বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ | ২৬ জিলকদ ১৪৪৭
  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শেয়ার বিজ
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
➔ ই-পেপার
No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
No Result
View All Result
শেয়ার বিজ
No Result
View All Result

অন্যের সাফল্যের দোয়ায় লুকিয়ে থাকা নিজের প্রকৃত বিজয়

শেয়ার বিজ নিউজ শেয়ার বিজ নিউজ
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬.৪:১৭ অপরাহ্ণ
বিভাগ - সম্পাদকীয় ➔ প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
A A
1
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Linkedin

হাসান শিরাজি: ঢাকার ব্যস্ত একটি বিকেল। কারওয়ান বাজারের আকাশটা তখন মেঘে ঢাকা, ঝিরঝিরে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। রাস্তার একপাশের টং দোকানে চা হাতে দাঁড়িয়ে আছে দুজন যুবক—রফিক আর তারেক। দুজনেই সমবয়সী, একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছে এবং এখন একই করপোরেট কোম্পানিতে কাজ করছে। বাইরে থেকে দেখলে তাদের মধ্যে খুব একটা পার্থক্য চোখে পড়ে না, কিন্তু ভেতরগত দিক থেকে তারা সম্পূর্ণ দুটি ভিন্ন মেরুর বাসিন্দা।

সামনেই কোম্পানিতে একটা বড় প্রমোশনের সুযোগ এসেছে। ডিরেক্টর পদটি খালি হচ্ছে, আর এই পদের জন্য সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থী এই দুজনই। রফিক অত্যন্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী। তার জীবনের মূলমন্ত্র হলো— ‘যেভাবেই হোক, আমাকে জিততে হবে।’ অন্যদিকে তারেক একটু ভিন্ন স্বভাবের। সে নিজের কাজটা মন দিয়ে করে, তবে তার মধ্যে এক ধরনের অদ্ভুত প্রশান্তি কাজ করে। সে অন্যের প্রয়োজনে সবসময় ছুটে যায়।

চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে রফিক বলল, “দোস্ত, এই প্রমোশনটা আমার চাই-ই চাই। আমি গত ছয় মাস ধরে দিনরাত এক করে ফেলছি। এমনকি আমি আজকাল তাহাজ্জুদে উঠেও শুধু এই প্রমোশনটার জন্যই কাঁদি। আল্লাহ নিশ্চয়ই আমার পরিশ্রম আর দোয়া ফিরিয়ে দেবেন না।”

তারেক মৃদু হেসে বলল, “ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ তোর মনের আশা পূরণ করুন। আমি তো নামাজে তোর জন্যও দোয়া করি, যেন আল্লাহ তোকে তোর প্রাপ্য সম্মানটুকু দেন।”

রফিক একটু অবাক হয়ে তাকাল। “আমার জন্য দোয়া করিস? কেন? তুই তো জানিস এই পদের জন্য তুই আর আমিই মূল প্রতিযোগী। আমি প্রমোশন পেলে তো তুই পাবি না! এই দুনিয়াতে ভাই নিজেকে নিয়েই ভাবতে হয়। নিজেরটা নিজে না বুঝলে কেউ জায়গা ছেড়ে দেয় না।”

তারেকের হাসিটা এবার আরও একটু চওড়া হলো। “আসলে রফিক, রিজিকের ফয়সালা তো আসমানে হয়। তুই পেলে আমার রিজিক কমে যাবে, এই তত্ত্বে আমি বিশ্বাস করি না। বরং, তুই যখন সফল হবি, তোর হাসিমুখটা দেখলে আমারও ভালো লাগবে।”

রফিক সেদিন তারেকের কথাগুলো বিশেষ পাত্তা দেয়নি। তার মনে হয়েছিল, তারেক আসলে বোকা। বাস্তব দুনিয়ার কঠিন সমীকরণ সে বোঝে না।

কিন্তু রফিকের ভেতরে একটা অস্থিরতা সবসময় কাজ করত। সে রাতে যখন জায়নামাজে দাঁড়াত, তার দোয়াগুলো হতো খুব আত্মকেন্দ্রিক। “ইয়া আল্লাহ, আমাকে এই প্রজেক্টটা পাইয়ে দাও। ইয়া আল্লাহ, আমার অমুক কলিগের চেয়ে আমাকে বেশি সম্মান দাও। ইয়া আল্লাহ, আমার যেন কোনো ক্ষতি না হয়।” তার দোয়ার প্রতিটি শব্দে থাকত শুধু ‘আমি’ আর ‘আমার’।

