রায়হান উল্লাহ : সংবাদপত্র একটি শিল্প। এ শিল্পের মহান শিল্পী সাংবাদিক। মোট কথা সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি আছে বলেই কথার অবতারণা। এ ত্রুটি-বিচ্যুতিময় সাংবাদিকতাই হলুদ সাংবাদিকতা। ইংরেজিতে ইয়েলো জার্নালিজম। সারাবিশ্বে তা তুমুল আলোচিত শব্দদ্বয়। যুগ যুগ ধরে হলুদের আশ্রয়ে সৃষ্টি হয় হাহাকার। সংবাদপত্র, সাংবাদিক ও সাংবাদিকতার হাহাকার।
উইকিপিডিয়া বলছে—হলুদ সাংবাদিকতা বলতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিত্তিহীন রোমাঞ্চকর সংবাদ পরিবেশন বা উপস্থাপনকে বোঝায়। এ ধরনের সাংবাদিকতায় ভালোমতো গবেষণা বা খোঁজখবর না করেই দৃষ্টিগ্রাহী ও নজরকাড়া শিরোনাম দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করা হয়। হলুদ সাংবাদিকতার মূল উদ্দেশ্য হলো—সাংবাদিকতার রীতিনীতি না মেনে যেভাবেই হোক পত্রিকার কাটতি বাড়ানো বা টেলিভিশন চ্যানেলের দর্শকসংখ্যা বাড়ানো। অর্থাৎ হলুদ সাংবাদিকতা মানেই ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন, দৃষ্টি আকর্ষণকারী শিরোনাম ব্যবহার করা, সাধারণ ঘটনাকে একটি সাংঘাতিক ঘটনা বলে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা, কেলেঙ্কারির খবর গুরুত্ব সহকারে প্রচার করা, অহেতুক চমক সৃষ্টি ইত্যাদি। এ তো গেল প্রাথমিক সংজ্ঞায়ন। বিস্তারিত জানার চেষ্টা হবে।
বৈশিষ্ট্য
ফ্র্যাঙ্ক লুথার মট নামে এক দার্শনিক হলুদ সাংবাদিকতার পাঁচটি বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন, যা হলো- সাধারণ ঘটনাকে কয়েকটি কলামজুড়ে বড় আকারের ভয়ানক একটি শিরোনাম করা। ছবি আর কাল্পনিক নকশার অপরিমিত ব্যবহার। ভুয়া সাক্ষাৎকার, ভুল ধারণার জন্ম দিতে পারে এমন শিরোনাম, ভুয়া বিজ্ঞানমূলক রচনা আর তথাকথিত বিশেষজ্ঞ কর্তৃক ভুল শিক্ষামূলক রচনার ব্যবহার। সম্পূর্ণ রঙিন ‘রবিবাসরীয় সাময়িকী’ প্রকাশ, যার সঙ্গে সাধারণত কমিক্স সংযুক্ত করা হয়। স্রোতের বিপরীতে সাঁতরানো পরাজিত নায়কদের প্রতি নাটকীয় সহানুভূতি। এ তো গেল প্রাথমিক সংজ্ঞায়ন। বিস্তারিত জানার চেষ্টা হবে। সাংবাদিকতাকে আমূল ধ্বংস করা হলুদ সাংবাদিকতার বৈশিষ্ট্য ব্যক্তিবেধে রূপ বদলাবে। সময়ের ফেরে বৈশিষ্ট্যের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে।
যেভাবে এলো
এর পেছনে রয়েছে মজার এক ইতিহাস। সাংবাদিকতায় ইয়েলো জার্নালিজম বা হলুদ সাংবাদিকতা শব্দটি এসেছে ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে। দুই ভুবন বিখ্যাত সাংবাদিক জোসেফ পুলিৎজার ও উইলিয়াম হার্স্টের এক অশুভ প্রতিযোগিতার ফসল হিসেবে। ১৮৮৩ সালে নিউইয়র্ক ওয়ার্ল্ড নামে একটি সংবাদপত্র কিনেন প্রখ্যাত সাংবাদিক জোসেফ পুলিৎজার। পত্রিকাটির আগের মালিক ছিলেন জে গোল্ড। অন্যদিকে উইলিয়াম হার্স্ট ১৮৮২ সালে দ্য জার্নাল নামে একটা পত্রিকা কিনে নেন জোসেফ পুলিৎজারের ভাই অ্যালবার্ট পুলিৎজারের কাছ থেকে। কিন্তু পরিবারের সদস্যের পত্রিকা হার্স্টের হাতে চলে যাওয়ার বিষয়টিকে সহজভাবে