গজলডোবা বাঁধ খুলে দিয়ে ভারত আন্তর্জাতিক অপরাধ করেছে: ডা. জাফরুল্লাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক: গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, হঠাৎ অতর্কিতভাবে ভারত থেকে আসা পানিতে সুনামগঞ্জ ও সিলেট ডুবে গেছে। বাংলাদেশকে না জানিয়ে গজলডোবা বাঁধ খুলে দিয়ে ভারত আন্তর্জাতিক অপরাধ করেছে। এখানে আমাদের যে কূটনৈতিক সমাধান প্রয়োজন সেটি আমরা করতে পারিনি।

গতকাল বুধবার ধানমন্ডি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের মান্নান হলে এবি পার্টির উদ্যোগে মানবিক সংকট মোকাবিলায় সর্বোচ্চ অর্থ ও খাদ্য বরাদ্দের দাবিতে আয়োজিত নাগরিক সংলাপে তিনি একথা বলেন।

এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মন্জুর পরিচালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন দলের আহ্বক ও প্রাক্তন সচিব এএফএম সোলায়মান চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক প্রফেসর ড. দিলারা চৌধুরী, নদী বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী ইনামুল হক, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদ, এনডিপি চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোর্তুজা, এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. মেজর (অব.) আব্দুল ওহাব মিনার ও যুগ্ম সদস্য সচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন,  আজকে যত দিন তিস্তা চুক্তি না হবে, ভারত বাংলাদেশের প্রতিটি বাঁধের তথ্য আমাদের দিতে হবে। অন্যথায় তাদের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক বন্ধ করে দেয়া উচিত।

সংলাপে অংশ নেয়া বক্তারা নদী ব্যবস্থাপনা, নদী রক্ষা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও দুর্গতদের পুনর্বাসনসহ সার্বিক বন্যা-উত্তর পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বাধুনিক উন্নত প্রযুক্তি, ধারণা ও উন্নত দেশগুলোর  অভিজ্ঞতা নিয়ে ব্যবহারিক-অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ ও কর্মপরিকল্পনা নেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, ভূমি ব্যবহার পরিবর্তন ও বিল্ডিং কোডের যথাযথ প্রয়োগ, শস্য উৎপাদন বহুমুখীকরণ তথা বন্যা-প্রতিরোধী বা বন্যাসহিষ্ণু শস্য চিহ্নিতকরণ ও রোপণ করা এবং শস্য রোপণ মৌসুমে অভিযান চালাতে হবে। প্লাবন ভূমিগুলোকে বিভিন্ন জোনে বিভক্ত করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ভূমি ব্যবহার জোন তৈরি করা এবং নদীর সঙ্গে সংযুক্ত সব খাল ও নালাকে অবৈধ দখল ও বর্জ্যমুক্ত করার দাবি জানান তারা।