প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া : রেলসেতু দিয়ে এপার থেকে ওপার যাচ্ছিলেন হাফিজুল ইসলাম নামের যুবক। আচমকা ট্রেন চলে আসায় আর সেতু পারাপার হওয়া সম্ভব হলোনা তার, ট্রেনের কাটায় ঘটলো প্রাণপাত। ঘটনাটি ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে আখাউড়া জংশন ইয়ার্ডের গঙ্গাসাগর রেলস্টেশন সংলগ্ন হাওড়া রেলসেতুর।
রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের গঙ্গাসাগর রেলস্টেশন সংলগ্ন হাওড়া রেলসেতুর উপর ঘটে এই মর্মান্তিকতা। নিহত হাফিজুল ইসলাম (২৮) আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বনগজ গ্রামের আবদুল খালেক মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় এলাকাবাসী এবং রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে হাওড়া নদীর গঙ্গাসাগর রেলওয়ে সেতুর উপর ট্রেনে কাটা পড়া দ্বিখণ্ডিত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়। রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। পুলিশের ধারণা, নিহত যুবক রেলসেতু পারাপার হতে চাচ্ছিলেন। এরই মাঝে আচমকা ট্রেন চলে আসায় ট্রেনের কাটায় সে মারা যায়। এদিকে খবর পেয়ে নিহতের পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে লাশটি বনগজ গ্রামের আবদুল খালেক মিয়ার পুত্র হাফিজুল ইসলামের বল শনাক্ত করেন। পরে ময়না তদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
আখাউড়া রেলওয়ে থানার পরিদর্শক (ওসি) আলীম হোসেন শিকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘ধারণা করা হচ্ছে নিহত যুবকটি রেলসেতু পারাপার হচ্ছিলেন। এসময় কোন একটি ট্রেনে সে কাটা পড়ে মারা যায়৷ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই বিষয়ে দায়ের হয়েছে একটি অপমৃত্যুর মামলা।’




