অবৈধভাবে গিজার উৎপাদন ও বিক্রি‘ইগা’ ব্র্যান্ডের কারখানা সিলগালা

নিজস্ব প্রতিবেদক: পণ্যের মান প্রণয়ন ও নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) থেকে পণ্যের মান সনদ/লাইসেন্স গ্রহণ ছাড়া স্টোরেজ ওয়াটার হিটার (গিজার) বিক্রয় এবং বাজারজাত করে আসছিল ইম্পেরিয়াল ইলেকট্রিক্যাল অ্যন্ড গ্যাস এপ্লায়েন্স কোম্পানি ইগা ব্র্যান্ডের গিজার। বিএসটিআইর বাধ্যতামূলক মান সনদের আওতাভুক্ত এ পণ্যটি মান সনদ গ্রহণ না করে গিজার উৎপাদন ও বাজারজাত করার অপরাধে গতকাল রোববার কোম্পানিটি সিলগালা ও দুই লাখ টাকা জরিমানা করে বিএসটিআই’র ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ঢাকার সাভার উপজেলায় ডিএমপি পুলিশের সহযোগিতায় বিএসটিআই’র একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে বিএসটিআই লাইসেন্স গ্রহণ ছাড়া পণ্য স্টোরেজ ওয়াটার হিটার (গিজার) বিক্রয় এবং বাজারজাত করার অপরাধে বিএসটিআই আইন, ২০১৮ অনুসারে ইম্পেরিয়াল ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড গ্যাস অ্যাপ্লায়েন্স কোম্পানি (ইগা ব্র্যান্ড), রাজফুলবাড়ীয়া, সাভার, ঢাকা-কে এক লাখ টাকা এবং পণ্য মোড়কজাতকরণ সনদ গ্রহণ ছাড়া একই পণ্য বিক্রয় এবং বাজারজাত করার অপরাধে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ অনুসারে এক লাখ জরিমানা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটিকে উল্লিখিত দু’টি আইনে সর্বমোট দুই লাখ টাকা জরিমানা প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে আদালত ওই অবৈধ কারখানাটি সিলগালা করে বন্ধ করে দেয়।

উল্লেখ্য, পণ্যের গুরুত্ব, ঝুঁকিসহ নানাবিধ বিষয় বিবেচনা করে সরকার বিভিন্ন সময়ে এসআরও জারির মাধ্যমে এযাবৎ ২৭৩টি পণ্য বিএসটিআই’র বাধ্যতামূলক মান সনেদের আওতাভুক্ত করেছে। এসব পণ্য উৎপাদন, বাজারজাত এবং বাণিজ্যিক প্রচারের জন্য বিএসটিআই’র মান সনদ গ্রহণ বাধ্যতামূলক। মানহীন এ ধরনের গিজার কিংবা ওয়াটার হিটারে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি থাকে।

বিএসটিআইয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। প্রসিকিউটর ছিলেন বিএসটিআই’র ফিল্ড অফিসার রাশেদ আল মামুন এবং পরিদর্শক মঈন উদ্দিন। ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সার্বিক সহযোগিতা করেন ফিল্ড অফিসার খালেদ হোসেন।