার হিসেবে কাজ করতে হয়। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো ভিডিও ভাইরাল হলেই মূলধারার সংবাদমাধ্যম তা প্রচার শুরু করে দেয়, যা ভুল। প্রতিটি ভিডিওর ফরেনসিক রিপোর্ট বা সত্যতা নিশ্চিত না করে তা নিউজ হিসেবে প্রচার করা সাংবাদিকতার নৈতিকতাবিরোধী। সাংবাদিকদের ডিপফেক চেনার প্রশিক্ষণ দেওয়া উচিত। কোনো তথ্যের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ থাকলে তা প্রচার না করাই শ্রেয়। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা পারে ডিজিটাল মিথ্যার দেয়াল ভেঙে দিতে এবং সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে।

নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ কেবল ডিপফেকেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং নির্বাচনের কেন্দ্রীয় সার্ভার বা ভোটার তালিকা হ্যাক করার ঝুঁকিও থাকে। ডিপফেক ব্যবহার করে নির্বাচন কর্মকর্তাদের বিভ্রান্ত করা বা ফিশিং লিঙ্কের মাধ্যমে তথ্য চুরি করা হতে পারে। পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ডিজিটালাইজড করার পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা প্রয়োজন। হ্যাকাররা যেন প্রার্থীর কোনো গোপনীয় আলাপ বা ভিডিও চুরি করে তা বিকৃতভাবে প্রচার করতে না পারে, সেদিকে কঠোর নজর রাখতে হবে। জাতীয় সাইবার স্পেসের সুরক্ষা এখন সার্বভৌমত্বের অংশ।

বর্তমান যুগে নির্বাচন মানেই কেবল প্রচার-প্রচারণা নয়, বরং এটি একটি প্রোপাগান্ডা যুদ্ধ। ডিপফেক এই যুদ্ধে তুরুপের তাসের মতো কাজ করে। অনেক সময় বিদেশি চক্র নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করতে ডিপফেক ভিডিও ছড়িয়ে দেয়। এটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ। এই ধরনের প্রোপাগান্ডা রুখতে শক্তিশালী কাউন্টার-ন্যারেটিভ বা পাল্টা সঠিক তথ্য দ্রুত প্রচার করতে হবে। ডিজিটাল যুদ্ধে জয়ী হতে হলে তথ্য ব্যবস্থাপনায় গতিশীলতা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখা অপরিহার্য, যা একটি সফল নির্বাচনের মূল চাবিকাঠি।

একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) প্রযুক্তিগতভাবে শক্তিশালী হতে হবে। প্রতিটি রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের ডিজিটাল স্বাক্ষর বা ‘ওয়াটারমার্ক’ থাকা বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে। ইসি যদি একটি সেন্ট্রাল ফ্যাক্ট-চেকিং টিম গঠন করে, তবে ভোটাররা মুহূর্তেই তথ্যের সত্যতা জানতে পারবে। ডিপফেক ভিডিওর উৎস খুঁজে বের করে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইসিকে আধুনিক বিশ্বের আদলে গড়ে তুলতে হবে। শক্তিশালী কমিশনই পারে ডিপফেক চ্যালেঞ্জ জয় করে গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে।

প্রযুক্তির অগ্রযাত্রাকে রুদ্ধ করা যাবে না, তবে এর নেতিবাচক প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের হাতে। ডিপফেক একটি আধুনিক বিপদ, যার সমাধান লুকিয়ে আছে সচেতনতা এবং প্রযুক্তির সঠিক সমন্বয়ে। নির্বাচন যেন কেবল ডিজিটাল কারসাজির খেলায় পরিণত না হয়, সেদিকে আমাদের সজাগ থাকতে হবে। আইন, প্রযুক্তি এবং নৈতিকতা্তএই তিনের সমন্বয়েই সম্ভব একটি নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ। গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে হলে আমাদের ডিজিটাল সত্যের সন্ধানে ব্রতী হতে হবে।

শিক্ষার্থী, আইন বিভাগ

ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ

 

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

ভেনেজুয়েলার তেল খাতে বিনিয়োগ হতে পারে ১৪০ কোটি ডলার

Next Post

গণভোটে তারুণ্যের ভাবনা

Related Posts

পত্রিকা

বহুজাতিক কোম্পানির বৈশ্বিক নেতৃত্বে বাংলাদেশি এক্সিকিউটিভরা

পত্রিকা

শিল্পায়নের মাধ্যমে অর্থনীতির ভিত রচনার স্মরণীয় অগ্রনায়করা

পত্রিকা

ঘোড়ায় চড়া: বাংলাদেশে নতুন সম্ভাবনা ও কঠিন বাস্তবতা

Next Post

গণভোটে তারুণ্যের ভাবনা

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

বহুজাতিক কোম্পানির বৈশ্বিক নেতৃত্বে বাংলাদেশি এক্সিকিউটিভরা

শিল্পায়নের মাধ্যমে অর্থনীতির ভিত রচনার স্মরণীয় অগ্রনায়করা

ঘোড়ায় চড়া: বাংলাদেশে নতুন সম্ভাবনা ও কঠিন বাস্তবতা

স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড ভরি ২ লাখ ৬৯ হাজার

স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড ভরি ২ লাখ ৬৯ হাজার

কারাগারে বেবিচকের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী হাবিবুর




 

আর্কাইভ অনুসন্ধান

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩
৪৫৬৭৮৯১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

প্রকাশক ও সম্পাদক ✍ মীর মনিরুজ্জামান

তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৪৮

একটি শেয়ার বিজ প্রাইভেট লি. প্রতিষ্ঠান

(প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রয়োজন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে)

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

বিএসইসি ভবন (১০ তলা) ॥ ১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ॥ ☎ 01720123162, 01768438776

  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET