মুক্তা বেগম, গাজীপুর : সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’। শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং নতুন প্রতিভা অন্বেষণের লক্ষ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এই কর্মসূচির আজ শনিবার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন স্থানের পাশাপাশি গাজীপুরের শহীদ বরকত স্টেডিয়ামে বড় পর্দায় সরাসরি সম্প্রচার করা হয় ও গাজীপুরেও উদ্বোধন করা হয়। যা সেখানে এক বর্ণাঢ্য ও উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে। গাজীপুর জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিকে ঘিরে সকাল থেকেই শহীদ বরকত স্টেডিয়াম পরিণত হয় ক্রীড়া ও জনসমাগমের কেন্দ্রবিন্দুতে। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, ক্রীড়া সংগঠক ও বিপুল সংখ্যক দর্শকের অংশগ্রহণে পুরো মাঠজুড়ে ছিল প্রাণচাঞ্চল্য। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গাজীপুরের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক আহাম্মদ হোসেন ভুঁইয়া। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন, ঢাকা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল, গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান, গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম. মঞ্জুরুল করিম রনি, গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস. এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু এবং গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন আইউবী, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার এবং গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ড. চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী।
বক্তারা বলেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং শিশু-কিশোরদের মেধা, মনন ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে সহায়ক হবে।
গাজীপুর মেট্রো সদর থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান এলিসের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট শহীদ উজ্জামান, বশির আহমেদ বাচ্চু, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম, আ ক ম মোফাজ্জল হোসেন, হান্নান মিয়া হান্নু, মনির হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান মুন্না, মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান, গাজীপুর মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব মাহমুদ হাসান রাজু, গাজীপুর সদর মেট্রো থানা যুবদলের আহ্বায়ক নাজমুল খন্দকার সুমন, যুবদল নেতা ফরহাজ বিন প্রবালসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সিলেট থেকে উদ্বোধন এবং গাজীপুরে সরাসরি সম্প্রচারের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আগ্রহ ও আলোচনা সৃষ্টি করে। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সমন্বিত ক্রীড়া উদ্যোগ ভবিষ্যতে দেশের ক্রীড়া সংস্কৃতিকে আরও সুসংগঠিত করবে এবং নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি আরও বেশি আগ্রহী করে তুলবে।
