তুরস্কের নির্বাচনে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি

শেয়ার বিজ ডেস্ক: তুরস্কে গতকাল রোববার অনুষ্ঠিত হয় রান-অফ প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচন। এতে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে। খবর: আল জাজিরা।

আগামী পাঁচ বছর রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান নাকি কেমাল কেলিচদারোগলো দেশ শাসন করবেন, তা নির্ধারণের জন্য ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা।

এর আগে গত ১৪ মে যে নির্বাচন হয়েছিল, তাতে যত মানুষ ভোট দিয়েছিলেন, সেক্ষেত্রে রান-অফে ভোটের সংখ্যা আরও বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত বছরের ১৪ নভেম্বর একসঙ্গে দেশটির সংসদ ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই সময় সংসদ সদস্য পদেও ভোট দিয়েছিলেন ভোটাররা। কিন্তু এবার যেহেতু শুধু প্রেসিডেন্ট পদে ভোট দিতে হচ্ছে, ফলে অনেকে আগ্রহ নিয়ে ভোট দিতে আসছেন। এছাড়া যারা আসছেন, তারাও দ্রুত ভোট দিতে পারছেন।

স্থানীয় সময় গতকাল সকাল ৮টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর ভোটারদের সারি দীর্ঘ হতে থাকে।

আল জাজিরার সাংবাদিক সিনেম কোসেগলো বলেন, ১৪ মের ভোট ছিল তিন প্রার্থীর মধ্যে একজনকে বেছে নেয়া, সঙ্গে ছিল সংসদীয় নির্বাচন। ওই সময় ভোটের লাইনে ধীরগতি দেখা যায়, কারণ সাধারণ মানুষ বিশাল ব্যালটে ভোট দিতে সমস্যায় পড়েছিলেন।

চলতি মাসের ১৪ তারিখের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সিনান ওগান, রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং কেমাল কিলিচদারোগলো। তাদের কেউই নির্বাচনে এককভাবে ৫০ শতাংশ ভোট পাননি। ফলে এ নির্বাচন রান-অফে গড়ায়। এতে সর্বোচ্চ ও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া এরদোয়ান ও কেমাল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

রান-অফ নির্বাচনের জন্য যে ব্যালট তৈরি করা হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, এরদোয়ান ও কেমালের ছবি রয়েছে। এর নিচে দুটি বৃত্তাকার ঘর রয়েছে। ভোটাররা ভোট দিয়ে ব্যালটটি একটি খামে ঢুকিয়ে সেটি বাক্সে ঢুকিয়ে দিচ্ছেন।

এবারের নির্বাচনের প্রথম ধাপে মোট ভোটারের ৮৮ শতাংশ তাদের ভোট দিয়েছেন। যারা প্রথম ধাপে ভোট দেননি, তাদের মধ্যে অনেকে এবার ভোট দেবেন এবং একটি পার্থক্য গড়ে দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।