নিতে পারেননি পুলিৎজার। শুরু হয় হার্স্টের সঙ্গে পুলিৎজারের স্নায়ুযুদ্ধ। পুলিৎজার নিউইয়র্ক ওয়ার্ল্ড কিনেই ঝুঁকে পড়লেন চাঞ্চল্যকর খবর, চটকদারি সংবাদ ইত্যাদি প্রকাশে। রিচার্ড ফেন্টো আউটকল্ট নামে একজন কার্টুনিস্টকে চাকরি দিলেন তার কাগজে। ওই কার্টুনিস্ট ইয়েলো কিড বা হলুদ বালক নামে প্রতিদিন নিউইয়র্ক ওয়ার্ল্ডের প্রথম পাতায় একটি কার্টুন আঁঁকতেন এবং তার মাধ্যমে সামাজিক অসংগতি থেকে শুরু করে এমন অনেক কিছু বলিয়ে নিতেন, যা ছিল অনেকটাই পক্ষপাতদুষ্ট। এক সময় হার্স্ট পুলিৎজারের নিউইয়র্ক ওয়ার্ল্ডের কার্টুনিস্ট রিচার্ড ফেন্টো আউটকল্টকে অধিক বেতনের প্রলোভনে নিয়ে এলেন তার জার্নাল পত্রিকায়। হার্স্ট তাতেই ক্ষান্ত থাকেননি, মোটা বেতনের লোভ দেখিয়ে নিউইয়র্ক ওয়ার্ল্ডের ভালো সব সাংবাদিককেও টেনে নেন নিজের পত্রিকায়। বেচারা পুলিৎজার রেগে আগুন। তিনি অগত্যা জর্জ চি লুকস নামে আরেক কার্টুনিস্টকে নিয়োগ দেন। এদিকে জার্নাল, ওদিকে নিউইয়র্ক ওয়ার্ল্ড—দুটো পত্রিকাতেই ছাপা হতে লাগলো ইয়োলো কিডস বা হলুদ বালক কার্টুন। শুরু হয়ে গেল পত্রিকার কাটতি নিয়ে দুটো পত্রিকার মধ্যে দ্বন্দ্ব। জার্নাল এবং নিউইয়র্ক ওয়ার্ল্ডের বিরোধ সে সময়কার সংবাদপত্র পাঠকদের কাছে ক্রমেই আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছিল। দুটো পত্রিকাই তাদের হিট বাড়ানোর জন্য ভিত্তিহীন, সত্য, অর্ধসত্য ব্যক্তিগত কেলেঙ্কারিমূলক খবর ছাপা শুরু করল। এতে দুটো পত্রিকাই তাদের মান হারালো। তৈরি হলো একটি নষ্ট মানসিকতার পাঠকশ্রেণি, যারা সব সময় চটকদার, ভিত্তিহীন, চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী, অর্ধসত্য সংবাদ প্রত্যাশা করত এবং তা পড়ে তৃপ্তি পেত। এভাবেই জোসেফ পুলিৎজার ও উইলিয়াম হার্স্ট দুজনেই হলুদ সাংবাদিকতার দায়ে অভিযুক্ত এবং ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে রইলেন।
জোসেফ পুলিৎজারের জন্ম ১৮৪৭ সালের ১০ এপ্রিল। অষ্টাদশ শতকের শেষার্ধ থেকে ঊনবিংশ শতকের সূচনালগ্ন পর্যন্ত তিনি ছিলেন একাধারে সফলতম লেখক ও সংবাদপত্র প্রকাশক। সাংবাদিকতা ও লেখালেখির মাধ্যমে তার আয় করা বিপুল অর্থ ও ধনসম্পদ তিনি দান করে গেছেন কলম্বিয়া স্কুল অব জার্নালিজমে; বর্তমান কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে। তার ইচ্ছা অনুযায়ী ১৯১১ সালের ২৯ অক্টোবর তার প্রয়াণের পর তার সম্মানার্থে পুলিৎজার পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়। সাংবাদিকতা ও আলোকচিত্রকলা, নাটক, কবিতা, ইতিহাস, পত্র, সংগীতের মতো ২১টি বিভাগে এ পুরস্কার সাংবার্ষিক আকারে দেওয়া হয়। ১৮৮০-এর দশকে পুলিৎজার নতুন সাংবাদিকতার কলাকৌশল প্রবর্তন করে বিশ্বে চমক সৃষ্টি করেন, যা তাকে করেছে অমর। অনেকেই তাকে সাংবাদিকতার পিতামহ বলেও আখ্যায়িত করেছেন।
