নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে ওঠে এসেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড। আলোচিত সময়ে ফান্ডটির ইউনিটদর কমেছে ১১ দশমিক ৮৪ শতাংশ।
এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে ফান্ডটির ইউনিটদর ৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ বা ২ টাকা ৫০ পয়সা কমে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ২৬ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও ছিল ২৬ টাকা ৮০ পয়সা। দিনজুড়ে ১৪ লাখ ১৪ হাজার ৫৮২টি শেয়ার ১ হাজার ৯০৬ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৩ কোটি ৯৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনিম্ন ২৬ টাকা ৬০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২৯ টাকা ৪০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ২৬ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ৫১ টাকা ৪০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।
সাপ্তাহিক দরপতনের তালিকায় এর পরের অবস্থানে ছিল খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর কমেছে ৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর ১ দশমিক ৮৯ শতাংশ বা ২ টাকা ৫০ পয়সা কমে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ১৩০ টাকা ১০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল একই। দিনজুড়ে শেয়ারদর ১২৮ টাকা থেকে ১৩৪ টাকা ৯০ হাতবদল হয়। ওইদিন তিন লাখ ৮৮ হাজার ৫৬৯টি শেয়ার মোট ১ হাজার ৪৮৬ বার হাতবদল হয়। যার বাজারদর ৫ কোটি ১৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা। তবে গত এক বছরের মধ্যে কোম্পানিটির শেয়ারদর সর্বনিম্ন ৭৬ টাকা ১০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২৩৯ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।
কোম্পানিটি ২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘বি’ ক্যাটেগরিতে লেনদেন হচ্ছে। ১৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৯৮ কোটি ৮ লাখ টাকা। খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের রিজার্ভে রয়েছে ১৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট ৯ কোটি ৮০ লাখ ৭৯ হাজার ৮৭৭টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের কাছে ৩০ দশমিক ১৩ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬০ দশমিক ৫৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন, ২০২৪ সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ব্যতীত সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ পয়সা। ৩০ জুন, ২০২৪ তারিখে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছিল ১১ টাকা ৮৮ পয়সা। আর আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৮ পয়সা।
কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন, ২০২৩ সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ পয়সা (লোকসান)। ৩০ জুন, ২০২৩ তারিখে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছিল ১১ টাকা ৮৭ পয়সা। আর আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি কোনো নগদ অর্থপ্রবাহ হয়নি। এর আগে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন, ২০২২ সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগকারীদের দুই শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৮ পয়সা (লোকসান)। ৩০ জুন, ২০২২ তারিখে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছিল ১১ টাকা ৯৪ পয়সা। আর আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছিল ৫৭ পয়সা।
এর আগে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন, ২০২১ সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৫ পয়সা (লোকসান)। ৩০ জুন, ২০২১ তারিখে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ২৬ পয়সা। এছাড়া এই হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৪০ পয়সা।