দিনগুলো এগোতে থাকে। অফিসের পরিবেশ হয়ে ওঠে বেশ প্রতিযোগিতামূলক। রফিক খেয়াল করতে শুরু করল, তার বুকের ভেতরে একটা চাপা কষ্ট আর দুশ্চিন্তা সারাক্ষণ কাজ করছে। তারেকের কোনো ছোট সাফল্য দেখলে, বা বসের মুখে তারেকের প্রশংসা শুনলে রফিকের বুকের ভেতরটা কেমন যেন জ্বলে উঠত। সে ইবাদত করত ঠিকই, কিন্তু তার ইবাদতের মধ্যে কোনো স্বাদ ছিল না। নামাজ শেষে মনে হতো না যে সে আল্লাহর সাথে কথা বলেছে, বরং মনে হতো সে যেন আল্লাহর কাছে নিজের একগাদা ডিমান্ড বা দাবি পেশ করে এসেছে।

এর কয়েকদিন পরের কথা। শুক্রবার জুমার দিন। রফিক আর তারেক একসাথেই এলাকার বড় মসজিদে নামাজ পড়তে গেল। খতিব সাহেব বয়ান করছিলেন। আর সেই বয়ানের বিষয়বস্তু যেন রফিকের জীবনের ওই মুহূর্তের জন্যই নির্ধারিত ছিল।

খতিব সাহেব বলছিলেন, “আমরা সবাই জীবনে সফল হতে চাই। আমরা সবাই হাত তুলে আল্লাহর কাছে বলি, ‘আমাকে দাও, আমাকে দাও’। কিন্তু আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি, ইসলামের দৃষ্টিতে প্রকৃত সাফল্য কী? আমাদের আত্মিক উন্নয়ন বা স্পিরিচুয়াল ডেভেলপমেন্ট আসলে কোথায় লুকিয়ে আছে? শুধু নিজের জন্য দোয়া করার মধ্যে? নাকি অন্যের কল্যাণের জন্য নিজের হৃদয়কে প্রসারিত করার মধ্যে?” রফিক সোজা হয়ে বসল। কথাগুলো তার কানে সরাসরি আঘাত করছিল।

খতিব সাহেব পবিত্র কুরআনের সূরা আল-হাশরের ৯ নম্বর আয়াতের প্রসঙ্গ টানলেন। তিনি বললেন, “মদিনার আনসার সাহাবীদের প্রশংসা করে আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন— ‘আর তারা নিজেদের অভাব থাকা সত্ত্বেও নিজেদের ওপর অন্যদেরকে অগ্রাধিকার দেয়।’ (সূরা হাশর: ৯)। একটু ভেবে দেখুন! নিজের প্রয়োজন আছে, নিজের অভাব আছে, তারপরেও আরেকজন ভাইয়ের প্রয়োজনকে নিজের চেয়ে বড় করে দেখা—এটাই হলো মুমিনের চরিত্র। এরপর আল্লাহ ওই আয়াতের শেষাংশে বলেছেন, ‘যাদেরকে তাদের অন্তরের কার্পণ্য ও লোভ থেকে মুক্ত রাখা হয়েছে, তারাই মূলত সফলকাম।’

অর্থাৎ, কুরআনের ভাষায় প্রকৃত ‘সফল’ বা ‘মুফলিহুন’ সে নয়, যে অন্যকে ডিঙিয়ে অনেক বড় পদে চলে গেছে বা অনেক টাকা কামিয়েছে। বরং প্রকৃত সফল সে-ই, যে নিজের অন্তরের সংকীর্ণতা, লোভ আর আত্মকেন্দ্রিকতা থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পেরেছে।”

রফিকের বুকের ভেতরটা কেমন যেন কেঁপে উঠল। সে তো সারাজীবন নিজের স্বার্থটাকেই সবচেয়ে বড় করে দেখেছে।

