শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬
১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ | ১৪ জিলকদ ১৪৪৭
  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শেয়ার বিজ
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
➔ ই-পেপার
No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
No Result
View All Result
শেয়ার বিজ
No Result
View All Result

নিজের চেয়ার নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য

এই চেয়ারে বসলে মনে হয় আগুনের তপ্ত হিট আসছে

Share Biz News Share Biz News
শুক্রবার, ১ মে ২০২৬.১২:২১ পূর্বাহ্ণ
বিভাগ - শীর্ষ খবর ➔ প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
A A
এই চেয়ারে বসলে মনে হয় আগুনের তপ্ত হিট আসছে
2
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Linkedin

শেয়ার বিজ ডেস্ক: জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী দিনে দেওয়া এক আবেগঘন ও নীতিনির্ধারণী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার প্রধানের এই চেয়ারটি দূর থেকে দেখতে খুব আরামদায়ক মনে হলেও আসলে এটি মোটেও আরামের নয়।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের শেষ দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সমাপনী বক্তব্য দেন তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী নিজের চেয়ারের বিষয়ে ব্যক্তিগত অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, এই চেয়ারটি খুব কঠিন একটি জায়গা। এই চেয়ারে বসলে আমি প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি যে আগুনের তপ্ত হিট বা তাপ আসছে। একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে সংসদ বা জনসভায় অনেক জনপ্রিয় বা ‘পপুলার’ কথা বলে হাততালি কুড়ানোর সুযোগ থাকলেও এই দায়িত্বের চেয়ার তাকে সেই অনুমতি দেয় না। এই চেয়ার প্রতি মুহূর্তে তাকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, তাকে জনপ্রিয় সিদ্ধান্তের চেয়ে সঠিক বা রাইট ডিসিশনটি নিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের প্রত্যাশা মেটানো এবং সমস্যা সমাধানের গুরুভার এই চেয়ারের উত্তাপ বাড়িয়ে দেয়। আমরা যদি পপুলার ডিসিশনের পেছনে ছুটি, তবে হয়তো বাহবা পাব, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সেজন্যই সংসদ সদস্য ও বিরোধী দলের বন্ধুদের প্রতি পপুলার নয় বরং সঠিক সিদ্ধান্তের ওপর আলাপ করার আহ্বান জানাই।
সরকারি দলের আচরণে মনে হচ্ছে ওরাই আ.লীগ আর আমরা বিএনপি-জামায়াত : তাহের
তারেক রহমান দেশের কৃষি ও পরিবেশগত সংকটের কথা উল্লেখ করে বলেন, জলাবদ্ধতা এবং পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার সমস্যাটি অত্যন্ত ভয়াবহ। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সেই ঐতিহাসিক খাল খনন কর্মসূচি পুনরায় শুরুর লক্ষ্যই হলো মাটির নিচের পানির স্তর রিফিল করা। এই কাজের শুভফল পেতে প্রায় ২০ বছর সময় লাগবে, তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে এখনই আমাদের তপ্ত আগামীর প্রস্তুতি নিতে হবে।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে মোট বাজেটের প্রায় ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে রাখার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা বাস্তবায়নে কাজ করছি। প্রাইমারি স্কুলের শিশুদের ব্যাগ, বই ও জুতো দিয়ে উৎসাহিত করার পাশাপাশি শিক্ষকদের সম্মান বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে তারা গুণগত শিক্ষায় মনোনিবেশ করতে পারেন। শুধু হাসপাতালের ভবন থাকলে হবে না, সেখানে ডাক্তার, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এবং ওষুধের নিশ্চয়তা দিতে হবে।

বিরোধী দলীয় নেতার উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং গন্তব্য এক, আর তা হলো বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি স্বনির্ভর ও নিরাপদ দেশ গড়ে তোলা।

সংসদীয় গণতন্ত্রের মর্যাদা রক্ষা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, অতীতে যতবারই গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে, ততবারই দেশের অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থান মুখ থুবড়ে পড়েছে। তিনি ১৭৩ দিনের হরতালের স্মৃতিচারণ করে বলেন, সেই সময় হয়তো কোনো সরকার ক্ষমতা হারিয়েছে কিন্তু বুক চিরে কেউ বলতে পারবে না যে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। সেই ক্ষতির মাসুল আজও আমাদের টানতে হচ্ছে।

