নাটোরে কোরবানির জন্য প্রস্তুত আড়াই লাখ পশু

তাপস কুমার, নাটোর: কোরবানির ঈদ সামনে রেখে নাটোরে এবার প্রায় আড়াই লাখ পশু মোটাতাজা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে গরু রয়েছে ৬৫ হাজার। কোনো রকম স্টেরয়েড ব্যবহার ছাড়াই এসব পশু মোটাতাজা করা হচ্ছে। তবে ভারতীয় গরু আসার ঘোষণায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন খামারিরা।

নাটোরে ঈদ সামনে রেখে প্রাকৃতিক উপায়ে গরু মোটাতাজা করার পাশাপাশি চলছে বাড়তি যতœ নেওয়ার কাজ। জেলার প্রায় সব উপজেলাতেই গরু মোটাতাজা করা হলেও গুরুদাসপুর উপজেলার মশিন্দা, বামন খোলা, বামন গারা গ্রামে সবচেয়ে বেশি গরুর খামার রয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন জানান, গত বছর জেলায় গরু, মহিষ, ছাগলসহ এক লাখ ৭৩ হাজার পশুকে মোটাতাজা করা হয়েছিল। এ বছর সেই সংখ্যা ছাড়িয়ে দুই লাখ ৩৭ হাজারে দাঁড়িয়েছে। এগুলো নাটোরের চাহিদা মিটিয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হবে। স্টেরয়েড জাতীয় খাবার ব্যবহার করে কৃত্রিম উপায়ে কোনো গরু যাতে মোটাতাজা করতে না পারে সেজন্য খামারিদের ডেটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া খামারগুলো বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে। গুরুদাসপুরের খামারি সিরাজুল ইসলাম জানান, এবার গমের ভুষি, খৈল, খড়সহ অন্য খাদ্যসামগ্রীর দাম বৃদ্ধির কারণে গরু পালনে হিমশিম খেতে হচ্ছে খামারিদের। গত কোরবানি ঈদে ভালো দাম না পাওয়ায় অনেকে হাট থেকে গরু ফেরত এনেছেন। এতে গরু লালন-পালনে লোকসান গুনতে হয়েছে তাদরে। কিন্তু এবারও কোরবানি ঈদে গরুর চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে বৈধপথে গরু আসার ঘোষণা দিয়েছে বিজিবি।