সাঁকোতে ভোগান্তি সেতু নির্মাণের দাবি

প্রতিনিধি, গাইবান্ধা: মচ্চ নদীর পাশে অলির ঘাট। এ পথেই পারাপার সহস্রাধিক মানুষের। শুকনো মৌসুমে বাঁশের সাঁকো আর বর্ষায় চলতে হয় ডিঙি নৌকায়। ফলে পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি। এ ঘাটে একটি সেতু নির্মাণের দাবি ভুক্তভোগীদের। এ বিষয়ে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন প্রতিশ্রুতি দিলেও কথা রাখেনি কেউ। সম্প্রতি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের গণকপাড়া গ্রামে দেখা গেছে পথচারীদের এ দুর্ভোগের চিত্র।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের সীমানাঘেঁষে যাওয়া মচ্চ নদীর পাশে গণকপাড়া গ্রামে অবস্থিত অলির ঘাট। নদীর ঘাট থেকে ঘাটের কিনারা অনেক উঁচু। নদী পারাপারে রিকশা-ভ্যান, বাইসাইকেল, মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল করতে পারে না। এ কারণে কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের মুংলিশপুর, পালপাড়া, গণকপাড়া, জাফর, শীলপাড়া এলাকার বিভিন্ন পেশার মানুষ এপার থেকে ওপারে চলাচলের জন্য শুকনা মৌসুমে বাঁশের সাঁকো আর বর্ষা মৌসুমে নৌকা ছাড়া চলতেই পারে না। নদীর পানি শুকিয়ে গেলে চলাচলের জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়।

নদীতে পানি বেড়ে গেলে পারাপারের জন্য নৌকার ব্যবস্থাও থাকে না। তখন সাধারণ মানুষের ভোগান্তি যেন আরও বেড়ে যায়। প্রতিদিন যাতায়াত করা স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ চলাচল করে থাকেন এ অলির ঘাট দিয়ে। বছরের পর বছর পেরিয়ে গেলেও আজও একটি সেতু নির্মাণ হয়নি। এ ভোগান্তি যেন পথচারীদের নিত্যদিনের সঙ্গী।

এ বিষয়ে কিশোরগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আলমগীর জানান, এই এলাকার মানুষের পারাপারে জন্য একটি সেতু নির্মাণ করা হলে সবার উপকার হবে। এ নিয়ে পরিষদের সভায় একাধিকবার আলোচনা করা হয়েছে।
পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান বলেন, মচ্চ নদীর অলির ঘাটে দুই উপজেলার সীমানায় অবস্থিত। বিষয়টি সমন্বয় করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হবে।