বর্তমানে ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা শুরু করার চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি স্থিতিশীল সরকার ও সংসদ নিশ্চিত করতে না পারলে আমরা এই সংকট কাটিয়ে উঠতে পারব না। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বিরোধী দলের প্রতি অত্যন্ত উদার মনোভাব পোষণ করে জানান, ডেপুটি স্পিকার পদটি তাদের জন্য দেওয়ার প্রস্তাব এখনো উন্মুক্ত রয়েছে এবং তিনি নিজে বিরোধী দলীয় নেতার বাসায় গিয়ে সহযোগিতা চেয়ে এসেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান এবং কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, আমাদের মূল্যবান ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ডিবেট দিয়ে কোনো ক্ষুধার্ত মানুষের পেট ভরবে না কিংবা অসুস্থ শিশুর মায়ের মন শান্ত হবে না। মানুষ এখন ডিবেট নয়, তাদের সমস্যার সমাধান চায়।

তিনি বিরোধী দলের সদস্যদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা ব্যর্থ হওয়া মানেই আমি ব্যর্থ হওয়া, আর আমাদের কেউ একজন ব্যর্থ হলে পুরো বাংলাদেশ ব্যর্থ হয়ে যাবে। তাই আসুন, আমরা একে অপরকে ব্যর্থ করার প্রতিযোগিতায় না নেমে একসঙ্গে এই সংসদকে সফল করি। একটি সমৃদ্ধশালী ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আইটি শিল্পসহ দেশের প্রতিটি খাতের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে উভয় পক্ষকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান সরকারপ্রধান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বাংলাদেশ ৭১ এর পরবর্তী বাংলাদেশ, যেরকম শহীদের রক্তের উপরে দাঁড়িয়েছিল, বর্তমান বাংলাদেশ এবং বর্তমান সংসদ একইভাবে হাজারও শহীদের রক্তের উপরে দাঁড়িয়ে আছে। মাননীয় স্পিকার, অধিবেশন শেষ, অধিবেশনের দিনে আমি এইটুক আমার অবস্থান থেকে আবার পরিষ্কার করে দিতে চাই। আমার সরকারের অবস্থান থেকে আবার পরিষ্কার করে দিতে চাই যে আমরা সবসময় প্রস্তুত আছি, বিরোধী দলের সদস্যের সঙ্গে, বাংলাদেশের সঙ্গে, বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে যেকোনো আলাপ আলোচনায় অংশগ্রহণ করার জন্য এবং আলাপ আলোচনার ভিত্তিতেই আমরা উভয়ে সবাই একসঙ্গে এই দেশকে ইনশাআল্লাহ সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। এই দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করার আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করব।

তিনি বলেন, আমি আন্তরিকভাবে আমার পক্ষ থেকে, আমার সরকারের পক্ষ থেকে, আমার সংসদের পক্ষ থেকে আপনাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই মাননীয় ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রিসভার মাননীয় সদস্যদের, মাননীয় চিফ হুইপদের এবং সব সংসদ সদস্যদের। আমি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই, মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা এবং বিরোধীদলীয় সব সদস্যকে। কারণ একটু আগেই আমি বলেছি, আমরা ছাড়া আপনারা পরিপূর্ণ নন, আপনারা ছাড়া আমরা পরিপূর্ণ নই। সেই কারণেই আমি মাননীয় বিরোধী দলের নেতা এবং বিরোধীদলের সব সদস্যদের বিশেষভাবে শুভেচ্ছা জানাতে চাই।

সরকারপ্রধান জানান, আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই মাননীয় স্পিকার সচিবালয়ের সচিবসহ কর্মকর্তা এবং কর্মচারীকে, তারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন এই দেড় মাস। আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীদের যারা আমাদের এই সংসদকে সহযোগিতা করেছেন, এত অল্প সময়ে দ্রুততার সঙ্গে এতগুলো বিল উপস্থাপন করে এগুলোর সম্পূর্ণ কাজগুলো সমাধান করার জন্য। মাননীয় স্পিকার, আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই পুলিশ সদস্য, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য, গণপূর্ত বিভাগের সদস্য, বিদ্যুৎ ও টেলিগ্রাম ফোন বিভাগের সদস্য। আমি বিশেষভাবে আবারও ধন্যবাদ জানাতে চাই নিরাপত্তা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিকে। জাতীয় দৈনিক পত্রিকা, বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা, বাংলাদেশ বেতার, সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেসরকারি টিভি চ্যানেলসহ দেশের সব গণমাধ্যম সাংবাদিক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই।

