রাত পেরোলেই মেট্রোরেলের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাত পেরোলেই উদ্বোধন হবে স্বপ্নের মেট্রোরেল। আগামীকাল বুধবার সকাল ১১ টায় স্বপ্নের মেট্রোরেলের শুভ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে সকল ধরনের প্রস্তুতি।

মিরপুর থেকে সড়ক পথে উত্তরা যেতে হয় অনেক পথ ঘুরে, সেই সঙ্গে যাতায়াতে রয়েছে অসহনীয় যানজট। যার ফলে সড়ক পথে যাতায়াতে সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা বা তারচেয়েও বেশি সময় লাগে। এবার সেই দূরত্ব ও যানজট দুটোই কমিয়ে উত্তরা ও মিরপুরের বাসিন্দাদের জন্য স্বস্তি নিয়ে আসছে মেট্রোরেল। এখন থেকে মেট্রোরেলে চড়ে খুব সহজে মাত্র ১৫ মিনিটেই মিরপুর থেকে উত্তরায় যাতায়াত করা যাবে।

ইতিমধ্যেই মেট্রোরেল নির্মাণ প্রকল্পের উত্তরা-আগারগাঁও অংশের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, মিরপুর ১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়ার মেট্রোরেল অংশের কাজ শেষ করে পরিষ্কার করা হচ্ছে। সড়কের কিছু অংশে নতুন করে কার্পেটিং করা হয়েছে। ফুটপাতগুলোতে বসানো হয়েছে নতুন টাইলস।

প্রকল্পের মাঠপর্যায়ের কাজের পুরো সময়টাতেই মিরপুর ও উত্তরার লাখো বাসিন্দাকে চলাচল করতে হয়েছে মেট্রোরেলের নির্মাণকাজের ভোগান্তি সহ্য করেই। নির্মাণযজ্ঞ শেষে উদ্বোধনের দিন-ক্ষণ ঠিক হওয়ায় ওই এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে ফিরেছে স্বস্তি।

সম্প্রতি উত্তরা ও মিরপুরের বিভিন্ন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, মেট্রোরেল চালু হলে দুই এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াত সহজ হবে। দূর হবে অসহনীয় যানজট ও ভোগান্তি। তাই স্বস্তির আশায় বুক বেঁধে আছেন তারা।

মিরপুরের বাসিন্দা মারিয়া নওরীন বলেন, মেট্রোরেল চালু হলে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে নারীরা। কারণ বর্তমানে যে গণপরিবহনগুলো রয়েছে সেগুলোতে নারীদের প্রায়ই হয়রানির মুখে পড়তে হয়। কিন্তু বিকল্প কোনো পরিবহন ব্যবস্থা না থাকায় তাদের বাধ্য হয়েই এসব কষ্ট স্বীকার করেই গণপরিবহনে যাতায়াত করতে হয়। এখন এ ধরনের হয়রানি অনেকাংশে কমবে বলে আশাবাদী।

উত্তরার বাসিন্দা তৌফিক ওমর বলেন, ঢাকাবাসীর যাতায়াতের একটি সুবিধাজনক মাধ্যম হবে মেট্রোরেল। কারণ এটি দিনে লক্ষাধিক যাত্রীবহন করতে পারবে। যার ফলে এ অঞ্চলে অনেকাংশে দূর হবে যানজট ও ভোগান্তি।