নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন করোনাভাইরাসের টিকা কার্যক্রম রমজানেও নিয়মিত চলবে। তিনি বলেন, ‘রোজার মধ্যেও কেন্দ্রগুলোতে নিয়মিত টিকা দেয়া হবে। সেই সঙ্গে গণটিকা কার্যক্রম আরও ৩ দিন বাড়ানো হয়েছে।’ গতকাল রাজধানীর ওসমানী স্মৃৃতি মিলনায়তনে ‘স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাতীয় পুরস্কার-২০২০’ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই আয়োজন করেছে।
জাহিদ মালেক বলেন, ‘কভিডে বর্তমানে দেশ ভালো অবস্থায় আছে। চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ গোটা দেশবাসী কভিড নির্মূলে একযোগে একে অপরকে সহায়তা করেছে। তবে, এর মাঝেও টেলিমেডিসিন সেবা বৃদ্ধি, দক্ষ ব্যবস্থাপনা, আইসিইউ সংখ্যা বৃদ্ধি, সময় মতো ভ্যাকসিন আনা, টাকার জোগান দেয়া, ভ্যাকসিন সোর্স বের করাটাও কভিড নির্মূলে কম ভূমিকা রাখেনি।’
টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে তিনি বলেন, ‘সময় মতো আমরা ভ্যাকসিন পেয়েছি। যথাসময়ে ভ্যাকসিন আনা হয়েছে, টাকার সংস্থান করা হয়েছে। সময় মতো ভ্যাকসিনের সোর্স পাওয়া গেছে। অনেক দেশই ভ্যাকসিনের সোর্সিং করতে পারেনি।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘১৩ কোটি প্রথম ডোজ, ১১ কোটির বেশি দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে। সেই হিসাবে লক্ষ্যমাত্রার ৯৬ ভাগ মানুষকে ভ্যাকসিন দেয়া সম্ভব হয়েছে।’ তিনি জানান, এটা একটা বিরাট কাজ এবং এখনও হাতে পাঁচ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন রয়েছে এবং পাইপলাইনে আরও ছয় কোটি ডোজ ভ্যাকসিন রয়েছে।
জাহিদ মালেক বলেন, ‘এখনও যারা টিকা নেননি, তারা টিকা নিলে দেশ আরও বেশি উপকৃত হবে। আর এসব কথা বিবেচনা করে গণটিকা কার্যক্রম আরও তিন দিনের জন্য বাড়ানো হলো। এখন থেকে গণটিকা কার্যক্রম ৩ এপ্রিল পর্যন্ত আগের নিয়মে চলমান থাকবে।’
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সভাপতিত্ব করেন। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলানসহ অন্যরা।