নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ আমাদের কাছে প্রথম।’
নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বার্থ, বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ আমাদের কাছে প্রথম। বাংলাদেশ এবং দেশের মানুষের স্বার্থ ঠিক রেখে আমরা আমাদের ফরেন পলিসি ডিসাইড করব।’
গতকাল শনিবার বিকালে রাজধানীর একটি হোটেলে বিএনপির নির্বাচন-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসব বলেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
এবার নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছিল উল্লেখ করে তাদের সবাইকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, দলগুলোর পথ ও মত ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু দেশের স্বার্থে সবার ঐক্য গুরুত্বপূর্ণ।
তারেক রহমান বলেন, ‘নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানাই, দেশ গঠনে আপনাদের চিন্তাভাবনাও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের পথ ও মত ভিন্ন থাকতে পারে, কিন্তু দেশের স্বার্থে আমরা সবাই এক। আমি বিশ্বাস করি, জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা।’
এসময় তিনি ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ’ নির্বাচনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান এবং যেকোনো মূল্যে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দলীয় নেতাকর্মীদের আহ্বান জানিয়েছেন।
নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা না গেলে সব চেষ্টা ব্যর্থ হবে। আইনের প্রয়োগ হবে ন্যায়ের ভিত্তিতে।
নির্বাচনের পরে ‘শত উসকানির মুখেও’ সারা দেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের শান্ত ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তারেক। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচনে উদারপন্থি গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে।’
‘ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সরকার যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে’ বলেও উল্লেখ করেন তারেক।
সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে বিএনপির স্থায়ীকমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বিএনপি অনুসরণ করে দ্য প্রিন্সিপাল অব মাল্টিলেটারিজম। উই ডোন্ট হ্যাভ অ্যানি কান্ট্রি সেন্ট্রিক পলিসি অ্যাজ সাচ। সো আওয়ার পলিসি অ্যাপ্লাইড টু অ্যানাদার কান্ট্রি অব দ্য ওয়ার্ল্ড দিস ইজ ফর মিউচুয়াল রেসপেক্ট, মিউচুয়াল ইন্টারেস্ট, নান অব ইন্টারফেয়ারেন্স অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক অটোনোমি ফর- বাংলাদেশে এটা হচ্ছে আমাদের পররাষ্ট্রনীতি।’
