এম এইচ জামান : ফেব্রুয়ারির বিকেল। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বইয়ের গন্ধ আর মানুষের ভিড়। একুশে বইমেলা মানেই নতুন বই, নতুন চিন্তা এবং নতুন পাঠকের জন্ম। এই মেলায় সাধারণত কবি, কথাসাহিত্যিক বা গবেষকদের বই নিয়েই বেশি আলোচনা হয়। কিন্তু কখনো কখনো এমন কিছু লেখকের বইও পাঠকের সামনে আসে, যাদের মূল পরিচয় সাহিত্যিক নয়- বরং পেশাজীবী। তবু তাদের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও চিন্তার ভাণ্ডার থেকেই জন্মনেয় গুরুত্বপূর্ণ বই।
মো. শফিকুল আলম এলএলবি, এফসিএস, এফসিএমএ, এফসিএ সেই ধরনের লেখকদের একজন। তিনি একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট, চার্টার্ড সেক্রেটারি, কর্পোরেট গভর্নেন্স বিশেষজ্ঞ, বিশ্ববিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক, লেখক এবং আর্থিক বিশ্লেষক- সব মিলিয়ে এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব।
পেশাগতভাবে তিনি হিসাববিদ্যা, নিরীক্ষা ও কর্পোরেট গভর্নেন্সের জগতে সুপরিচিত। তবে পেশার সীমা অতিক্রম করে, জ্ঞানচর্চা ও লেখালেখির মাধ্যমে তিনি গড়েছেন আরেকটি পরিচয়। হিসাববিদ্যা, করনীতি, কোম্পানি আইন, পুঁজিবাজার থেকে শুরু করে ধর্মীয়ও সাহিত্যভিত্তিক বিষয়েও তিনি লিখেছেন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বই। পেশাগত জীবনে যেমন তিনি সফল, তেমনি জ্ঞানচর্চা ও লেখালেখিতেও তার রয়েছে উল্লেখযোগ্য অবদান। বিশেষ করে হিসাববিদ্যা, করব্যবস্থা, কোম্পানি আইন, পুঁজিবাজার এবং সামাজিক ও সাহিত্যভিত্তিক বিষয়েও তার লেখা বই পাঠকসমাজের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
চলমান একুশে বইমেলা-২০২৬ এর প্রেক্ষাপটে তার লেখালেখি ও পেশাগত অর্জন নতুন করে আলোচিত হচ্ছে। এই লেখালেখির মাধ্যমে তিনি আজ শুধু একজন পেশাজীবী নন; বরং জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকের কাছে পরিচিত এবং প্রিয় এক নাম।
একাধিক পরিচয়ের সম্মিলন: মো. শফিকুল আলম বর্তমানে শফিকুল আলম অ্যান্ডকোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা অংশীদার (ম্যানেজিং পার্টনার) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)। প্রতিষ্ঠানটি নিরীক্ষা, নিশ্চয়তাদান (অ্যাশিওরেন্স), কর পরামর্শ এবং ব্যবসায়িক পরামর্শসেবা প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশের পেশাজীবী জগতে একসঙ্গে তিনটি গুরুত্বপূর্ণপেশাগত ফেলোশিপ অর্জন করা খুবই বিরল। তিনি সেই বিরল অর্জনের অধিকারী। তিনি- ফেলো চার্টার্ডঅ্যাকাউন্ট্যান্ট (এফসিএ)- ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি), ফেলো কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট (এফসিএমএ) – ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি), ফেলো চার্টার্ড সেক্রেটারি (এফসিএস)- ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি)। এই তিনটি পেশাগত প্রতিষ্ঠানের ফেলো হওয়া তার বহুমাত্রিক পেশাগত দক্ষতারই একটি গুরুত্বপূর্ণস্বীকৃতি। কর্পোরেট গভর্নেন্স, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবসায়িক প্রশাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণক্ষেত্রে তার অভিজ্ঞতা তাকে দেশের পেশাজীবী সমাজে একটি সুপরিচিত নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
এছাড়া একাডেমিক ক্ষেত্রেও তিনি সক্রিয়: ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডজাঙ্কট ফ্যাকাল্টি (ফুল প্রফেসর গ্রেড) হিসেবে তিনি এমবিএ প্রোগ্রামে হিসাববিজ্ঞান পড়ান এবং বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটিতে (বিএমইউ) অ্যাডজাঙ্কটফ্যাকাল্টি হিসেবে ফিস্কাল ল’প্রোগ্রামে শিক্ষাদান করেন। একইসঙ্গে তিনি সরকারি ও বে-সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যেমন, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট (বিআইসিএম), বাংলাদেশ একাডেমি ফর সিকিউরিটিজ মার্কেট (বিএএসএম), বাংলাদেশ পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট (বিপিএমআই)-সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত নানা ধরনের প্রশিক্ষণ ক্লাস নেন।
