নিজস্ব প্রতিবেদক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জোয়ারে ভাসছে পুরো দেশ। তবে দেশের প্রধান দুই পুঁজিবাজারের রয়েছে ভাটার টান। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস গতকাল রোববার দেশের উভয় পুঁজিবাজারে সূচকের উল্লেখযোগ্য পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে আগের দিনের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। একই সঙ্গে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম নিম্নমুখী ছিল।
বাজারসংশ্লিষ্টরা জানান, সম্প্রতিক সময়ে লেনদেনের শুরুতে সূচক সামান্য বাড়লেও শেষ পর্যন্ত তা পতনে রূপ নিচ্ছে। রোববারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। সকালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক নেতিবাচক ধারায় শুরু হয়ে দিনভর পতনমুখী অবস্থায় ছিল।
দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৮ দশমিক ৯৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৯৩৯ পয়েন্টে। শরিয়াহ সূচক ১১ দশমিক ৯১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৯৯৮ পয়েন্টে এবং ডিএস-৩০ সূচক কমেছে ১৮ দশমিক ৭৪ পয়েন্ট, যা নেমে এসেছে ১ হাজার ৮৯৬ পয়েন্টে।
ডিএসইতে এদিন ৩৯২টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়। এর মধ্যে মাত্র ৩৪টির দাম বেড়েছে, ৩১৩টির কমেছে এবং ৪১টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪১২ কোটি ২৮ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় কম।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচকের বড় পতন লক্ষ করা গেছে। সিএসসিএক্স সূচক ৭৩ দশমিক ৫২ পয়েন্ট কমে নেমে এসেছে ৮ হাজার ৫৭৯ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই কমেছে ১১৬ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট। পাশাপাশি শরিয়াহ ও সিএসই-৩০ সূচকও উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে।
সিএসইতে মোট ১৫৪টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৪১টির দাম বেড়েছে, ৯২টির কমেছে এবং ২১টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। দিনটিতে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে মাত্র চার কোটি তিন লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় অনেক কম।
প্রিন্ট করুন










Discussion about this post