শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

রংপুর বিভাগে ৫৭ উপজেলার সড়ক  প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্প

রংপুর বিভাগে ৫৭ উপজেলার সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্প

উত্তরাঞ্চলের কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক অভূতপূর্ব রূপান্তরের সূচনা হতে যাচ্ছে। রংপুর বিভাগের যোগাযোগ অবকাঠামো আমূল বদলে দিতে সরকার গ্রহণ করেছে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার এক বিশাল মেগা প্রকল্প। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে (জিওবি) ৪৯৮৪ দশমিক ৭৫৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘রংপুর বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্প’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। ২০২৬ সালের জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটির বাস্তবায়ন মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত। রংপুর বিভাগের আটটি জেলার ৫৭টি উপজেলার বিশাল পল্লি এলাকাকে আধুনিক নাগরিক সুবিধার আওতায় নিয়ে আসাই এই মহাযজ্ঞের মূল লক্ষ্য।

চট্টগ্রামে বাড়তি দামেও মিলছে না এলপিজি

চট্টগ্রামে বাড়তি দামেও মিলছে না এলপিজি

কাগজে-কলমে সেপ্টেম্বর মাসে এলপিজির দাম কমলেও বন্দর নগর চট্টগ্রামের খুচরা বাজারে দেখা যাচ্ছে—উল্টো চিত্র। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটর কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত ১ হাজার ৫৮৫ টাকার ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার নগরের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি হচ্ছে, ২ হাজার থেকে সর্বোচ্চ আড়াই হাজার টাকায়। অনেক জায়গায় এ বাড়তি দামেও গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। বাড়তি দামের জন্য খুচরা বিক্রেতা ও পরিবেশকরা সরবরাহ সংকটকে দায়ী করেছেন। তাদের অভিযোগ, চাহিদামতো এলপিজি সরবরাহ না পাওয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে অপারেটরদের দাবি, বাজারে গ্যাসের সামগ্রিক সংকট নেই। আমদানি কমে যাওয়া, আন্তর্জাতিক নৌপথে পরিবহন ব্যয় ও কার্গো প্রিমিয়াম বৃদ্ধি এবং পাইপলাইনের গ্যাস সংকটে এলপিজির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে সরকারি দর কমলেও চট্টগ্রামের আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্রাহকদের বাড়তি দামে এলপিজি কিনতে হচ্ছে।

\