স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারদর ২০ শতাংশ কমেছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে দরপতনের শীর্ষে ছিল স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। গত সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ারদর কমেছে ১৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ। আর গত সপ্তাহে কোম্পানিটির মোট ৪ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দৈনিক গড় হিসাবে এ লেনদেন ছিল ৮৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সর্বশেষ কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন, ২০২৩ সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৯ টাকা ৩ পয়সা (লোকসান)। ৩০ জুন, ২০২৩ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছিল ১৪ টাকা ৮২ পয়সা (লোকসান)। আর আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছিল ৯ টাকা ১০ পয়সা (লোকসান)। এর আগে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন, ২০২২ সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৯৯ পয়সা (লোকসান)। ৩০ জুন, ২০২২ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছিল ৬ টাকা ৬৬ পয়সা। আর আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছিল ৯৪ পয়সা (লোকসান)। এর আগে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন, ২০২১ সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগকারীদের জন্য এক শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৪ পয়সা। ৩০ জুন, ২০২১ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৭২ পয়সা। এছাড়া এই হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১ টাকা ২০ পয়সা।

কোম্পানিটি ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘বি’ ক্যাটেগরিতে লেনদেন হচ্ছে। ১০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ছয় কোটি ৪৬ লাখ ১০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট ৬৪ লাখ ৬০ হাজার ৬৫০টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের কাছে ৩০ দশমিক ৫০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ১০ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৫৯ দশমিক ১০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

দরপতনের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ারদর কমেছে ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৩ কোটি ১৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা। আর সপ্তাহজুড়ে মোট লেনদেন হয় ১৫ কোটি ৯৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা। দরপতনের তালিকায় এর পরের অবস্থানে থাকা কে অ্যান্ড কিউ লিমিটেডের শেয়ারদর কমেছে ১৫ দশমিক ০৯ শতাংশ। প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের দর কমেছে ১২ শতাংশ, বাংলাদেশ ফাইন্যান্স লিমিটেডের শেয়ারদর কমেছে ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশ, এসিআই লিমিটেডের ১১ দশমিক ০১ শতাংশ।, এমারাল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ারদর কমেছে ১০ দশমিক ৬২ শতাংশ, আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের ১০ দশমিক ৩৬ শতাংশ, ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটদর কমেছে ১০ দশমিক ১৭ শতাংশ এবং জুট স্পিনার্স শেয়ারদর কমেছে ৯ দশমিক ৫১ শতাংশ।