শেয়ার বিজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে কভিড-১৯ মহামারির কারণে গণপরিবহনে মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা তুলে নেয়া হয়েছে। ২৮ মাস পর শিথিল করা হলো কভিড বিধিনিষেধ। খবর: সিএনএন।
ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের এক ফেডারেল বিচারক দেশজুড়ে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরার নির্দেশকে বেআইনি বলে রায় দেয়ার পর এপ্রিলে দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গণপরিবহনে এ নির্দেশনা কার্যকর বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু নিউইয়র্ক রাজ্য এ নির্দেশনা বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে মহামারির শুরুতে ব্যাপক সমর্থন সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের পর থেকে নিউইয়র্কের বহু বাসিন্দা অঙ্গরাজ্য কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অগ্রাহ্য করতে শুরু করে।
২০২০ সালে নিউইয়র্ক শহরজুড়ে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর অঙ্গরাজ্য কর্তৃপক্ষ এপ্রিলে এ বাধ্যবাধকতা জারি করে। কিন্তু এখনও মাস্ক পরা ঐচ্ছিক বলে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) সাম্প্রতিক নির্দেশিকা উদ্ধৃত করে জানিয়েছেন গভর্নর।
বিমানবন্দর ও রাইডশেয়ার গাড়িগুলোয় মাস্ক পরে চলাফেরা করতে হবে না বলে জানিয়েছেন অঙ্গরাজ্যটির গভর্নর ক্যাথি হোকল। তিনি বলেন, আমাদের জীবনে কিছু স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনা দরকার। মাস্ক পরায় উৎসাহিত করা হচ্ছে কিন্তু এটি ঐচ্ছিক। সংক্রমণ ও হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা কমে আসায় নিউইয়র্ক এখন অনেক স্থিতিশীল। গৃহহীনদের আশ্রয়কেন্দ্র ও কারাগারগুলোয়ও মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা তুলে নেয়া হয়েছে। তবে অঙ্গরাজ্যটির অনুমোদনপ্রাপ্ত নার্সিং হোম, হাসপাতাল ও অন্য স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোয় মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা এখনও বজায় রয়েছে বলে জানান গভর্নর।
প্রসঙ্গত এক সময় যুক্তরাষ্ট্রে কভিড-১৯ মহামারির কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল নিউইয়র্ক। জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ অঙ্গরাজ্যের ৬০ লাখের বেশি মানুষ রোগটিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ৭১ হাজার ২২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখন অঙ্গরাজ্যটির জনসংখ্যার প্রায় ৭৮ শতাংশ পুরোপুরি টিকার আওতায় এসেছে।




