অস্বাভাবিক শেয়ারদর বৃদ্ধি

মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই মেঘনা পিইটি ইন্ডাস্ট্রিজের

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারদর বাড়ার পেছনে কোনো মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানি মেঘনা পিইটি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের। সম্প্রতি অস্বাভাবিক দর বাড়ার কারণ জানতে চাইলে কোম্পানিটি এমন তথ্য জানায়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সম্প্রতি কোম্পানিটির অস্বাভাবিক দর বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে গত ৯ মার্চ ডিএসই নোটিশ পাঠায়। জবাবে কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ারদর বাড়ছে বলে জানায় কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

কোম্পানিটির গত ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ধারাবাহিকভাবে শেয়ারদর বাড়ছে। ডিএসইতে ওইদিন কোম্পানির শেয়ারদর ছিল ১৯ টাকা ৭০ পয়সা, গত ৯ মার্চ লেনদেন হয় ২৯ টাকা ৭০ পয়সায়। এ হিসাবে মাত্র ৮ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারের দর বেড়েছে ১০ টাকা। আর এই দর বাড়াকে অস্বাভাবিক মনে করছে ডিএসই।

এদিকে গতকাল ডিএসইতে শেয়ারদর ২ দশমিক ০২ শতাংশ বা ৬০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৩০ টাকা ৩০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও ছিল একই। দিনজুড়ে ২ লাখ ৭ হাজার ২৭৮টি শেয়ার মোট ৩৯৬ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনিন্ম ২৯ টাকা ৭০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৩১ টাকা ৪০ পয়সায় হাতবদল হয়। এক বছরে শেয়ারদর ৯ টাকা থেকে ৩৭ টাকা ৮০ পয়সায় ওঠানামা করে।

২০২১ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটি কোনো লভ্যাংশ না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর আগের বছরেও কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। ২০২১ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৩ পয়সা (লোকসান) এবং ৩০ জুন তারিখে শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়ায় ৪ টাকা ৫৪ পয়সা (লোকসান)। যা তার আগের বছরের একই সময় ছিল যথাক্রমে ৩০ পয়সা (লোকসান) এবং ৪ টাকা ২২ পয়সা (লোকসান)।

কোম্পানিটি ২০০১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে জেড ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ৩০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১২ কোটি টাকা। কোম্পানির রিজার্ভ ঘাটতির পরিমাণ ১৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৫০ শতাংশ শেয়ার ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে বাকি ৫০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।