নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২৪) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
কোম্পানিটির অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২৪) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ১৩ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪ টাকা ৫৬ পয়সা। অর্থাৎ শুধু দ্বিতীয় প্রান্তিকের হিসেবে ইপিএস বেড়েছে ৫৭ পয়সা।
অন্যদিকে প্রথম দুই প্রান্তিকে বা প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর, ২০২৪) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১০ টাকা ৫ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ১১ টাকা ২৪ পয়সা। অর্থাৎ প্রথমার্ধে বা প্রথম দুই প্রান্তিকে ইপিএস কমেছে ১ টাকা ১৯ পয়সা। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩৬৫ টাকা ৪৭ পয়সা। এছাড়া প্রথম দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৬ টাকা ৯৩ পয়সা, অথচ আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২৭ টাকা ১৬ পয়সা।
২০২০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি। ৬০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৩০২ কোটি ৯২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। কোম্পানির রিজার্ভের পরিমাণ ১১ হাজার ৯৪ কোটি ২ লাখ টাকা। মোট ৩০ কোটি ২৯ লাখ ২৮ হাজার ৩৪৩ শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের কাছে ৬৯ দশমিক ০৭ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে শূন্য দশমিক ৫১ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীর কাছে শূন্য দশমিক ০৯ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে বাকি ৩০ দশমিক ৩৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি ২০২৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৩৫০ শতাংশ এবং উদ্যোক্তা পরিচালকদের জন্য ২০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আলোচ্য হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৪ টাকা ৭৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির পুনর্মূল্যায়িত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৭৯ টাকা ৩০ পয়সায়। আর পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭৭ টাকা ৮৬ পয়সায়। এছাড়া আলোচিত হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৫৬ টাকা ৯৬ পয়সা।
এর আগে ২০২৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৩০০ শতাংশ এবং উদ্যোক্তা পরিচালকদের জন্য ৯০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচ্য হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৫ টাকা ৮৪ পয়সা, আগের হিসাববছরে যা ছিল ৪০ টাকা ১৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির পুনর্মূল্যায়িত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৪৩ টাকা ৭৩ পয়সায়। আর পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৪২ টাকা ১৮ পয়সায়। এর আগে কোম্পানিটি ২০২২ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৫০ শতাংশ নগদ এবং উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের জন্য ১৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ২০২২ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪০ টাকা ১৬ পয়সা, আর ৩০ জুনে শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩৩৪ টাকা ৬৪ পয়সা (সম্পদ পুনর্মূল্যায়নসহ), ২৩১ টাকা ৩৪ পয়সা (সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন ব্যতীত) আর আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৭ টাকা ৯১ পয়সা (ঘাটতি)।
