নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের কর কাঠামো ব্যবসাবান্ধব নয়; ব্যবসায়ীদের জন্য এটা জুলুম। আইন করেই এটা করা হয়েছে। এটা বিনিয়োগের জন্য বড় বাধা। এ অবস্থার পরিবর্তন দরকার। গত শনিবার একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের যৌথ উদ্যোগে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘কেমন বাজেট চাই’-এ ব্যবসায়ীদের বক্তব্যে এসব কথা উঠে আসে।
২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক, বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি বা ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, বিএনপি নেতা ও সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী ড. মঈন খানসহ বিভিন্ন রাজনীতিবিদ, অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, করোনার কারণে আমাদের উৎপাদন সক্ষমতা কমে গেছে। সঙ্গে ইউক্রেন ও রাশিয়া যুদ্ধ বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। এত দিন সরকার অবকাঠামোগত খাতে বিনিয়োগ করে অর্থনীতিকে চাঙ্গা রেখেছে। এখন প্রাইভেট বিনিয়োগ দরকার। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে কিছুদিন আগে আমেরিকার ৪৩ সদস্যের প্রতিনিধি বাংলাদেশ ঘুরে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, রপ্তানি খাত বড় হওয়ার সুযোগ রয়েছে। যে পরিমাণ রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হচ্ছে, চলতি বছরে পোশাক খাতে তা ৪২ বিলিয়ন ডলার হতে পারে। কিন্তু আমি বলতে চাই বাংলাদেশের ট্যাক্স সিস্টেম ব্যবসাবান্ধব নয়। ব্যবসায়ীদের জন্য যেটা জুলুম। আইন করেই এটা করা হয়েছে। এটা বিনিয়োগের জন্য বড় বাধা। এ অবস্থার পরিবর্তন দরকার।
এমএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. মফিজুর রহমান বলেন, দেশের ৮৫ শতাংশেরও বেশি কর্মসংস্থান এসএমই খাতের। এই এসএমই খাতে স্বল্প সুদের ঋণ দেয়ার সুযোগ রাখা উচিত।