নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে লংকাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেড ও এনসিসিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
লংকাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেড: ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ সমাপ্ত হিসাববছরে ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে কোম্পানিটির সাবসিডারি প্রতিষ্ঠান লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ লিমিটেড পাঁচ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। উল্লেখ্য, লংকাবাংলা সিকিউরিটিজের ৯০ দশমিক ৯১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে লংকাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেডের।
আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ১৪ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ২৭ মার্চ সকাল ১০টায় রাজধানীর ধানমন্ডির ১৬ নম্বর রোডে (পুরাতন ২৭) অবস্থিত মাইডাস সেন্টারের ১৩ তলায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ মার্চ।
এদিকে গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ বা দুই টাকা ৪০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ২৭ টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও একই ছিল। দিনজুড়ে ৬০ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫৫টি শেয়ার মোট দুই হাজার ৮৫৫ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ১৬ কোটি ৩৫ লাখ দুই হাজার টাকা। গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ারদর ২২ টাকা থেকে ৪১ টাকা ৬০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।
এর আগে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটি সাড়ে সাত শতাংশ নগদ ও সাড়ে সাত শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে, যা তার আগের বছরের অর্ধেক। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটি ইপিএস হয়েছিল পাঁচ টাকা ৯৭ পয়সা ও এনএভি ২৬ টাকা ১৬ পয়সা। এটি আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে দুই টাকা ৮৭ পয়সা ও ২৪ টাকা ১৬ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ১৮৯ কোটি ৮৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল ৭৯ কোটি ৫৫ লাখ ২০ হাজার টাকা।
২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি। এক হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৫১৩ কোটি ১৮ লাখ টাকা। কোম্পানির রিজার্ভের পরিমাণ ৩৫৩ কোটি ৫২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট ৫১ কোটি ৩১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৪১টি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের ৩৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর ২১ দশমিক ৪৩ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারী তিন দশমিক ৪৭ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে বাকি ৪১ দশমিক ৫৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
এনসিসিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান: আলোচ্য সময়ে ফান্ডটি ছয় শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ওই সময় ইউনিটপ্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ৬৫ পয়সা এবং ইউনিটপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) খরচ মূল্য হিসাবে হয়েছে ১০ টাকা ৮৩ পয়সা আর বাজারদরে ১১ টাকা ছয় পয়সা। এটি আগের বছরের একই সময় ছিল যথাক্রমে এক টাকা এক পয়সা ও ১১ টাকা ১৭ পয়সা আর ১২ টাকা ৮২ পয়সা। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ মার্চ।
গতকাল ফান্ডটির ইউনিট দর এক দশমিক ৩০ শতাংশ বা ১০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ সাত টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও একই ছিল। গত এক বছরে ইউনিট দর ছয় টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৯ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে হাতবদল হয়।




