নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) আইন মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আইনমন্ত্রীর বরাত দিয়ে বলা হয়, আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেবে। মামলার তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম যাতে বিলম্বিত না হয়, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, ঘটনার মাত্র সাত ঘণ্টার মধ্যেই মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে গত ১৯ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের সাত নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়ির তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যার পর শিশুটির মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। বিচ্ছিন্ন মাথাটি পাওয়া যায় শৌচাগারে এবং শরীরের বাকি অংশ উদ্ধার করা হয় খাটের নিচ থেকে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত সোহেল রানা প্রায় দুই মাস আগে স্ত্রীকে নিয়ে ওই বাসায় ভাড়া ওঠেন। ঘটনার পর তিনি শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। তবে ঘটনাস্থল থেকেই তার স্ত্রীকে আটক করে পুলিশ।
নিহত রামিসা আক্তার স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা একটি রিক্রুটিং এজেন্সিতে চাকরি করেন এবং মা পারভীন আক্তার গৃহিণী। দুই বোনের মধ্যে রামিসা ছিল ছোট। বড় বোন রাইসা আক্তার স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পরিবারটি প্রায় ১৭ বছর ধরে পল্লবীর মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের সাত নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়ির তৃতীয় তলার উত্তর পাশের ফ্ল্যাটে বসবাস করছে। পাশের ফ্ল্যাটের একটি কক্ষ থেকেই রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
