নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০২৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের কোম্পানি গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। আর আগের বছরের একই সময়ে মুনাফা করলেও চলতি হিসাববছরের এই প্রান্তিকে কোম্পানিটি লোকসান করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রকাশিত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে।
চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৫ পয়সা (লোকসান), যা আগের বছর একই সময় ছিল ৪৪ পয়সা। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি আয় কমেছে ৯৯ পয়সা। অন্যদিকে প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর, ২০২৪) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৩ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ১৫ পয়সা। অর্থাৎ প্রথম তিন প্রান্তিকের হিসাবে শেয়ারপ্রতি আয় কমেছে ৭২ পয়সা। এছাড়া ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ১৪ পয়সা (লোকসান)। প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৯ টাকা ৯২ পয়সা (ঘাটতি), আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৯ টাকা ৬৩ পয়সা (ঘাটতি)।
উল্লেখ্য, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ এবং ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ছিল ১৩ টাকা ৯৪ পয়সা। আর অলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ১৬ পয়সা (ঘাটতি)।
ব্যাংক খাতের প্রতিষ্ঠানটি ২০২২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। দুই হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ৩৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা। কোম্পানিটির রিজার্ভে রয়েছে ৩০৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট ১০৩ কোটি ৬৮ লাখ ১১ হাজার ৬৭২টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের কাছে ১৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৫৩ দশমিক ১৪ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩১ দশমিক ৪৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