তিনি বলেন, আমি আবারও পরিষ্কারভাবে দৃঢ়চিত্তে বলতে চাই, যে সব ব্যক্তি এবং সংস্থাকে আমি ধন্যবাদ জানিয়েছি তাদের সবার সহযোগিতার কারণেই আজ আমরা এই সংসদটি সুন্দরভাবে এই অধিবেশন সমাপ্ত করতে পারলাম এবং দেশ গঠনে এই প্রত্যেকটি সংস্থা এবং প্রত্যেক ব্যক্তির অবদান রয়েছে ও ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকবে। মাননীয় স্পিকার, মাননীয় বিরোধী দলের নেতা এই সংসদ কার্যালয়ের কর্মকর্তা এবং কর্মচারীরাসহ সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের সহায়ক হিসেবে বিভিন্ন ব্যক্তির বিষয়ে উনি বলেছেন তাদের কিছু সম্মানের ব্যবস্থা করার কথা, আপনাকে অনুরোধ জানিয়েছেন; আমি উনার এই প্রস্তাবকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী বা সেনাবাহিনী, তাদের আমরা যদি আমাদের ধন্যবাদের তালিকায় না আনি সেটি অন্যায় করা হবে। ফ্যাসিবাদের পলায়নের পরে মাননীয় স্পিকার, এই সশস্ত্র বাহিনী এবং সেনাবাহিনী তাদের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করেছে যে দেশকে একটি সুশৃঙ্খল অবস্থার মধ্যে রাখা। দেশে যাতে কোনো অরাজক পরিস্থিতি তৈরি হতে না পারে। আমি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ সশস্ত্র বাহিনীর সব সদস্যদের আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই, তাদের দায়িত্ব সঠিক সুন্দরভাবে পালন করার জন্য। মাননীয় স্পিকার, আবারও আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে আমার বক্তব্য শেষ করছি। বক্তব্য শেষ করার আগে আবারও আমি বলছি, সব সংসদ সদস্যের প্রতি আমার বিনীত আহ্বান থাকবে, আসুন আমরা এই সবুজ চেয়ারের পবিত্রতা রক্ষা করি। যে দায়িত্ব, যে প্রত্যাশা, যে আশা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ আমাদের পাঠিয়েছে এখানে, আসুন আমরা সেই দায়িত্বের, সেই কর্তব্যের সর্বোচ্চ সম্মান আমরা প্রদান করি। যার মাধ্যমে আমরা দেশের মানুষকে সম্মান প্রদর্শন করব। কারণ দেশ এবং জনগণ থাকলেই আমরা আছি। দেশ এবং জনগণ সম্মান যদি আমরা না করি তাহলে আমাদের রাজনীতি হয়তো ব্যর্থ হয়ে যাবে। সেইজন্যই আমাদের সবচেয়ে প্রথম হচ্ছে এই দেশের জনগণ এবং এই প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

Trust-Bank PLC

Next Post

হাওরে ধান নিয়ে সংকটে কৃষক

Related Posts

পাথর সংকটে বন্ধ বাঁশখালী বেড়িবাঁধ প্রকল্পের কাজ
শীর্ষ খবর

পাথর সংকটে বন্ধ বাঁশখালী বেড়িবাঁধ প্রকল্পের কাজ

হাওরে ধান নিয়ে সংকটে কৃষক
শীর্ষ খবর

হাওরে ধান নিয়ে সংকটে কৃষক

৬ তালিকাভুক্ত কোম্পানির পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা
অর্থ ও বাণিজ্য

শেষ কার্যদিবসে পুঁজিবাজারে সূচকের মিশ্র চিত্র প্রতিক্রিয়ায় চলছে লেনদেন

Next Post
হাওরে ধান নিয়ে সংকটে কৃষক

হাওরে ধান নিয়ে সংকটে কৃষক

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার দিন আজ

শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার দিন আজ

সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিতরা ৬৫ শতাংশ কোটিপতি

সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিতরা ৬৫ শতাংশ কোটিপতি

পাথর সংকটে বন্ধ বাঁশখালী বেড়িবাঁধ প্রকল্পের কাজ

পাথর সংকটে বন্ধ বাঁশখালী বেড়িবাঁধ প্রকল্পের কাজ

চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ আছে

চট্টগ্রাম বন্দরে বিনিয়োগে আগ্রহী জাপানি প্রতিষ্ঠান

পতনের বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে পুঁজিবাজার

পুঁজিবাজারে সূচকের পতনে কমেছে লেনদেন




 

আর্কাইভ অনুসন্ধান

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২
৩৪৫৬৭৮৯
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

প্রকাশক ও সম্পাদক ✍ মীর মনিরুজ্জামান

তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৪৮

একটি শেয়ার বিজ প্রাইভেট লি. প্রতিষ্ঠান

(প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রয়োজন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে)

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

বিএসইসি ভবন (১০ তলা) ॥ ১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ॥ ☎ 01720123162, 01768438776

  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET