কর্মী ছাঁটাই করবে পেন্টাগন

শেয়ার বিজ ডেস্ক: দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতাগ্রহণের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে তিনি নানা সংস্থার কর্মী ছাঁটাই করছেন। প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, পাঁচ হাজার চারশ কর্মী ছাঁটাই করা হবে। এ কর্মী ছাঁটাইয়ের পদক্ষেপটি আগামী সপ্তাহে কার্যকর হতে পারে, যা প্রতিরক্ষা বিভাগের ৫০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের অংশ। খবর: সিএনএন।

ড্যারিন সেলনিক নামের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, পেন্টাগন নিয়োগ স্থগিত করবে এবং শেষ পর্যন্ত নয় লাখ ৫০ হাজার শক্তিশালী বেসামরিক কর্মীর সংখ্যা ৫ থেকে ৮ শতাংশ কমানো হতে পারে। এ ছাঁটাই টেক বিলিয়নিয়ার ইলন মাস্কের নেতৃত্বে দ্রুতগতিতে চলমান সংস্কারের সর্বশেষ পদক্ষেপ। এরই মধ্যে বিভিন্ন সংস্থার ২০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে।

এরই মধ্যে, দেশটির শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্য দিয়ে দেশের মুখ্য সামরিক নেতা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে রাজনীতিকে প্রাধান্য দিলেন তিনি। বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তা হলেন জেনারেল চার্লস কিউ ব্রাউন জুনিয়র। যুদ্ধবিমানের চার তারকাবিশিষ্ট পাইলট সি কিউ ব্রাউন মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান। তিনি আফ্রিকা বংশোদ্ভূত দ্বিতীয় কোনো মার্কিন নাগরিক, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত হন। এখন সি কিউ ব্রাউনের স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন বিমানবাহিনীর তিন তারকাবিশিষ্ট অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল ড্যান কেইন। ইরাকে ছয় বছর আগে ট্রাম্পের সঙ্গে এক সাক্ষাতে তিনি নিজেকে তার একজন আস্থাভাজন ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করতে সক্ষম হন।

যুক্তরাষ্ট্রে কোনো প্রেসিডেন্ট যে রাজনৈতিক মতাদর্শেরই হোন না কেন, প্রশাসনের পরির্বতনে জয়েন্ট চিফসের চেয়ারম্যান সাধারণত তার পদে বহাল থাকেন। তবে ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগনের কর্মকর্তারা বলছেন, তারা নিজেরা তাদের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিতে চান।

শুধু নিজ দেশে কর্মী ছাঁটাই করেই থামছে না ট্রাম্প প্রশাসন। বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে বিদেশি সব ধরনের সহায়তা। বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে আরোপ করা হচ্ছে অতিরিক্ত শুল্ক।