নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের কোনো সামরিক উচ্চাভিলাষ নেই, অথবা কোনো আঞ্চলিক শক্তিও বাংলাদেশ হতে চায় না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম। গতকাল শুক্রবার বিকালে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দর্শন হলো সবার মুখে হাসি ফোটানো। আমাদের দেশে যে সমস্যাগুলো আছে, সেগুলো অনেকটা মৌলিক। এখানে এখনও ১৮ শতাংশের মতো দারিদ্র্য আছে এবং এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশের প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতিরা যখন বৈঠকে বসেন, তখনও তারা এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন যে, কীভাবে মানুষকে আরও ভালোভাবে রাখতে পারি। এটিই আঞ্চলিক উদ্দেশ্য।’
সম্প্রতি প্রকাশিত বাংলাদেশের ইন্দো-প্যাসিফিক আউটলুকের সঙ্গে বড় অর্থনৈতিক দেশগুলো যে কৌশলপত্র দিয়েছে, সেটির সঙ্গে আংশিক মিল পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান।
বাংলাদেশ সতর্কতার সঙ্গে তার পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সুশীল সমাজ ভালো কোনো পরামর্শ দিলে সেটি আমরা নিতে পারি এবং অতীতে আমরা সেটি নিয়েছি। এটি কোনো সমস্যা নয়।’
ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্সের বিষয়ে শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘পৃথিবীর সবচেয়ে বর্ধিষ্ণু অর্থনৈতিক অঞ্চল হলো ভারত মহাসাগরের দেশগুলো বা এশিয়া। এ অঞ্চলের স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, যোগাযোগ ও অনাহূত প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ে আমরা কীভাবে সহায়তা করতে পারি, ওই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে এবং হবে।’
এই কনফারেন্সে ২৫টি দেশের প্রতিনিধিরা রয়েছেন বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই কনফারেন্সে কাউকে ইচ্ছা করে বাদ দেয়া হয়নি। মিয়ানমারকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, কারণ ওই দেশের সরকারকে পৃথিবীর অন্য দেশগুলো স্বীকৃতি দেয় না। সেজন্য আমরা দেশটির সরকারি প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ করিনি। কিন্তু অন্য বড় দেশগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।’
চীনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কি না, জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘হ্যাঁ এবং আমার ধারণা, তাদের প্রতিনিধিরাও এসেছেন বা আসার কথা।’