নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি ফার্মা এইডস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ একটি অ্যানিলিং বৈদ্যুতিক ওভেন কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, কোম্পানিটি অপচয় কমানোর পাশাপাশি অ্যাম্পুলের গুণগত মান উন্নয়নের জন্য পুরোনো ওভেন পরিবর্তন করে নতুন একটি অ্যানিলিং বৈদ্যুতিক ওভেন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর নতুন এ ওভেনটি কিনতে কোম্পানিটির প্রায় ২০ লাখ টাকার মতো খরচ হবে বলে জানা গেছে।
এদিকে ২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে ইপিএস হয়েছে ১৬ টাকা ৮২ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি এনএভি দাঁড়িয়েছে ৮২ টাকা ৫৫ পয়সা। এর আগের বছরও কোম্পানিটি ২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। ওই সময় ইপিএস হয় ১৫ টাকা ৪৮ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি এনএভি হয় ৭১ টাকা আট পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থ প্রবাহ হয়েছিল আট টাকা পাঁচ পয়সা।
এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে শেয়ারদর তিন দশমিক ১৫ শতাংশ বা ১৭ টাকা ৫০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৫৭২ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৫৭২ টাকা ৮০ পয়সা। দিনভর শেয়ারদর ৫৫৭ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ৫৮৯ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। দিনজুড়ে ৮০ হাজার ৪৩১টি শেয়ার মোট এক হাজার ২৮ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর চার কোটি ৬৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা। গত এক বছরে শেয়ারদর ৩৭২ টাকা থেকে ৭১৬ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।
কোম্পানিটির মোট ৩১ লাখ ২০ হাজার শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ২৪ দশমিক ২২ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৯ দশমিক ০৭ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫৬ দশমিক ৭১ শতাংশ শেয়ার।
ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানিটি ১৯৮৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে লেনদেন হচ্ছে। পাঁচ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন তিন কোটি ১২ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ২২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।
সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ৩৪ দশমিক ০৫ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ৩৫ দশমিক ৩০।