পৃথিবীতে বিচিত্র অনেক ঘটনা ঘটে। সেই বৈচিত্র্যের মধ্যে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন সংস্থা বিভিন্ন ধরনের দিবস পালন করে আসছে। যে বছর লিপইয়ার বা অধিবর্ষ হয় সে বছর পূর্ণ হয় ৩৬৬ দিনে। এছাড়া অন্য বছরে ৩৬৫ দিনে বছর পূর্ণ হয়। প্রতি বছর ৩৫৬ দিন কোনো না কোনো দিবস থাকে। আবার কোনো কোনো তারিখে একাধিক দিবস থাকে। দিবসের যেমন অভাব নেই, তেমনি দিবস ছাড়া দিনের চিন্তা করাটাও কঠিন হয়ে পড়ে। কিছু দিন আছে যার কোনো দিবসই নেই। সেই দিনগুলো যে কীভাবে চলে যায়, তার কথাও মানুষ খুব একটা মনে রাখে না। এ মুহূর্তে মানুষ যা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে দেখা যাবে সেটিও একটি দিবসের মধ্যে পড়ে গেছে। অনেক দিবস তো আবার বিশ্বব্যাপী পালন হয়ে থাকে। যার মধ্যে অন্যতম হলো জাতিসংঘ দিবস। বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসও এমন একটি দিন, যেটি মানুষকে এক দিনের জন্য হলেও হাত ধোয়ার বিষয়টি মনে করিয়ে দেয়। যাতে বছরের অন্য দিনগুলোয় সেটি মানুষ ঠিকভাবে পালন করতে পারে। বিচিত্র সব দিবসের একটি দিবস হলো ‘কিছু না দিবস’। বিচিত্র এই কিছু না দিবসের যাত্রা শুরু ১৯৭৩ সালে। মার্কিন সংবাদপত্রের কলাম লেখক হ্যারল্ড কফিন বছরে একটি দিন ‘কিছু না করার দিবসের’ প্রস্তাব করেন। তার নাথিং অর্গানাইজেশন দিবসটির প্রস্তাব করে যুক্তি দেখায়। সে যুক্তিতে বলা হয়, দিবসটি তাদের জন্য করা হবে যারা সারাবছর কাজ করে। ব্যস্ততার মধ্যে দিন পার করে দেয়। একটু অবকাশ পায় না নিজেদের জন্য। ক্লান্তিহীন অবিরাম ছুটে চলা এই মানুষের জন্য বছরে একটি দিন থাকবে। সেটি হলো ‘কিছু না দিবস’। এই দিবসে তারা কোনো কিছু না করে শুধু বিশ্রাম নেবে। যাতে শক্তি সঞ্চয় হয়। প্রশ্ন জাগে, কিছু না দিবস পালন করা কি সম্ভব! যেমন শপিং ব্যতীত কোনো একক দিন কোনো কিছুর জন্য কার্যকর। কারণ সবচেয়ে সাধারণ বিষয় হলো খাবার তো প্রতিদিনই কিনতে হয়। অপরিহার্য বস্তু নয়, এমন কিছু না কেনা। তাহলে খরচে পরিমিতিবোধ জাগ্রত হবে। শিশুদের শিক্ষিত করুন, যাতে তারা জানে যে কীভাবে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে খরচ হয়। তাই দিবসটি পালনের সুবিধা এভাবে নেয়া যেতে পারে যে, শিশুদের শেখাতে হাত দিয়ে তাদের খেলনা তৈরি করা ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণসহ উদাহরণস্বরূপ। শিশুদের সঙ্গে এই দিনটি উদযাপন করার জন্য অন্য উদ্দেশ হলো তাদের নিজেরাই সামনের কোনো উপলক্ষে প্রিয়জনের জন্য উপহার তৈরি করা শিখবে। [সংগৃহীত]