শিক্ষা: বহুমুখী জ্ঞানচর্চার ভিত্তি: পেশাগত সাফল্যের পেছনে যেমন তার রয়েছে শক্তিশালী পেশাগত ডিগ্রি একইসঙ্গে একাডেমিক ভিত্তি। পেশাগত ডিগ্রি সিএ, সিএমএ, সিএস করার পূর্বে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়থেকে আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়থেকে হিসাববিজ্ঞানে মাস্টার্স এবং এলএলবি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।
ব্যবসা, হিসাববিজ্ঞান ও আইন- এই তিনটি বিষয় একত্রে তাকে কর্পোরেট ও আর্থিক জগতের জটিল বাস্তবতা বোঝার একটি শক্তিশালী ভিত্তি দিয়েছে। ফলে কর্পোরেট গভর্নেন্স বা পুঁজিবাজারের মতো বিষয় নিয়ে তার বিশ্লেষণগুলোও হয়ে ওঠে তথ্যভিত্তিক ও বাস্তবমুখী।
এছাড়া তিনি বিভিন্ন পেশাগত প্রশিক্ষণ ও সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে-ইআরপি ইমপ্লিমেন্টেশন অ্যান্ড এসএপি এক্সপার্টাইজ, ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড কর্পোরেট গভর্নেন্স, বিজনেস ট্রান্সফরমেশন অ্যান্ডচেইঞ্জ ম্যানেজমেন্ট, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস এক্সপ্যানশন, ট্রেনিং অ্যান্ড লিডারশিপ ডেভেলপমেন্ট। এই প্রশিক্ষণগুলো তাঁকে আধুনিক কর্পোরেট ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসায়িক পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
কর্পোরেট নেতৃত্বে সক্রিয় ভূমিকা: শফিকুল আলমের পেশাগত জীবন শুরু হয় বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে কাজ করার মাধ্যমে। ২০০৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত তিনি শান্তা হোল্ডিংস লিমিটেড-এ ডিজিএম (অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে তিনি কর্পোরেট ফাইন্যান্স, ট্যাক্স ও ভ্যাট ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন আর্থিক প্রকল্প নিয়ে কাজ করেন।
২০১০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি কল্লোল গ্রুপ অব কোম্পানিজ-এ গ্রুপ সিএফও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময় তিনি যৌথ বিনিয়োগ প্রকল্প, ইআরপি সফটওয়্যার ইন্টিগ্রেশন এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করেন।
পরবর্তীতে ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি সুপার স্টার গ্রুপ-এ ফাইন্যান্স ডিরেক্টর ও কোম্পানি সেক্রেটারি হিসেবে কাজ করেন। তার নেতৃত্বে সেখানে এসএপি সিস্টেম বাস্তবায়ন করা হয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যবসা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিশেষ করে নেপাল, ভারত ও ইউরোপে ব্যবসা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
২০১৮ সাল থেকে তিনি শফিকুল আলম অ্যান্ডকোং, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং পার্টনার ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
কর্পোরেট বোর্ড ও নীতিনির্ধারণে ভূমিকা: শফিকুল আলম শুধু পেশাজীবী হিসেবেই নয়, কর্পোরেট প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্বের ভূমিকাও পালন করেছেন। তিনি- বিজ সলিউশন্স পিএলসির চেয়ারম্যান, জীবন বীমা কর্পোরেশনের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য। এছাড়া তিনি বর্তমানে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)-এর কাউন্সিল সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ২০১৯-২০২২ মেয়াদে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি)-এর কাউন্সিল সদস্য হিসেবেও তিনি কাজ করেছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও)-দের নিয়ে গঠিত সংগঠন “সিএফও ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ”-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
স্বীকৃতি ও পুরস্কার: পেশাগত দক্ষতা ও নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে শফিকুল আলম বিভিন্ন পুরস্কার অর্জন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো প্রেসিডেন্ট’স ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড ২০২১। বিজ সলিউশন্স পিএলসি-এর চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি এই সম্মাননা লাভ করেন। হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রি ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার হিসেবে এটি প্রদান করা হয় এবং সরকারি গেজেটেও তা প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়া তিনি ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশ (আইবিএফবি) এবং লিডারশিপ ফোরাম অব বাংলাদেশ (এলএফবি)-এর কাছ থেকেও স্বীকৃতি ও পুরস্কার পেয়েছেন।
