নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। একই সঙ্গে গতকাল রোববার থেকে আগামী কয়েকদিন সারাদেশে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। ফলে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, গতকাল রোববার সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে। ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার দেশের তিন স্থানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্থানগুলো হলো নওগাঁর বদলগাছী, পাবনা ও রাজশাহী। সেই তুলনায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রোববার বেড়েছে।
তবে রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা এদিন খানিকটা কমেছে। রোববার সকালে ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং এদিন সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার তা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা বলেন, রাজধানীতে শীতের প্রকোপ গতকালের চেয়ে খানিকটা বেড়েছে। এ ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। আজ দিনের তাপমাত্রা হয়তো এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। কিন্তু রাতের তাপমাত্রা আবার কমে যেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, রোববার থেকে আগামী দুই-এক দিন সারাদেশের তাপমাত্রা কমতে পারে। এটি অব্যাহত থেকে ৭ তারিখে এক ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়তে পারে। তবে আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে তাপমাত্রা দুই-তিন ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সাধারণত তাপমাত্রা নির্ভর করে কুয়াশার ওপর। এটি বেশি হলে তাপ কমে শীত অনুভূত হয়। আগামী কয়েকদিন সারাদেশে কুয়াশা বেশি পড়তে পারে। ফলে শীত বেশি অনুভূত হতে পারে।
চলতি মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, জানুয়ারিতে দেশের ওপর দিয়ে অন্তত পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
উল্লেখ্য, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি হলে মাঝারি, ৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি হলে তীব্র এবং ৪ ডিগ্রির নিচে নামলে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
প্রিন্ট করুন






Discussion about this post