খতিব সাহেব এবার একটি হাদিসের উদ্ধৃতি দিলেন। “রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কোনো মুসলিম যখন তার ভাইয়ের অগোচরে তার জন্য দোয়া করে, তখন তা কবুল হয়। তার মাথার কাছে একজন ফেরেশতা নিযুক্ত থাকেন। যখনই সে তার ভাইয়ের জন্য কল্যাণের দোয়া করে, তখন নিযুক্ত ফেরেশতা বলেন, আমিন! এবং তোমার জন্যও অনুরূপ কল্যাণ হোক।’ (সহিহ মুসলিম)।”

খতিব সাহেব একটু থেমে মুসলিদের দিকে তাকিয়ে বললেন, “ভাইয়েরা আমার, আমরা যখন শুধু নিজের জন্য দোয়া করি, তখন আমরা একজন সাধারণ ভিখারির মতো আল্লাহর কাছে চাই। আমাদের নিজেদের অনেক গুনাহ আছে, আমাদের দোয়া কবুল হতেও পারে, না-ও হতে পারে। কিন্তু আপনি যখন আপনার কোনো ভাইয়ের বিপদে বা তার সাফল্যের জন্য মন থেকে দোয়া করেন, তখন আপনার হয়ে দোয়া করে স্বয়ং ফেরেশতা! আর ফেরেশতাদের দোয়া তো নিষ্পাপ, তাদের দোয়া তো আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না। তাই আপনি যখন অন্যের জন্য ভালো কিছু চান, আল্লাহ আপনার অজান্তেই সেই ভালো জিনিসটা আপনার জীবনেও লিখে দেন।”

নামাজ শেষে রফিক যখন মসজিদ থেকে বের হলো, তার মাথায় তখনো খতিব সাহেবের কথাগুলো ঘুরপাক খাচ্ছে। সে তার নিজের জীবনের দিকে ফিরে তাকাল। তার আত্মিক উন্নয়ন আসলে কোথায়? সে তো নামাজ পড়ছে, রোজা রাখছে, কিন্তু তার অন্তর ভর্তি হিংসা, ঈর্ষা আর প্রতিযোগিতা। তারেক যখন অন্যের জন্য নিঃস্বার্থভাবে দোয়া করে, তখন তার অন্তর থাকে পরিষ্কার (কালব-এ-সালিম)। আর রফিক যখন শুধু নিজের জন্য কাঁদে এবং অন্যের সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়, তখন তার অন্তর কলুষিত হয়ে যায়।

সেদিন রাতে তাহাজ্জুদে দাঁড়িয়ে রফিকের চোখ দিয়ে অঝোরে পানি পড়তে লাগল। কিন্তু আজকের কান্নাটা প্রমোশন পাওয়ার জন্য নয়। আজকের কান্নাটা নিজের অন্তরের এই সংকীর্ণতা আর অন্ধকারের জন্য। সে আল্লাহর কাছে দুহাত তুলে কাঁদতে কাঁদতে বলল, “ইয়া আল্লাহ! আমি কত বোকা ছিলাম। আমি অন্যের রিজিকের প্রতি ঈর্ষা করেছি। আল্লাহ, তুমি আমাকে ক্ষমা করো। তুমি তারেককে সফল করো। সে আমার চেয়েও যোগ্য, তুমি তাকে সেই সম্মান দান করো। আর আমার অন্তর থেকে এই হিংসার আগুন তুমি নিভিয়ে দাও আল্লাহ।”

কী আশ্চর্য! এই দোয়াটা করার সাথে সাথেই রফিকের বুকের ভেতর থেকে যেন একটা বিশাল পাথর নেমে গেল। গত ছয় মাস ধরে যে মানসিক অশান্তি আর ডিপ্রেশন তাকে কুরে কুরে খাচ্ছিল, মুহূর্তের মধ্যে তা উধাও হয়ে গেল। সে এমন এক অপার্থিব প্রশান্তি অনুভব করল, যা সে জীবনেও অনুভব করেনি। সে বুঝতে পারল, আত্মিক প্রশান্তি বা স্পিরিচুয়াল ডেভেলপমেন্ট কোনো নির্দিষ্ট ইবাদতের রুটিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তা নির্ভর করে একটি পরিচ্ছন্ন ও পরশ্রীকাতরতা মুক্ত অন্তরের ওপর।

পরদিন অফিসে প্রমোশনের রেজাল্ট ঘোষণা করা হলো। যা আশা করা হয়েছিল ঠিক তাই হলো—তারেক ডিরেক্টর পদে প্রমোশন পেয়েছে।

