নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের কোম্পানি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। কোম্পানিটির নাম ‘ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড’ পরিবর্তন করে ‘ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’ করার প্রস্তাব করা হয়েছিল। এ প্রস্তাব অনুমোদন করায় আগামী ৬ আগস্ট থেকে ডিএসইতে ‘ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’ নামে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন শুরু হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
চলতি হিসাববছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন, ২০২৩) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ১৩ পয়সা, আগের হিসাববছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ১০ পয়সা। সে হিসেবে আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ইপিএস বেড়েছে ৩ পয়সা। অন্যদিকে চলতি হিসাবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন, ২০২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে এক টাকা ৭৮ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৫৮ পয়সা। অর্থাৎ দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস বেড়েছে ২০ পয়সা। অন্যদিকে ৩০ জুন, ২০২৩ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৪ টাকা ০৬ পয়সা। আর প্রথম দুই প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৩৯ টাকা ২১ পয়সা (ঘাটতি), যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১২ টাকা ২৯ পয়সা (ঘাটতি)।
এদিকে ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৮৩ পয়সা এবং ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ২১ পয়সা। আর এই হিসাববছরে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৫৫ টাকা ৬৮ পয়সা (ঘাটতি)। এর আগের বছর অর্থাৎ এদিকে ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে দুই টাকা ৯৯ পয়সা এবং ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪০ টাকা ৮২ পয়সা। আর এই হিসাববছরে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৪১ টাকা ৫২ পয়সা।
‘এ’ ক্যাটেগরির ব্যাংক খাতের কোম্পানিটি ১৯৮৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। দুই হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ৬০৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৫ হাজার ৩৪৭ কোটি ১২ লাখ টাকা। কোম্পানিটির ১৬০ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার ৬৬৮টি শেয়ার রয়েছে। মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪১ দশমিক ৯০ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক ২৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ শেয়ার।