শেয়ার বিজ ডেস্ক: কানাডার সাসকাচুয়ান প্রদেশে গত রোববার ছুরি নিয়ে হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই হামলাকারী মারা গেছেন। খবর: বিবিসি।
সাসকাচুয়ানে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী-অধ্যুষিত এলাকা ও নিকটবর্তী একটি শহরে ছুরি নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ১০ জন নিহত ও ১৮ জন আহত হন। আহত ১০ জন এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ঘটনায় ডেমিয়েন স্যান্ডারসন (৩১) ও মায়েলস স্যান্ডারসন (৩০) নামের দুই সন্দেহভাজনকে খুঁজতে থাকে পুলিশ।
সোমবার ডেমিয়েন স্যান্ডারসন (৩১) নামের এক সন্দেহভাজনের লাশ উদ্ধার হয়। জেমস স্মিথ ক্রি নেশন এলাকায় একটি বাড়ির কাছে ঘন ঘাসের ভেতর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। এরপর মারা গেলেন দ্বিতীয় সন্দেহভাজন। পুলিশি হেফাজতে নেয়ার পর তিনি মারা যান বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, গত বুধবার বিকালে সাসকাচুয়ানে থেকে মায়েলস স্যান্ডারসনকে হেফাজতে নেয়া হয়। ঘটনাস্থলের ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, রোসথার্ন শহরের কাছে সাদা এসইউভি মডেলের গাড়ি সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে আছে। পুলিশের গাড়িগুলো সেটি ঘিরে রেখেছে।
গত বুধবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের (আরসিএমপি) সহকারী কমিশনার রোন্ডা ব্ল্যাকমোর জানান, তারা খবর পেয়েছেন মায়েলস একটি বাড়ির সামনে থেকে একটি গাড়ি চুরি করে নিয়ে গেছেন। তবে ওই চুরির সময় বাড়ির মালিক আহত হননি। মায়েলস ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার বেগে গাড়ি চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ তাকে তাড়া করে। তারা সন্দেহভাজনের গাড়িটিকে ধাক্কা দিয়ে সড়কের পাশে খাদে ফেলে দেয়। গ্রেপ্তারের পর পুলিশ গাড়ি থেকে একটি ছুরি উদ্ধার করে।
পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, গ্রেপ্তারের কিছুক্ষণ পর মায়েলস অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। মায়েলসের ভাই আরেক সন্দেহভাজন ডেমিয়েন স্যান্ডারসনকেও পুলিশের তল্লাশি অভিযান চলাকালে হত্যা করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। আরসিএমপির সহকারী কমিশনার রোন্ডা ব্ল্যাকমোর বলেন, ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে মায়েলস কীভাবে মারা গেছেন। এ নিয়ে তদন্ত চলছে।