রফিক যখন খবরটা শুনল, তার নিজেরই অবাক লাগল যে, তার ভেতরে বিন্দু পরিমাণও কোনো কষ্ট বা ঈর্ষা কাজ করছে না। বরং তার মুখের কোণে এক চিলতে তৃপ্তির হাসি ফুটে উঠল। সে সোজা তারেকের ডেস্কে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরল। “আলহামদুলিল্লাহ দোস্ত! আমি তোর জন্য অনেক অনেক খুশি। তুই সত্যিই এর যোগ্য।”

তারেক অবাক হয়ে রফিকের দিকে তাকিয়ে রইল। সে রফিকের চোখে কোনো কৃত্রিমতা দেখল না। সেখানে ছিল এক নির্ভেজাল ভালোবাসা আর আনন্দ।

তারেক রফিককে নিজের কেবিনে ডেকে নিয়ে গেল। দরজা বন্ধ করে দিয়ে বলল, “রফিক, আমি ম্যানেজমেন্টের সাথে কথা বলেছি। এই নতুন প্রোজেক্টটা এত বড় যে এটা একা আমার পক্ষে সামলানো সম্ভব না। আমি বোর্ডকে প্রপোজাল দিয়েছি যেন এই প্রোজেক্টের কো-ডিরেক্টর হিসেবে তোকে আমার সাথে দেওয়া হয়। এবং তারা রাজি হয়েছেন। তোর প্রমোশন লেটারটাও আজকে বিকেলেই হয়তো তোর হাতে চলে আসবে।”

রফিক হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। তার চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি পড়তে শুরু করল। সে বুঝতে পারল না কী বলবে।

তারেক হাসিমুখে রফিকের কাঁধে হাত রেখে বলল, “আমি তোকে আগেই বলেছিলাম দোস্ত, আমি আমার দোয়ায় সবসময় তোকেও রাখতাম। আমি জানতাম আমরা একসাথে কাজ করলে অনেক দূর যেতে পারব। আল্লাহ তো কারোর প্রতি অবিচার করেন না।”

রফিক সেদিন জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষাটা পেয়েছিল। সে বুঝতে পেরেছিল, আমাদের সাফল্য কখনো অন্যের ব্যর্থতার ওপর নির্ভর করে না। আল্লাহ তায়ালার ভাণ্ডার অসীম। সেখানে সবার জন্য পর্যাপ্ত নিয়ামত রয়েছে। আমরা যখন শুধু নিজেদের জন্য ব্যস্ত থাকি, তখন আমরা নিজেদেরকে একটা ছোট্ট গণ্ডির মধ্যে আটকে ফেলি। আমাদের আত্মিক বিকাশ বা স্পিরিচুয়াল গ্রোথ তখন থেমে যায়।

ইসলাম আমাদের শেখায়, মুমিনরা হলো একটি দেহের মতো। দেহের একটি অঙ্গ ব্যথা পেলে যেমন পুরো শরীর তা অনুভব করে, তেমনি একজন মুমিন ভাইয়ের আনন্দে আরেকজন মুমিন আনন্দিত হবে। আমরা যখন মন থেকে আরেকজনের জন্য দোয়া করি, তখন আমাদের অন্তর থেকে হিংসা বা ‘হাসাদ’-এর মতো ভয়ানক আধ্যাত্মিক ব্যাধি দূর হয়ে যায়। আর এই হাসাদ বা ঈর্ষা হলো এমন এক আগুন, যা মানুষের নেক আমলগুলোকে এমনভাবে পুড়িয়ে ছাই করে দেয়, ঠিক যেভাবে আগুন কাঠকে পুড়িয়ে ছাই করে।

আজকের আধুনিক যুগে আমরা সবাই এক ইঁদুর দৌড়ে (Rat race) লিপ্ত। আমরা ভাবি, পাশের মানুষটিকে ল্যাং মেরে ফেলে দিতে পারলেই বুঝি আমি সবার আগে ফিনিশিং লাইনে পৌঁছাতে পারব। কিন্তু ইসলামী জীবনদর্শন আমাদের সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি রাস্তার সন্ধান দেয়। এই রাস্তাটি হলো ‘উইসার’ বা অন্যকে নিজের ওপর অগ্রাধিকার দেওয়ার রাস্তা।