বাংলাদেশে হলুদ সাংবাদিকতা প্রকট আকার নিয়েছে। প্রতিটি অন্ধকার গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে; অর্থাৎ নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে সাংবাদিক ও সাংবাদিকতার আশ্রয় নিচ্ছেন। ফলে শুরুতেই তা হলুদের পাল্লায় পড়ছে। ফলে আমরা পাচ্ছি গোষ্ঠীগত উদ্দেশ্যমূলক খবর। আবার এক সংবাদপত্র অন্য সংবাদপত্রের চরিত্র হননের চেষ্টা করছে। কিছু ক্ষেত্রে দুই বা ততধিক এমন সংবাদপত্রের সুনির্দিষ্ট দোষও মিলছে। ফলে সব হলুদে রাঙায়িত হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় একটি গণমাধ্যমে যা আসছে অন্য গণমাধ্যম তা চেপে যাচ্ছে। একটি গণমাধ্যম বলছে এটি এমন ঘটেছে। অন্য গণমাধ্যম উল্টো বলছে। একটি গণমাধ্যম একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর পক্ষপাতিত্ব করছে। ঠিক অন্য একটি গণমাধ্যম আরেকটি দলের লেজুরবৃত্তি করছে। এভাবেই হলুদে সয়লাব আমরা।
সাংবাদিকতার নানা অনিয়মের বেলায় সাংবাদিকরা অসংখ্য দলের হয়ে যান। নীতি-আদর্শের বালাই থাকে না। তখন তারা পোষা গোষ্ঠী হয়ে যান। কেউ না কেউ নিজের অপকর্ম ঢাকতে সাংবাদিক বা সংবাদপত্র পোষেন। আর অনিয়মের নানা গোষ্ঠী পোষে গণমাধ্যমকে। ফলে উদ্দেশ্যমূলক খবর প্রকাশ হয়। বিপরীতে আর্থিক সুবিধার নিশ্চয়তা পেলে তা বন্ধ করা হয়। বহুজাতিক একাধিক কোম্পানি জনগণকে চুষে খায়। নিয়মের বালাই ছাড়াই তারা জনগণের ও রাষ্ট্রের সঙ্গে অপরাধ করে। সব জায়েজ করতে গণমাধ্যমকে বিজ্ঞাপন দেয়। অবচেতনে নয় চেতনেই গণমাধ্যম তার গুণগান গায়।
কিছু দৃশ্য: দৃশ্য-১. ফয়সাল আলী একজন প্রকাশক ও সম্পাদক। তার কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই। যদিও তিনি ডক্টরেট। তিনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোই দৌড়ঝাঁপ করেন। তার অঢেল সম্পত্তি। এক সময় একটি গণমাধ্যম কিনে নেন তিনি। পরে সৃষ্টি হয় অসংখ্য গল্প। যার অনেক কিছুই বেদনার। তিনি গণমাধ্যম ব্যবহার করে তার ব্যবসার পরিধি বাড়িয়েই চলেন। অবশ্যই অন্যায় অবলম্বনে। এক সময় তার লোভ বাড়ে। তিনি মাদক ব্যবসা শুরু করেন। নানা সময়ে সাংবাদিকরা তার দ্বারা নির্যাতনের শিকার হন। অনেকেই ন্যূনতম পাওনা পারিশ্রমিক না নিয়েই চাকরি থেকে বিদায় নেন। যদিও তিনি সরকারের সব সুবিধা গ্রহণ করে একটি ওয়েজ বোর্ডে সবাইকে বেতন দিচ্ছেন বলে কাগজে-কলমে পরিষ্কার থাকেন। অবশ্য তিনি নানা সময়ে অনেক সাংবাদিককে তার পাশে পান। ফয়সাল আলী যখন যে সরকার আসে তার হয়ে যান।
দৃশ্য ২. হাসান ইমরান একজন সাংবাদিক। তিনি একটি জাতীয় দৈনিকের নির্বাহী সম্পাদক। তার অনেক দায়িত্ব। তবে তিনি তা পালন করেন না। দৈনিকটির খবরগত উৎকর্ষতায় তিনি কিছুই করেন না, যা করেন তাতেই তার ক্ষমতায় টেকা যায় না। তিনি সম্পাদক ও প্রকাশকের লেজুড়বৃত্তি করেন। আর তার অন্যায়ের শিকার হন অসংখ্য সাংবাদিক।
