নিজস্ব প্রতিবেদক: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির বলেছেন, বিগত সরকারের আমলে গৃহীত অযৌক্তিক কিছু উচ্চাভিলাষী প্রকল্পের কারণে সরকারের ওপর আর্থিক চাপ রয়েছে, যা কাটিয়ে ওঠার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে নতুন করে করের বোঝা বাড়বে না। গতকাল সোমবার রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘প্রাক-বাজেট আলোচনা : প্রেক্ষিত বেসরকারি খাতের প্রত্যাশা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম বাড়াতে বিশেষ করে ব্যবসা পরিচালনা ব্যয় হ্রাস ও সরকারি সেবা প্রাপ্তির প্রক্রিয়া সহজ করার কোনো বিকল্প নেই।
মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের জিডিপির আকার প্রায় ৪৬০ বিলিয়ন ডলার সমপরিমাণ হলেও দেশের প্রায় সাত কোটি মানুষ এখনও দারিদ্র্যসীমায় বসবাস করছে। এ ছাড়া তিনি হতাশা ব্যক্ত করে বলেন, এত বিপুল জনগোষ্ঠীর মধ্যেও করদাতার সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক কম, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সংরক্ষণের সক্ষমতার অভাবে
সরকারকে স্পট মার্কেট থেকে চড়া মূল্যে বর্তমানের সংকট মোকাবিলায় জ্বালানি কিনতে বাধ্য হচ্ছে। আগামী বাজেটে ব্যবসায়ীদের ওপর করের বোঝা বৃদ্ধি করা হবে না বলে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আগামীতে বেসরকারি খাতের সঙ্গে নিবিড়িভাবে সরকারের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
ইন্টারন্যাশন্যাল চেম্বার অব কমার্স, বাংলাদেশের (আইসিসিবি) সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, বর্তমান সরকারকে বেসরকারি খাতের প্রতিবন্ধকতাগুলো বিবেচনায় নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে আগামী বাজেট প্রণয়ন করা হবে। দীর্ঘদিন ধরে জিডিপিতে করের অবদান বাড়ানোর প্রস্তাব করা হলেও সত্যিকার অর্থে সেটি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের তেমন কার্যকর উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না।
প্রিন্ট করুন











Discussion about this post