নিজস্ব প্রতিবেদক: মহান বিজয় দিবসে সর্বাধিক ৫৪টি জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়ে গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম লিখিয়েছে বাংলাদেশ।
আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ‘টিম বাংলাদেশ’কে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস ম্যানেজমেন্ট টিম। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য জানিয়েছে।
গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইটের বর্ণনায় বলা হয়েছে, স্কাইডাইভিং (প্যারাসুট জাম্প) করার সময় একসঙ্গে সর্বাধিক ৫৪টি জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে টিম বাংলাদেশ। ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ঢাকায় এই রেকর্ডটি সফলভাবে অর্জিত হয়।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ‘টিম বাংলাদেশ’ এর স্কাইডাইভাররা এই ঐতিহাসিক অর্জনের মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য ও সহযোগিতার দৃষ্টান্ত স্থাপনের লক্ষ্যে একত্রিত হয়েছিল। বাংলাদেশের ৫৪তম বিজয় দিবসের দিনে তারা এই রেকর্ড গড়েন।
আনুষ্ঠানিকভাবে গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম ওঠায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।
তিনি বলেন, ‘আজ এদেশের সকলের জন্য একটি গর্বের দিন। আমরা এ আনন্দ দেশের সকল জনগণের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই।’
মহান বিজয় দিবসে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিংয়ে অংশ নেন- চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, মো. আরিফুর রহমান, ফরহাদ আহমেদ, মো. নজরুল ইসলাম, মো. কামরুল হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. আশিকুল ইসলাম, মো. সিরাজুল হক, মোহাম্মদ আলমগীর কবির, মো. রমজান আলী, মো. মনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম, মো. নান্নু মিয়া, মো. মাহমুদুল ইসলাম, মোহাম্মদ শিহাব শেখ, মো. শরীফ আহমেদ, বশির আহমেদ, মো. মাহমুদুল হাসান, রাকিবুল ইসলাম, মো. আবু সায়েম, মো. আবু হাসান চৌধুরী, ওমর ফারুক, মনিরুল ইসলাম, সৌরভ আকন্দ রাসেল, মো. মনিরুজ্জামান, এস. এম. রাজিবুল ইসলাম, মো. নুরুল হাসিব, মো. সাজ্জাদুল ইসলাম, আব্দুল আলিম, আরাফাত রহমান, মো. হুমায়ুন কবির, মো. রুবেল হক, মো. সলীম আলী, মো. মহসিন, মো. বিন ইবনুল ইসলাম, এস. এম. এলমা আজম, মঈনুল ইসলাম, মো. তানভীর হোসেন হিমেল, মো. সরোয়ার আলম খান, মিলন চন্দ্র বর্মণ, এস. কে. মো. নাসিম উদ্দিন, মো. সাকিম মাহমুদ, মো. তাইফুর রহমান, মুহাম্মদ রাসেল মাহমুদ, ইমরান আল জিহাদ, মো. মাহেদী হাসান, মো. আশিকুর রহমান, মো. শাহজাহান আলী, আলমগীর হোসেন, মো. জাকির মিয়া, রুবেল মিনিস, মো. নাসির উদ্দিন, মো. তৌফিকুর রহমান চাকলাদার।
প্রিন্ট করুন








Discussion about this post