নিজস্ব প্রতিবেদক:‘জেড’ থেকে ‘বি’ ক্যাটেগরিতে উন্নীত হলো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনস লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
কোম্পানিটি ২০২২ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের এক শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। তাই ‘জেড’ ক্যাটেগরি থেকে ‘বি’ ক্যাটেগরিতে কোম্পানিটি উন্নীত হলো। ‘বি’ ক্যাটেগরির অধীনে আগামী রোববার থেকে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন শুরু হবে।
এদিকে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কর্তৃক জারি করা নিয়ম অনুযায়ী স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোনো সিকিউরিটির ক্যাটেগরি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পরিবর্তিত ক্যাটেগরিতে ওই সিকিউরিটি ক্রয়ের জন্য মার্জিন ঋণ প্রদানে নিষেধাজ্ঞা জানানো হয়েছে। ক্যাটেগরি পরিবর্তনের প্রথম সাত দিন এই ঋণ দেয়া যাবে না। অর্থাৎ রোববার থেকে পরবর্তী সাত কর্মদিবস পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
২০২২ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক পয়সা। আর ৩০ জুন তারিখে শেয়ার প্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৯১ পয়সা। এছাড়া ওই সময়ে শেয়ার প্রতি নগদ অর্থ প্রবাহ হয়েছে দুই পয়সা। এর আগে সর্বশেষ ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটি ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল। ওই সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছিল এক টাকা এক পয়সা এবং ২০১৮ সালের ৩০ জুনে তাদের শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছিল ১২ টাকা ৬০ পয়সা। আর ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ৪৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।
এদিকে চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০২২) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কোম্পানিটি। প্রথম প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে এক পয়সা (লোকসান), আগের বছর একই সময় ছিল ৫ পয়সা (লোকসান)। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান চার পয়সা কমেছে। এছাড়া ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য হয়েছে ১১ টাকা ৯১ পয়সা। এছাড়া এ প্রান্তিকে তাদের শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ২৮ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল এক পয়সা।
২০১২ সালে পুঁজিবাজারে আসা কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ৪৯৪ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে আছে ৭১ কোটি এক লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ৪৯ কোটি ৪৯ লাখ ৭৪ হাজার ৫৫৫। মোট শেয়ারের মধ্যে ১৩ দশমিক ৮২ শতাংশ উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের হাতে, ২৩ দশমিক ০৭ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক এবং ৬৩ দশমিক ১১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।