বাংলাদেশে স্বচ্ছ নির্বাচন চায় যুক্তরাজ্য :লর্ড তারিক

নিজস্ব প্রতিবেদক: যুক্তরাজ্যের কমনওয়েলথ, জাতিসংঘ ও দক্ষিণ এশিয়া-বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী লর্ড তারিক আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশে স্বচ্ছ ও অবাধ নির্বাচন প্রত্যাশা করে যুক্তরাজ্য। বাংলাদেশের সঙ্গে গত ৫০ বছরের সম্পর্ক কেমন ছিল তা নয়, দেখতে চাই আগামী ৫০ বছরে সম্পর্কের রূপান্তর কেমন হবে। সেটি নিয়ে চিন্তা করতে হবে।

গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের অংশীদারত্বের অগ্রগতি’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তারিক আহমেদ সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন। এ সময় তিনি বলেন, প্রত্যেক দেশের গণতন্ত্রের জন্যই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন প্রয়োজন। সে কারণে বাংলাদেশেও স্বচ্ছ ও অবাধ নির্বাচন প্রত্যাশা করছে যুক্তরাজ্য।

আমরা নিবিড়ভাবে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করে যেতে চাই। বিভিন্ন উন্নয়নে ৫৪ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ করবে যুক্তরাজ্য। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বাংলাদেশের নেতৃত্বকে স্বাগত জানায় যুক্তরাজ্য। ভারত মহাসাগরের নিরাপত্তা ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের বেশ কয়েকটি প্রস্তাব আছে। বাংলাদেশ ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) চেয়ারের দায়িত্ব পেতে চলেছে। আমরা আশা করি, বাংলাদেশ খুব ভালোভাবে এর নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাবে।

বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা করছে। এ সংকট সমাধানে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। বিশেষ করে এ অঞ্চলে বিনিয়োগ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বড় একটা চ্যালেঞ্জের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে। মানবতার বড় একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংকট আমরা সবাই জানি। বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্য আছে, থাকবে। ভাসানচরে স্বেচ্ছায় স্থানান্তরিত হওয়া ভালো সিদ্ধান্ত, কিন্তু তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনই একমাত্র সমাধান। রাজনৈতিক ঐকমত্য খুবই জরুরি। এ সমস্যা জিইয়ে রাখার কোনো অর্থই হতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছরে দুই দেশের সম্পর্কে আরও অগ্রগতি হবে। যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ সম্পর্ক ঢেলে সাজাতে চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাম্প্রতিক লন্ডন সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী এর ওপর সর্বোচ্চ জোর দিয়েছিলেন।