গণমাধ্যমে বিশ্লেষণধর্মী উপস্থিতি: পুঁজিবাজার, করনীতি ও কর্পোরেট গভর্নেন্স নিয়ে গণমাধ্যমে মতামত প্রদানকারী পেশাজীবীদের মধ্যে শফিকুল আলম অন্যতম। তিনি বিভিন্ন টেলিভিশন টক শোতে অতিথি ভাষ্যকার হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে- এনটিভি, একুশে টেলিভিশন, ইনডিপেডেন্ট টিভি, একাত্তর টিভি, এখন টিভি, বৈশাখী টেলিভিশন, ডিবিসি নিউজ, নিউজ২৪। এইসব অনুষ্ঠানে তিনি পুঁজিবাজারের গতিপ্রকৃতি, বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা, করনীতি এবং অর্থনৈতিক সংস্কার নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা করেছেন।
লেখালেখির জগতে আলাদা পরিচয়: পেশাগত জীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও শফিকুল আলম লেখালেখিকে গুরুত্ব দিয়েছেন। ব্যবসা, হিসাববিদ্যা, করনীতি ও আইনের মতো জটিল বিষয়গুলোকে সহজ ভাষায় তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন তাঁর বইগুলোতে। তার উল্লেখযোগ্য বইগুলোর মধ্যে রয়েছে- `IAS and IFRS: Theory and Practice Part: A (2018), IAS and IFRS: Theory and Practice Part: B (2020), Income Tax Law and Practices (2023), Company Law and Practices (2022), SAP FICO Practice Guide (2021), পুঁজিবাজারের অ আ ক খ (২০২০), প্র্যাক্টিকাল অ্যাকাউন্টিং (২০২১), প্যারেন্টিং: কী বলে ইসলাম (২০২০), হুমায়ুন আহমেদ ও মিসির আলি (২০২২)।
পেশাজীবীদের জন্য জ্ঞানভিত্তিক বই
তার বেশ কয়েকটি বই বিশেষভাবে শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যেমন- ‘IAS and IFRS: Theory and Practice’ বইটি আন্তর্জাতিক হিসাবমান নিয়েলেখা। যারা চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সি বা হিসাববিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করছেন, তাঁদের জন্য এটি একটি সহায়ক গ্রন্থ। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগে এটি একটি রেফারেন্স বই হিসেবে সমাদৃত হয়েছে। “Income Tax Law and Practices” বইটিতে বাংলাদেশের আয়কর আইন ও তার ব্যবহারিক প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। অন্যদিকে “Company Law and Practices” বইটি কোম্পানি আইন বোঝার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হিসেবে বিবেচিত হয়।
বইমেলা ও নতুন পাঠকের সম্ভাবনা: বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে একুশে বইমেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই মেলাকে ঘিরে পাঠকেরা নতুন বইয়ের সন্ধান পান এবং নতুন লেখকের সঙ্গে পরিচিত হন। শফিকুল আলমের বইগুলোও এই মেলার মাধ্যমে নতুন পাঠকের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ পায়। বিশেষ করে হিসাববিজ্ঞান, করনীতি ও পুঁজিবাজার নিয়ে আগ্রহী পাঠকদের জন্য তাঁর বইগুলো একটি তথ্যসমৃদ্ধ উৎস হতে পারে।
শেষকথা: বাংলাদেশের পেশাজীবী সমাজে মো. শফিকুল আলম একটি বহুমাত্রিক নাম। চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, কর্পোরেট গভর্নেন্স বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক,লেখক ও বিশ্লেষক- এই সব পরিচয়ের মধ্য দিয়ে তিনি নিজের একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছেন।
পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি জ্ঞানচর্চা ও লেখালেখির মাধ্যমে সমাজে অবদান রাখার যে প্রচেষ্টা তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন, তা নতুন প্রজন্মের পেশাজীবীদের জন্য অনুপ্রেরণার হতে পারে।
হিসাববিজ্ঞানের কঠিন সংখ্যার ভেতর থেকেও যখন একজন পেশাজীবী বই লেখেন, সমাজ নিয়ে ভাবেন এবং জ্ঞানচর্চার বিস্তার ঘটান- তখন তার পরিচয় আর কেবল পেশার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; তিনি হয়ে ওঠেন জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের একজন সক্রিয় অংশীদার।
লেখক ও সাংবাদিক
প্রিন্ট করুন









Discussion about this post