অভিবাসন আইনে কড়াকড়ি কানাডার

শেয়ার বিজ ডেস্ক: অভিবাসন আইনে বড় ধরনের পরিবর্তন এনে বিদেশি শিক্ষার্থী এবং ওয়ার্ক পারমিটধারীদের উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে কানাডা সরকার। ইমিগ্রেশন এবং বর্ডার সার্ভিস অফিসারদের ঢালাও ক্ষমতা দেয়া হয়েছে সেদেশে বসবাসকারী ভিনদেশি নাগরিকদের টেম্পোরারি রেসিডেন্ট ভিসা এবং ইলেকট্রনিক ট্র্যাভেল অথোরাইজ়েশন ক্যানসেল করার। নতুন আইন গত ৩১ জানুয়ারি কার্যকর করা হয়েছে, যা চলতি সপ্তাহে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। খবর: টরন্টো স্টার।

অভিবাসন দপ্তরের সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, কোনো ব্যক্তি ভিসায় উল্লিখিত সময়ের পর কানাডা না ছাড়লে বা এমন কোনো সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করলে বা প্রক্রিয়াগত কোনো ত্রুটির জেরে কানাডায় কোনো ব্যক্তি পড়া-কাজের সুযোগ পেয়েছেন—এ দুই ক্ষেত্রে সরাসরি সেই পারমিট বাতিল করতে পারবেন সংশ্লিষ্ট অভিবাসন বা সীমান্তরক্ষীরা।
তবে একই সঙ্গে নতুন আইনে বলা হয়েছে, অন্য কোনো দপ্তরের কাছে এ ভিসা-টিআরভি এবং ইটিএ বাতিলের ক্ষমতা দেয়া হচ্ছে না। কোনো ব্যক্তি যে পারমিট নিয়েই কানাডায় আসুন না কেন, পোর্ট অব এন্ট্রিতে কর্মরত ইমিগ্রেশন এবং বর্ডার সার্ভিস অফিসাররা খুশি না হলে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দেশে প্রবেশ করতে পারবেন না।

ইতিমধ্যে স্টুডেন্ট ডিরেক্ট স্ট্রিম ভিসা প্রোগ্রাম বন্ধ করে দিয়েছে কানাডা সরকার। তার ওপর নতুন এ নিয়ম চালু হওয়ায় সেদেশে থাকা বা যেতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীেদর পরিস্থিতি অনেক কঠিন হলো বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ভিসা ইস্যু হ্রাস, বৈধ নথি নিয়ে সীমান্তে পৌঁছানোদের বেশি সংখ্যায় ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে বিদেশি পর্যটক ও অস্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য দেশে প্রবেশের দরজা বন্ধ করে দিচ্ছে কানাডা। উল্লেখ্য, চলতি বছর কানাডায় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দেশটির ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো নেতৃত্বাধীন উদারপন্থী সরকার পিছিয়ে রয়েছে। যে কারণে বিদেশি ভ্রমণকারী, অস্থায়ী বাসিন্দা ছাড়াও স্থায়ী অভিবাসীদের সংখ্যা হ্রাসের চেষ্টা করছে ট্রুডোর সরকার। দেশটিতে বর্তমানে আবাসন সংকট ও বাসা ভাড়া বৃদ্ধির জন্য অভিবাসীদের দায়ী করা হয়।