দৃশ্য ৩. আল মাকসুদ একজন অপরাধ প্রতিবেদক। তিনি সংবাদপত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় আছেন। সমাজের অপরাধের বিষয়গুলো তিনি তুলে আনেন। কিন্তু তিনি নিজেই অপরাধ করেন। সব সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগসাজশে থাকেন। তাদের সরবরাহ করা খবরই পত্রিকায় জমা দেন। নিজ থেকে কোনো ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটন করেন না। করলেও কোনো একটি গোষ্ঠীর কাছ থেকে অর্থ খেয়ে সঠিক সংবাদ লিখেন না। রাতের একটি সময়ে তাকে নেশাগ্রস্ত দেখা যায়। না হয় দেখা যায় কোনো অন্ধকার পল্লিতে। সাংবাদিকতার আড়ালে তিনি অনেক অন্যায় ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত। তিনি অনেক অপরাধ চক্রের কাছে নিয়মিত মাসোহারা নেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনেক অন্যায় অপকর্মের ভাগ নেন তিনি।
দৃশ্য ৪. খয়বার হোসেন একটি পত্রিকার সহসম্পাদক। নিয়মিত অফিসে আসেন তিনি। উদ্যেশ্যমূলক অনেক খবর পত্রিকার ঊর্ধ্ব পর্যায়ের যোগসাজশে ছাপান তিনি। অনেক গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগেও তিনি সিদ্ধহস্ত। যদিও তিনি সম্পাদনার কিছুই জানেন না।
দৃশ্য ৫. মনির হোসেন একটি দৈনিকের সহসম্পাদক। অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেন না তিনি। বেতন পান একটি নির্দিষ্ট অংকের, যা দিয়ে তার সংসার চলে না। সংসার বলতে নাগরিক মেসজীবন। বাবা-মা-ভাই-বোনেদের কিছুই দিতে পারেন না তিনি। মেসের ভাড়া বাকি পড়ে যায়। অবশ্য তিনি ওয়েজ বোর্ডেই বেতন পান!
দৃশ্য ৬. মানিক হোসেন একটি টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি। তিনি ওই জেলার সবকিছু নিয়ন্¿ণ করেন। তিনি রাজনীতিও করেন। তিনি কী করেন না এটি লাখ টাকার প্রশ্ন। তিনি সব করেন। সব অপরাধ চক্রের সঙ্গে তিনি জড়িত। জেলার খবর, ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে তাকে কোনো প্রতিবেদন করতে দেখা যায় না। তিনি প্রেস লেখা স্টিকার সাঁটানো একটি মোটরসাইকেলে সারা জেলা চষে বেড়ান অর্থের প্রয়োজনে। মানিক হলুদ সাংবাদিকতার গ্রামীণ সংস্করণ।
যুগে যুগে সময়ে সময়ে গণমাধ্যমে যত আঘাত এসেছে তার জন্য কোনো না কোনোভাবে হলুদ সাংবাদিকতা দায়ী। গণমাধ্যম যখন সংগ্রামের পথ বেছে নেয়, তখন সংশ্লিষ্ট কেউ হলুদের আশ্রয় নেওয়াতেই আক্রমণ তীব্র বেগে আসে। সংশ্লিষ্টের পরিধি কিন্তু অসীম। তা খোদ হতে পারেন দেশের তথ্যমন্¿ী। এমনকি প্রধানমন্¿ীও। এভাবেই সাংবাদিককতার অন্তরায় অনেক কালো আইনের বেড়াজালে আমরা বসবাস করি। হলুদ সাংবাদিকতায় সৎ সাংবাদিকতা ঢাকা পড়ে। সত্যিকার সাংবাদিক নানা নির্যাতনের শিকার হয়। হলুদেরা ক্যাঙ্গারুর নানা খোপে দিব্যি বসে থাকে। আর গণমাধ্যম ধুকে চলে। আমরা ছুটে চলি নেশা ও পেশার জায়গাটি পবিত্র রাখব বলে। হলুদ এসে তাকে ধর্ষণ করে দিয়ে যায়। এক একজন মোনাজাত উদ্দিন কিংবা সিরাজুদ্দিন হোসেন হারিয়ে যান। বিপরীতে রাজার আশ্রয়ে বহুতল ভবনে অপসাংবাদিকতার বীজ বুনেন কোনো গোলাম। আর নাগরিক জীবনে ক্ষুধা পেটে খবরের পেছনে ছুটেন নাম না জানা কোনো খবরকর্মী। জীবনটা তার কাছে সাক্ষাৎ খবর। কোনো গোষ্ঠীর হলুদ খবর নয়, প্রকৃত ও নির্ভেজাল খবর। একদিন তার স্বপ্নেরা আকাশ ছুঁয়।
কবি ও সাংবাদিক
প্রিন্ট করুন








Discussion about this post