শেয়ার বিজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ বা ফেড গত বুধবার ১৭ মাসে ১১ বারের মতো সুদের হার বাড়িয়েছে। বাড়তে থাকা মূল্যস্ফীতির সঙ্গে পাল্লা দিতে বারবার এ হার বাড়াচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে এতে স্পষ্ট করে বলা হয়নি, কবে কখন সুদহার আবার বাড়ানো হবে। খবর: এপি।
সবশেষ বুধবার ফেডারেল রিজার্ভ তার সুদের হার সর্বোচ্চ ৫ দশমিক ১ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করে। এ হার ২০০১ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ। আগে সুদের হার বাড়ানোর পর যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল এবারও তা ঘটতে পারে; যেমন মর্টগেজ, গাড়িঋণ, ক্রেডিট কার্ড এবং ব্যবসায় ঋণের ক্ষেত্রে খরচ বেড়ে যাবে।
এক বিবৃতিতে ফেড বলেছে, অর্থনীতি মাঝারি গতিতে প্রসারিত হচ্ছে। গত জুনে ফেডের নিজস্ব মূল্যায়ন থেকে ইতিবাচক এ মন্তব্য করা হয়। এতে প্রমাণিত হয়, দেশের অর্থনীতিকে গত মাসের তুলনায় কিছুটা ইতিবাচক হিসেবে দেখছে সংস্থাটি।
ফেডকে ঘিরে একটি মূল প্রশ্ন হচ্ছে, সুদহার চলতি বছর আবার বাড়বে কি না। সবশেষ বৃদ্ধির ঘোষণার পর এক সংবাদ সম্মেলনে ফেডের চেয়ার জেরোম পাওয়েল বলেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ভবিষ্যতে সুদের হার বৃদ্ধির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াই শেষ হয়নি। ২০২২ সালের মার্চ থেকে সুদের হার বাড়িয়ে চলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রতিবার বৃদ্ধির আগে পূর্বাভাস দেয় ব্যাংকটি।
পাওয়েল বলেন, মূল্যস্ফীতিকে ২ শতাংশে নামিয়ে আনতে আমাদের এখনও অনেক কাজ করতে হবে। তিনি বলেছেন, নীতিনির্ধারকরা সেপ্টেম্বরে পরবর্তী বৈঠকে আবার সুদের হার বৃদ্ধি নাও করতে পারেন, তবে এটা নিশ্চিত যে আমরা সুদের হার বাড়াব।
গত দুই বছরের মধ্যে মূল্যস্ফীতির হার সর্বনি¤œ হলেও, ফেডারেল রিজার্ভের কর্মকর্তাদের বেঁধে দেয়া ২ শতাংশ বৃদ্ধির চেয়ে তা অনেক বেশি। প্রত্যাশিত হারে মূল্যস্ফীতি নেমে আসার তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির বৃদ্ধির গতি বেশি। যে কারণে সবশেষ এ সুদের হার বাড়িয়েছে ফেডারেল রিজার্ভ।
কেপিএমজি-এর প্রধান অর্থনীতিবিদ ডায়ানে ওংক বলেন, তারা (ফেড) শিগগির বিজয় ঘোষণা করতে চায় না। তারা জানে মূল্যস্ফীতি বেড়েই চলেছে।
