নিজস্ব প্রতিবেদক : এখন থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের মাসিক মূল্য সংযোজন কর-মূসক বা ভ্যাটের যে বিবরণী বা রিটার্ন কাগজে দিয়ে আসছিল, সেসব কাগুজে রিটার্ন অনলাইনে দিতে পারবে। এতদিন এ কাজটি করতেন ভ্যাটের কর্মীরা এবং তারা ‘যথাসময়ে’ অনলাইনে সংযুক্ত করতে না পারলে এর মাশুল গুণতে হত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকেই। এখন পুরনো রিটার্ন নিজেরাই অনলাইনে সংযুক্ত করতে পারবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। আগের সব কাগুজে রিটার্ন একবার অনলাইনে এন্ট্রির পর পরবর্তীতে মাসিক রিটার্ন অনলাইনে দেওয়া সহজ হবে বলে এমন উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
গতকাল সোমবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ভ্যাটের সব পেপার রিটার্ন ‘ই-ভ্যাট সিস্টেম’ এ এন্ট্রির উদ্যোগ নেওয়ার তথ্য দিয়েছে সংস্থাটি।
এতে বলা হয়েছে, এ যাবতকালে ‘হার্ড কপি’ আকারে দাখিল করা সব মাসিক রিটার্ন অনলাইন সিস্টেমে এন্ট্রি করার জন্য ‘ই-ভ্যাট সিস্টেম’ এ ‘হার্ড কপি রিটার্ন এন্ট্রি’ নামে একটি নতুন সাব-মডিউল সংযোজন করা হয়েছে। এ সাব-মডিউলটির কর্মপদ্ধতি নিয়ে এনবিআর একটি পরিপত্রও জারি করেছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, পরিপত্রটি যথাযথভাবে অনুসরণ করে করদাতারা নিজেরাই তাদের আগের দাখিলকৃত রিটার্নের হার্ড কপি সিস্টেমে এন্ট্রি করতে পারবেন।
এনবিআর বলছে, ভ্যাট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ডেটা এন্ট্রি করা হলে, তাতে কোনো ভুল হলে এর দায়-দায়িত্ব নির্ধারণে জটিলতা তৈরি হয়। তাছাড়া, ভ্যাট অফিসে বিপুল পরিমাণ পেপার রিটার্ন সিস্টেমে এন্ট্রি দেওয়া যথেষ্ট সময়সাপেক্ষ কাজ।
বিদ্যমান পদ্ধতিতে দাখিল করা পেপার রিটার্ন ই-ভ্যাট সিস্টেমে ‘যথাসময়ে’ এন্ট্রি করা সম্ভব হয় না বিধায় করদাতাদের ওপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে সুদ ও জরিমানা আরোপিত হচ্ছে।
এ কারণে পরবর্তীতে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে চাইলেও জরিমানা পরিশোধ না করে অনলাইনে রিটার্ন দেওয়ার সুযোগ না থাকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক করদাতা অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করতে পারছেন না।
নতুন এ সুযোগের ফলে কোনো ধরনের সুদ ও জরিমানা ছাড়াই অনলাইনে রিটার্ন সংযুক্তির সুযোগ থাকছে বলেও এনবিআর জানিয়েছে।
আগে দাখিল করা সব রিটার্নের হার্ডকপি আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত জরিমানা বা সুদ ছাড়াই সিস্টেমে এন্ট্রি করতে পারবেন করদাতারা। আগের সব কাগুজে রিটার্ন এন্ট্রি হওয়ার পর তারা তাদের সব ভ্যাট রিটার্ন অনলাইনে দাখিল করতে পারবেন।
প্রিন্ট করুন










Discussion about this post