যখন আপনি আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীর সাফল্যের জন্য মন থেকে আল্লাহর কাছে দোয়া করতে পারবেন, ঠিক সেই মুহূর্তেই আপনি আসলে আপনার নফস (প্রবৃত্তি)-এর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় যুদ্ধটায় জয়ী হয়ে যাবেন। আর যে ব্যক্তি নিজের নফসের এই লোভ ও সংকীর্ণতা থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারল, কুরআনের ভাষায় সে-ই হলো চূড়ান্ত সফল।

আমাদের আত্মিক উন্নয়ন শুধু একা একা জায়নামাজে বসে তসবিহ পড়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সমাজ, পরিবার ও চারপাশের মানুষের সাথে আমাদের মিথস্ক্রিয়াই প্রমাণ করে আমাদের ভেতরকার ঈমান কতটা মজবুত। আপনি যখন কোনো অসুস্থ মানুষকে দেখে মন থেকে তার আরোগ্যের জন্য দোয়া করবেন, কোনো বেকার যুবককে দেখে তার রিজিকের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবেন, কিংবা আপনারই কোনো সহকর্মীর ভালো একটি অর্জনে মন থেকে আলহামদুলিল্লাহ বলবেন—তখন আল্লাহ তায়ালা ফেরেশতাদের মাধ্যমে আপনার জীবনেও সেই রহমত ও বরকত নাজিল করবেন।

সাফল্য আসলে কোনো গন্তব্য নয়, এটি একটি প্রতিধ্বনি (Echo)। আপনি এই মহাবিশ্বে, আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি যে কল্যাণ আর ভালোবাসা ছুঁড়ে দেবেন, আল্লাহ তায়ালা সেই কল্যাণকেই বহুগুণে বাড়িয়ে আপনার জীবনে ফিরিয়ে দেবেন। রফিক আজ সেই প্রতিধ্বনিরই উত্তর পেয়েছে। সে বুঝেছে, নিজের জন্য হাত তোলার চেয়ে, অন্যের জন্য হাত তোলার মাঝে যে প্রশান্তি আর প্রাপ্তি লুকিয়ে আছে, তার কোনো তুলনা এই দুনিয়ার কোনো মাপকাঠিতেই করা সম্ভব নয়।

https://sharebiz.net/নিজের-শান্তি-খুঁজতে-অন্য/ ‎

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

মসজিদ হউক সমাজ জীবনের অংশ

Next Post

এক মোড়কে বন্দি দেশ ও মানুষ বদলের গল্প

Related Posts

সম্পাদকীয়

শিশু লালনে বর্তমান মায়েদের চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

বর্তমান সময়ের অভিভাবকত্ব সংকটের বাস্তব প্রতিচ্ছবির অনন্য সংকলন

এক মোড়কে বন্দি দেশ ও মানুষ বদলের গল্প
সম্পাদকীয়

এক মোড়কে বন্দি দেশ ও মানুষ বদলের গল্প

Next Post
এক মোড়কে বন্দি দেশ ও মানুষ বদলের গল্প

এক মোড়কে বন্দি দেশ ও মানুষ বদলের গল্প

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

শিশু লালনে বর্তমান মায়েদের চ্যালেঞ্জ

বর্তমান সময়ের অভিভাবকত্ব সংকটের বাস্তব প্রতিচ্ছবির অনন্য সংকলন

এক মোড়কে বন্দি দেশ ও মানুষ বদলের গল্প

এক মোড়কে বন্দি দেশ ও মানুষ বদলের গল্প

অন্যের সাফল্যের দোয়ায় লুকিয়ে থাকা নিজের প্রকৃত বিজয়

মসজিদ হউক সমাজ জীবনের অংশ




 

আর্কাইভ অনুসন্ধান

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২
৩৪৫৬৭৮৯
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

প্রকাশক ও সম্পাদক ✍ মীর মনিরুজ্জামান

তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৪৮

একটি শেয়ার বিজ প্রাইভেট লি. প্রতিষ্ঠান

(প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রয়োজন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে)

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

বিএসইসি ভবন (১০ তলা) ॥ ১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ॥ ☎ 01720123162, 01768438776

  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET